কবি ছড়াকার
গীতিকার ও সুরকার সেবু মোস্তাফিজ
মুখোমুখি
কবি ও কথাশ্রমিক গোবিন্দ ধর
প্রশ্ন :১
পরিচিতি দিন।
উত্তর:১
সেবু মোস্তাফিজ।পিতাঃ মৃত আঃ হামিদ।মাতা: মৃত মরিয়ম বিবি।প্রজাপাড়া:পীরগঞ্জ-রংপুর-বাংলাদেশ।
প্রকাশনা
ছড়াগ্রন্থ: নূরীর জন্য অর্চির ভাবনা(২০১৪), এক লাইনের কাব্যগ্রন্থঃ সহস্র এক লাইন(২০১৮),
গীতিকাব্যঃ অরূপ তোমার স্বরূপ বোঝা ভার(২০১৮),কবিতা গ্রন্থঃ পাগলী আমার হাত ধরেছে(২০১৯)
প্রশ্ন :২
প্রতিটি শুরুরও শুরু থাকে সেই শুরুর দিনগুলো শুনবো?
উত্তর:২
যাদু শিল্প,অভিনয় আর গানের প্রতি আমার টান খুব ছোট বেলা থেকেই। তখন প্রাইমারির দিত্বীয় শ্রেণি। স্কুলে সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান হতো। যাদু দিয়ে প্রথম মঞ্চজীবন শুরু। তারপর অভিনয়। এবং চতুর্থ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় প্রথম পদ্য লেখা। এরপর যখন সপ্তম শ্রেণিতে। বার্ষিক পরীক্ষার হলে বসে লেখা শেষ করে বসে থাকার সময় লুজ সিটে জীবনের প্রথম নাটকের পাণ্ডলিপি লেখা শুরু। জোঁক শিরোনামের গল্প অবলম্বনে লিখে ফেলি “বিষ দাঁতের ছোঁবল” জীবনের প্রথম নাটক। তারপর থেকেই গান-গল্প-নাটক-কবিতা ও ছড়া। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় জীবনে প্রথম নিজের রচিত ও নির্দেশিত নাটক মঞ্চায়ন। এখন গান-কবিতা আর ছড়া নিয়ে চলছি।
প্রশ্ন :২ পারিবারিক কোন চাপিয়ে দেওয়া ছিলো না নিজস্ব নির্বাচন এই শিল্পকে আপন করে নেওয়ার সময় ছিলো?
উত্তলঃ আমার সাহিত্য চর্চার মূল ধারক ছিলেন আমার মা। আর মূল পুষ্ঠপোষক ছিলেন আমার বাবা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিল্প/সাহিত্য চর্চা শুরু করিনি।
প্রশ্ন :৩
আপনার কলেজ জীবনের গল্প বলুন?তখনকার বিশেষ স্মৃতি?
উত্তর:৩
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রংপুরের কারমাইকেল কলেজে 1991 সালে এইচএসসি। আমি বরাবরই নিভৃতচারী। বেশী কোলাহল ভালো লাগতো না। ঘরে থাকতেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করতাম। লেখালেখি করে সময় কাটাতাম। বই পড়তাম। গান করতাম। আমি সহপাঠী আর বন্ধু এক ভাবি না। তাই বন্ধু সংখ্যা কম। সে কারণে তেমন আড্ডার সুযোগ ছিলো না। তেমন স্মৃতিময় ঘটনা ঘটেনি। তবে কলেজে পড়ার সময় প্রথম বাবা মাকে ছেড়ে থাকা। অবাধ স্বাধীনতার নামে অন্যদের উশৃঙ্খল জীবন দেখে একটি বোধের জন্ম হয় তখন। তাহলো- যে স্বাধীনতার মাঝে পরাধীনতা(তদারকি)নাই তাই স্বাধীনতার সৌন্দর্য কে খর্ব করে।
প্রশ্ন :৪
এ অঞ্চলের সাহিত্যে ভিন্ন সুর আমরা অনুভব করছি।বৃহৎ বাংলার বাংলা সাহিত্যের সাথে সুর মিললেও তার আছে নিজস্ব স্বর।আপনি কেমন দেখেন?
উত্তর:৪
আমি কট্টরপন্থী মানুষ না। গোড়াও নাও। অঞ্চল ভেদে ভিন্নতা নূতন কিছু নয়। সবার নিজস্ব স্বকীয়তা থাকা উচিৎ।
প্রশ্ন :৫
একটি গ্রন্থ নির্মানে বইয়ের বিষয়ের সাথে প্রচ্ছদ কতটুকু একে অন্যের পরিপূরক?
