দুঃখ বিলাপ কাব্য || গোবিন্দ ধর

দুঃখ বিলাপ কাব্য

গোবিন্দ ধর 

মাঝে মাঝে দুঃখকে ডেকে আনি চৌকাঠ অব্দি। কোনো কোনো দুঃখ ভগত সিং যুব আবাসেই রেখে আসি।কোনো কোনো দুঃখ রামনগর। সূর্য সেন লেন থেকে দুঃখ পেড়ে আনি ঘর অব্দি। তুলে রাখি গোপনতোরঙে।
আরো এক দুঃখ ডেকে আনি রবীন্দ্র সংগীত থেকে।সংগীতের মূর্ছণায় দুঃখ আরো গভীরতন্ময়রূপে ঝেঁকে বসে। হাঁড়গুড় রক্তমাংসের লাভডুব তার হাতে তুলে দিই।লোফালুফি খেলে সেও ছুঁড়ে ফেলে বিষাদবালকের কথকতা। 
আরো এক দুঃখ কিনে আনি।স্বপ্লমূল্যে।তার কোনো স্বপ্ন নেই। তার কোনো বডিল্যাঙ্গুজ নেই। তার কোনো নিজস্ব ভূখণ্ড নেই। দুঃখের গল্প নেই। অভিব্যক্তি নেই। দুঃখ মরে গেলে আমি তুমি সে তাহারা কেউ আর জীবিত নয়। এ কথা সে জানে না।তার কোনো দুঃখ নেই। মায়া প্রেম মোহ কিচ্ছু নেই। মৃতনগরীর স্মার্ট শহরে অবশিষ্ট নেই অভিমান। ফিরে আসি। দুঃখ খুঁজি। দুঃখ যারতার নিকট থাকে না।না প্রেম না সুখ না দুঃখ তাদের কিছু নেই। সেই তারাও মৃত আত্মা বয়ে বয়ে নগরীর রাস্তাঘাট- ফুটপাত দখল করে হাঁটে।
এখন আমিও দুঃখের পায়ের শব্দে বুঝি কার কতটুকু দুঃখ আছে।দুঃখ নেই যাদের আমি তাদের কেউ হতে চাইনি।
ছোটবেলা থেকে দুঃখ খুঁজি। দুঃখকিনি।দশপাঁচ টাকায় দেদার দুংখ বিক্রি হতো। সেই সকল দুঃখ মাড়িয়ে একটি কবিতার নিকট নতজানু আমি। গোপন স্ব কেজ থেকে পরিপাটি করা দুঃখগুলোর ভাঁজ খুলতে খুলতে ক্রমশ আমি ভ্রমণ বিলাসি হয়ে গেছি? 
ভ্রমণবিলাপ থেকে নিজেকে মুক্ত করে পুনরায় আরো এক দুঃখ দুঃখ ঢেউ খেলানো নদীর নিকট পা ডুবিয়ে বসি।

১৭:০৪:২০২৪
সকাল :৬টা২০মি
কুমারঘাট।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