গোপাল কৃষ্ণ বাগচী
কী লিখি কেন লিখি
গোপাল কৃষ্ণ বাগচী
কবি-প্রাবন্ধিক-প্রকৌশলী
প্রকৃতির এক বিশাল প্রান্তর, বিলবাঘিয়ায় আমার জন্ম। গোপালগঞ্জ জেলায় কোটালীপাড়ার সর্বোত্তরে এর অবস্থান। এরপরই মাদারীপুর জেলা। দুজেলার মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে কেবল ফাঁকা আর ফাঁকা। ধানক্ষেত, বিল, ছোট ছোট নাল-খাল সব মিলিয়ে প্রকৃতি এখানে একেবারেই উদার, অকৃপণ। বাড়ি থেকে দূরে গ্রামসারি দেখতে আমরা অভ্যস্ত। খোলা আকাশ, খোলা মাঠ আর মুক্ত বাতাস। বাতাস আছড়ে পড়ে বাড়িগুলোতে। ভরা পূর্ণিমাতে চারিদিকে কেবল জোছনা আর জোছনা। একসময় স্কুল-কলেজ, হাটবাজার কোথাও গেলে মাইলকে মাইল হেটে যেতে হতো, কিংবা নৌকায়। এর ভিতর দিয়েই প্রকৃতিকে খেয়াল করার অবাধ সুযোগ পেয়েছি আমি জীবনের শুরু থেকেই। ধীরে ধীরে উপলব্ধি গভীর হতে থাকে এসব নিয়ে। শীতের পাখি, মাঝরাতে বাজপাখির কড়কড়ে আওয়াজ, টর্চের আলো ফেলে ভূতুমপেঁচা দেখা কিংবা সাপেধরা ব্যাঙের মরণডাক শোনা, যেন কিছুই বাদ যায়নি। আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি বোঝা, কালবোশেখের তাড়া খাওয়া, রাতের আকাশে তারকারাশি খুঁজে ফেরা, বর্ষার শাপলা ফোটা বিলে ঘুরে বেড়ানো, বৃষ্টিতে ভেজা, এসব জীবনের অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছিল। পথের পাশে ধান-কাউন-চিনা, মুগ-সরিষা, তিল-তিসি ছুঁয়ে ছুঁয়ে হাটা ছিল এক আনন্দময় পথচলা। বস্তুত: আনন্দ পাওয়াটাই ছিল সব কাজের মূল প্রেরণা। এভাবে এলাকার প্রতি ভীষণ এক টান, ভালাবাসা তৈরী হয়ে যায় একসময়। শহরে এসে তার অভাব উপলব্ধি বাড়তে লাগল।
আশির দশকের কথা। এলাকার কৃষিতে পরিবর্তন শুরু হলো। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছুটিছাটায় যতবারই বাড়ি যেতাম, কোনো নো কোনো পরিবর্তন চোখে পড়ত। ইরি-বোরোর জমি বাড়তে লাগল। ক্রমে আউশ-আমনকে সরিয়ে দিয়ে উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান জায়গা করে নিল । কৃষির এই পরিবর্তনের সাথে সাথে সংস্কৃতিও বদলে যেতে লাগল, একেবারে চোখের সামনে। জীবনবৈচিত্র্যে যোগ-বিয়োগ ঘটে চলল। গ্রামের পাশ দিয়ে রাজৈর-কোটালীপাড়া পাকা সড়ক হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ এসে গেছে। খাল সরু হয়ে এলাকার সাড়া জাগানো নৌকা বাইচ সরে গেছে। ভাসমান বাইড়াতে সব্জী চাষ করে না, ঢেঁকি, হুক্কার বিলুপ্তি ঘটেছে। আউশ-আমনকে ঘিরে অনেক পার্বণ ছিল, এখন তার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। হাটার পরিবর্তে গাড়ি চলছে। চৈত্রের রোদে বাঁশঝাড়, বটের ছায়ায় তাদের জিরিয়ে নেয়ার দরকার পড়ে না। শীতের রাত জেগে যাত্রাপালার পরিবর্তে ঘরে বসে টিভি চ্যানেল দেখে। ফেসবুকে থাকে। এভাবে নিত্য নতুন সংস্কৃতিতে মানুষ জড়িয়ে পড়ছে। আগের ইতিহাস, এতিহ্য, সংস্কৃতি নতুন প্রজন্ম যেমন দেখেনি, তেমনি তারা তা জানতেও চায় না। বলি না যে, তারা পুরোনোতে থাকুক। চাই, পুরোনোকেও ওরা জানুক। এ নিয়ে আমার মনের মধ্যে একটা প্রতিক্রিয়া কাজ করছিল অনবরত, কষ্টও ছিল। এসব হারিয়ে যাবে দেখে মনে হলো, খানিক লিখে রেখে গেলে কেমন হয়! আগামী প্রজন্ম এসব বিশ^াস করবে না, এমনকি শুনতেও চাইবে না। বলবেই বা কে?। লেখা থাকলে অন্তত: রেকর্ড তো থাকবে, যার ইচ্ছে জেনে নিবে।