উত্তর:৫
বাড়ির সাথে দরজা যেমন। নিরাপত্তাও দেয় আবার পরিচয়ও করে দেয়। প্রচ্ছদ পাঠকের আগ্রহ জন্মায় পাঠে। তাই উভয়ে উভয়ের পরিপুরক।
প্রশ্ন :৬
কোন পথে আমাদের সময়।কোন পরামর্শ কিংবা আমাদেরকে পথ বাৎলে দেবেন?
উত্তর:৬
সু পথে। কারণ উদ্দেশ্য যদি সৎ হয় চিন্তা যদি মহত হয় তবে কর্ম সৎ হতে বাধ্য। না। পরামর্শ দেবার যোগ্যতা আমার নেই। তবে অনুরোধ করতে পারি-আসুন নিজেকে তালাশ করি।
প্রশ্ন :৭
প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি বিষয়ে কোন আক্ষেপ আছে?
উত্তর:৭
না। কোন বিষয়ে কোন আক্ষেপ নেই আমার। প্রত্যাশাহীন প্রাপ্তিতে আমি চরম সুখ পাই। আমার অতি কৌতুহল নেই কোন বিষয়ে। প্রত্যাশাও নেই বললেই চলে।
প্রশ্ন :৮
কি রেখে যেতে চান?যা ১০০ বছর পর চর্চা হবে?
উত্তর:৮
গান-গান-গান। যার মাধ্যমে মানবধর্মের মর্ম কথা প্রচার হয়।
প্রশ্ন :৯
নিরন্তর সাধনারও আপনার দীর্ঘ জার্নি।এত প্রাণ কি করে পান?
উত্তর:৯
সৃষ্টি আমাকে উল্লসিত করে। স্বর্গীয় উল্লাস। আর এই সৃষ্টি সুখের উল্লাসই আমার প্রাণশক্তি।
প্রশ্ন :১০
আপনার সম্পাদিত আখড়া সম্পর্কে জানবো?
উত্তর:১০
আখড়া মূলত মেধা-মনন এবং সৃষ্টিশীলতার চর্চা কেন্দ্র। 2012 সালে রংপুরের পীরগঞ্জে আমি এটির উদ্যোগ গ্রহণ করি। আত্মার শুদ্ধতায় গান-এই ছিলো মূল বিষয়। বাউল ঘারনার সৃষ্টি এবং তার চর্চা ও প্রকাশ করতে থাকি। কারণ আমি লক্ষ্য করলাম এই বাউল জীবন বোধই এক ঈশ্বরবাদী এবং সকল সৃষ্টির মাঝে বিভে; বিরোধী। নাম,পোশাক আর নানা তথ্যে ধর্মের যে বিভেদ এবং সৃষ্টিকর্তার কে আমার আমার করার যে অপচেষ্টা তা আমাকে ব্যথিত করে। সে বোধ থেকেই মানবতাবাদীদের সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে আখড়া কাজ করে। সুর যেহেতু মানুষ কে সম্মহিত করে তাই গান রচনায় মনোনিবেশ করি জানে মান ছদ্মনামে। শুরু হয় “জানে মানের আখড়া”। 2020 সালে করোনা কালে শুরু করি ভার্চুয়ালি গানের আসর। পরে ২০২১ সালে তাতে কবিতা ও ছড়া যুক্ত করি। প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের শেষ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় বাৎসরিক গানের জলসা।
প্রশ্ন :১১
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে রবীন্দ্রনাথ কতটুকু প্রাসঙ্গিক?
উত্তর:১১
আমি মিথ্যে করেও মিথ্যে বলতে পারি না। ব্যক্তির সাহিত্যকর্ম অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে কতটুকু প্রাসঙ্গিক তা আমার বুঝে আসে না। কারণ জীবন থেকে সাহিত্য। আমরা এভাবে কাউকে কাউকে ঈশ্বরের পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। যে চাওয়াটা আমার কাছে অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়। কারো সৃষ্টিকর্ম কাউকে উজ্জীবিত করতে পারে বটে। তাই বলে একক রবীন্দ্রনাথ কেন?
প্রশ্ন:১২
দেশভাগের যন্ত্রণা একজন কবিকে পীড়িত করে। আপনার পরিবার কি এমন কোন পরিস্থিতির শিকার?
উত্তর:১২
না। এমন কোন ঘটনার স্মৃতি নেই। আর আমার মতে প্রকৃত কবির তো তথাকথিত কাঁটাতার বেষ্টিত দেশ বোধ থাকতে নেই।
প্রশ্ন:১৩
কী লিখি কেন লিখি?
উত্তর:১৩
প্রশ্নে মতই বড় রহস্যময় এই বিষয়টি। পরিকল্পনা করে লিখি না। লেখা হয়ে যায়।
প্রশ্ন :১৪
আপনার কবিতা সংকলনগুলোর নাম নির্মানের গোপন জিয়নকাটি কি রকম?
