কী লিখি কেন লিখি জহরলাল দাস

কী লিখি কেন লিখি 
জহরলাল দাস 

কী লিখি কেন লিখি 
জহরলাল দাস 

সাহিত্য যদি হয় জীবনের দর্পণ সেই জীবনের ছবি দেখতে ভালোবাসি; ছবি আঁকতে ভালোবাসি। যে ছবিতে ফুটে ওঠে দেশ,কাল,সময় ও সমাজের হাসি-কান্না ,ব্যথা- বেদনা,ক্ষুধা-মৃত্যু,দুঃখ-আনন্দ,সঙ্গতি-অসঙ্গতির নানা ছবি। সত্য-সুন্দরের এই সৃষ্টি মাধ্যম আমাকে টেনে নিয়ে যায়। মনের গভীরে জেগে উঠে এক ভালবাসার ফল্গুধারা ।মনের এক অপ্রকাশিত ভাললাগাবোধ। এই সহজাত ভাললাগাবোধ কৈশোর বয়সে ছাত্রাবস্থাতেই গড়ে উঠে। তারপর রবীন্দ্রনাথ,নজরুল,বিভূতিভূষণ,সুকান্ত দিকপাল কবি সাহিত্যিকরা আমাকে যেন চম্বুকাকর্ষন করে।ওদের সৃষ্টিসম্ভার আমার প্রানতৃষ্ণা যেমন নিবারন করে তেমনি নিজে ও সৃষ্টিযজ্ঞে নিমজ্জিত হই এক অজানা আকর্ষণে।সৃষ্টির আনন্দ বলে বুঝাবার নয়।আপনা থেকেই মনের গহীনে এসে গেল সৃষ্টির নেশা।আমার কাছে এক অজানা মোহ।কবিতা  আমার কাছে এক অজানা মোহ।সাহিত্য আমার কাছে মোহমদিরতা।ষড়রিপুর মত সহজাত ভাবেই জেগে উঠেছে এই নেশা। সৃষ্টির ঝুলিতে তেমন কিছু আহামরি কিছু নেই তবুও আমি আদ্যোপান্ত সাহিত্যপ্রেমিক;সাহিত্যানুরাগী। সাহিত্য আমার ঘর সংসার। আমার এক আফিম নেশা।তবে সাহিত্য সমুদ্রের এক অজ্ঞাত, অখ্যাত ,অদৃষ্ট নাবিক।নিঃসীম সাহিত্য মহাসমুদ্রের এক আনুবিক্ষনীক জীব মাত্র। 
সাহিত্য সমুদ্রের কত দিগন্ত বিস্তৃত শাখা প্রশাখা। ছড়া,কবিতা,গল্প,প্রবন্ধেই আমার স্বল্প বিচরন। সমকাল কিংবা অনাগত ভবিষ্যতকে ছুঁয়ে যাবার মত কিছু সৃষ্টি করেছি কিনা জানি না ।তবুও সৃষ্টির আনন্দে সাধ্যমত যৎসামান্য লেখা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