উত্তর:১৪
বিশেষ কোন জিয়ন কাটি নেই। কখনো কখনো পুরো বিষয়ের সার-সংক্ষেপ। আবার কখনো কখনো নামকরণের ভাব-সম্প্রসারণই কবিতা সংকলন হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন :১৫
শিল্পীর ইচ্ছা অনিচ্ছায় একটি শিল্প রূপ পায়? নাকি আরো কোনো অতিভৌতিক কোন বিষয় প্রতিটি ছবির ঘরনা তৈরী করে?
উত্তর:১৫
অতিভৌতিক বিষয়টি আমার বোধের বাইরে। জীবন তো পুরোটাই একটি শিল্প। চলন-বলন,পোশাক-পরিচ্ছদ,খাওয়া,ঘুমানো, জেগে ওঠা এমন কি আমাদের জৈবিক উৎপাদনশীলতাসহ জীবনের কোথায় শিল্প নাই? ছবি সে তো শিল্পের ধারণকৃত রূপ। চেতন এবং অবচেতন মনে আমরা অনেক কিছুই করে থাকি। তবে কোন কিছু বিনির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে শুরু করলেও অবচেতন মনেই শিল্পকর্ম সম্পাদন হয়ে থাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তা অতিভৌতিকও বটে। ধরা যাক একটি কবিতা লেখা হচ্ছে তখন শব্দের পর শব্দ আপনা আপনি যুক্ত হতে থাকে। অধিকাংশ গীতিকবিদের ক্ষেত্রেই আপনা আপনি সুর চলে আসে। এটিই বোধ হয় মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি রহস্য!
প্রশ্ন :১৬
আপনার সাথে তেমন আড্ডা আমার নেই। আপনি আড্ডারু সে আমি জানি।আড্ডা কি শিল্প সৃষ্টির উৎস মনে করেন?
উত্তর:১৬
আড্ডা যেকোন সৃষ্টির সহায়ক। হোক তা খারাপ বা ভালোদের আড্ডা। আমার তেমন আড্ডা দেবার পরিবেশ নেই। তবে আড্ডা সৃষ্টিতে আগ্রহ জন্মায়। কিন্তু শিল্প সৃষ্টির উৎস আড্ডা তা মনে করি না। কারণ-মূলত কাজ-কাজ-কাজ তারপর আড্ডা। আর আমরা করি আড্ডা-আড্ডা-আড্ডা তারপরে কাজে যাই ফলে কাজই হয় না। আড্ডা মুলত নিজেকে চাঙ্গা করার পাথেয়।
প্রশ্ন :১৭
কবিতা তো একটি স্বতন্ত্রশিল্প ছবিও স্বতন্ত্র। একটি রেখা একটি বিন্দু কিংবা তুলির কতটুকু স্বাধীনতা এই সমাজ এই সংবিধান আমাদেরকে দিয়েছে?যদিও বাকস্বাধীনতা যেখানে এসে থমকে যায় শিল্প কি তেমন কোন আটকে পড়ার সম্ভাবনায় দমে যায়?
উত্তর:১৭
অতি কঠিন প্রশ্ন। প্রথমে বলে নেই (ব্যক্তিগত মতামত) শিল্পের সাথে পেশা জড়িয়ে গেলে শিল্প তার শিল্প মান হারাতে বাধ্য। হোক তা কবিতা,ছবি বা ভাস্কর্য। শিল্প আত্মার বহিঃপ্রকাশ। আর পেশা শক্তি দ্বারা পরিচালিত। আমরা যখন কারো পক্ষের বুদ্ধিজীবি হয়ে পড়ি তখন আর স্বতন্ত্র থাকি না। এবার আসি শিল্পের স্বাধীনতা সমাজ বা রাষ্ট্র দ্বারা কতটুকু প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়? শিল্প অতি শক্তিশালী একটি মাধ্যম। সার্বজনীন শিল্প চর্চা অনিয়ন,অনাচার এবং দূর্নীতির বিপক্ষে। তাই সমাজপতি বলেন আর রাষ্ট্র যন্ত্রের শাষক বলেন তারা ভয় পায় শিল্প/শিল্পী কে। তাই রুখতে চায় সুস্থ ধারার শিল্প কে। তাই তাদের পালিত শিল্পী/বুদ্ধিজীবিরা বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় সার্বজনীন শিল্পের। আবার আমরাও অনেকে বাকস্বাধীনতার অপব্যবহার করে বিহত করি শিল্পের অগ্রযাত্রা। তবে আশার কথা শিল্পের সম্ভবনা দমে যায় না।
প্রশ্ন :১৮
আপনার পারিবারিক পরিবেশ শিল্প ও শিল্পীর।এই সম্মেলন কেমন লাগে?
উত্তর:১৮
আমার জীবনের বিশাল অংশ এই শিল্পের এই আয়োজন। ভালোবাসা থেকেই চলছে এই সম্মেলন। দীর্ঘ পথ চলছি একে আঁকড়ে ধরে। এ আমার এক ধরণের আসক্তি। আমি বিশ্বাস করি কেউ যদি মদে আসক্ত হতে পারে তাহলে আমি আমার কর্মে আসক্ত হবো এবং হয়েছি।
প্রশ্ন :১৯
আপনার নিজস্ব ঘরনায় লৌকিক সংস্কৃতি কতটুকু আনতে পেরেছেন? আপনি কি সচেতনতার এই বিষয়টিকে এড়িয়ে গেছেন?
উত্তর:১৯
আপনার প্রশ্নে লৌকিক সংস্কৃতি পরিবারে আনার বিষয়টি স্পষ্ট নয়। তবে যতটুকু বুঝেছি তাতে আমি অতি লৌকিক অর্থাৎ সাধারণ মানুষ। পোশাক পরিচ্ছদ এবং চলনে বলনে আমি এবং আমার পরিবারে সদস্যরা অতি সাধারণ জীবন যাপন করি। প্রয়োজনে যতটুকু ততটুকুই আমাদের চাহিদা। আমি সাম্প্রদায়িক(বুঝেই বলছি) তবে কোনভাবেই সাম্প্রদায়িকতায় ভুগি না। তা হোক সম্পদের ভিত্তিতে বা ধর্মের ভিত্তিতে। অনেক কিছুই অন্তরে লালন করি কিন্তু তা ব্যক্তি পর্যায়ের বাইরে প্রকাশ করি না। কারণ আমি বিভেদ বিরোধী মানুষ। আর এই বোধ আমার লেখায়,আমার কথায় এবং কর্মে লালন করি।
প্রশ্ন :২০
জীবন কেউ কেউ নেশা বলেন।কেউ কেউ উৎসব। কেউ কেউ একটি নাটক। আবার কারো কারো নিকট জীবনে কবিতাই জীবন। আপনি কোন নিজস্ব জীবনচেতনায় তাড়িত নিশ্চয়ই। ব্যাখ্যা চাই।
উত্তর:২০
আগমন মানেই নিশ্চিত প্রস্থান! যা ব্যক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। আমি আস্তিক মানুষ। আচার বা আচরণে ধর্মীয় বিধান পুরোপুরি পালন করতে না পারলেও শ্রষ্টার সৃষ্টি তত্ত্বের মূল নির্যাস ধারণ করি। জাগতিক বিষয় বৈভবে কোন লোভ নেই আমার। তাই লিখেছি-
থাকতে আসিনি
ও ও ও
থাকতে আসিনি
যাবো বলেই থাকার
আয়োজন করিনি।।
নীতি ও নৈতিকতা বোধ থেকে যাবতীয় শুদ্ধতার চর্চাই আমার জীবনের মূল লক্ষ্য। সেখানে মানব ধর্ম সবার উপরে। ভাষা,নামের আগে ও পরে পদ ও পদবী এবং শব্দের দূরত্ব দিয়ে মানুষ ও সম্পর্ক বিচারের পক্ষে আমি নই। অন্যের দোষ নয় নিজের দোষ তালাশের মাধ্যমে শুদ্ধ মানুষ হিসেবে সময় অতিবাহিত করছি মাত্র। যদিও শতভাগ শুদ্ধ বলে মানুষের মাঝে কিছু নেই। তা কেবল শ্রষ্টার জন্যই প্রযোজ্য। তাই মধ্যম পন্থা অবলম্বন করি। না জীবন নাটক বা কবিতা ভাবি না। জীবন থেকেই নাটক বা কবিতা।
প্রশ্ন :২১
এই সময়ে যারা লিখতে আসছেন তাদের জন্য কিছু বলবেন?
উত্তর:২১
লিখতে গেলে উই পোঁকার মত সব পড়তে হবে। কোন কিছু পড়ার আগে ভালো মন্দের পূর্ব ধারণা পোষন না করে পড়ার পরে ভালোটা গ্রহণ এবং খারাপটা বর্জন করে সমৃদ্ধ হতে হবে। সর্বোপরি নিজের মাঝেই লেখার পরিবেশ করতে হবে। মনে রাখতে হবে জোর করে লেখক হওয়া যায় না।
০১:০৯:২০২১
1 মন্তব্যসমূহ
জয়গুরু
উত্তরমুছুন