সেই ভাবনা থেকে ২০১১ সালে ‘বিল বাঘিয়ার প্রান্তরে’ নামে একটি বই লেখা শুরু করি। বিষয়: কৃষি, সংস্কৃতি ও জীবনবৈচিত্র্যের সেকাল একাল। লেখা শেষ হয় ২০১৪ সালে। ২০১৬ বইমেলায় তা বই আকারে বের হয়। সেই আমার প্রথম বই। ৪৫৬ পৃষ্ঠার বইটি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তার শোভা প্রকাশ বের করেন। কবি আসাদ চৌধুরী আমার অনুভবকে মূল্যায়ন করে বইয়ে ‘ভূমিকা’ লিখে দিয়েছিলেন পরম যত্নে। তার আগে তিনি বিলবাঘিয়ায় একবার গিয়েও ছিলেন। নতুন বই প্রকাশে যে অসহায়ত্ব থাকে, তার নিরসন হয়েছে ড. তপন বাগচী’র (উপ-পরিচালক, বাংলা একাডেমি) ঐকান্তিক সহযোগিতায়। বইয়ের ফ্লাপে চমৎকার একটি “বই পরিচিতি” তারই লেখা।
বইটি লিখতে গিয়ে এলাকার বয়স্কদের কাছ থেকে বারে বারে তথ্য নিতে হয়েছে। যাচাই বাচাই করতে হয়েছে অনেক। বস্তুত বইটি যখন লেখা শুরু করি, মনে হয়েছিল লেখার তেমন কিছু নেই। আউশ-আমনের ধানক্ষেত আর তাতে দুটো কানাবগীর ছা, এই তো! কিন্তু ধীরে ধীরে নানা উপাদান যোগ হওয়ায় এর বপু বেড়েই চলছিল। নানা তথ্য, ইতিহাস, পর্ব-অনুষ্ঠান, বারো মাসের কৃষি কথা, ধানকাটা, কিষাণ বিদায়, ব্রত, গাশ্শি, গাজির গান, নৌকাবাইচ, ঘোড়দৌড়, আঞ্চলিক ভাষা-শব্দ, শ্লোক-প্রবাদ, সংস্কার-কুসংস্কার, স্বাধীনতা যুদ্ধে বিলের আশ্রয় নেয়া, জলজ উদ্ভিদ, ক্ষুদে প্রাণিদের রাজ্য, পাখির মেলা, মাছ ধরা, সংক্রান্তি, স্কুল-কলেজ, ইউনিয়ন পরিষদ, হাট-বাজার, বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, যাত্র-সার্কাস, ঢেঁকি, হুক্কা, বিয়ে, গল্পের আসর, বনভোজন প্রায় সবকিছু অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়ল বইটিতে। বইটি সম্পর্কে অনেকের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। তাদের কয়েকজন আরও কিছু বিষয় সংযোজন করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
এবার দ্বিতীয় বইটির কথায় আসি। দ্বিতীয় কোনো বই লেখার পরিকল্পনা আমার ছিল না। কিন্তু প্রথম বইটি লেখার সময় আরো কিছু ভাবনা ও বিষয় এসেছিল, যেগুলো প্রাসঙ্গিক নয় বলে প্রথম বইয়ে অন্তর্ভূক্ত করা যায়নি। দেখলাম, ছোট ছোট বাদ পড়া সেসব অনুভূতি নিয়ে না হয় প্রবন্ধ, না হয় উপন্যাস। তাহলে ওগুলোকে কবিতা করে রেখে দিলে কেমন হয়? কিন্তু কবিতা কে লিখবে? সে তো জটিল বিষয়। এ তো আমি কল্পনাও করিনি এসব। তবু বিষয়গুলো হারিয়ে যাবে, মানতে পারছিলাম না। তখন লেখালেখিতে নেই। ২০১৫ সাল। কবিতার নাম করে দুএকটি লিখেই ফেললাম। মনে হলো, লেখা যায়। যাদের দেখিয়েছিলাম, সত্যিকারভাবেই তারা উৎসাহ যুগিযেছিল। এবার কবিতা পড়াও শুরু করে দিলাম জোরদারভাবে। ২০১১ সালে একদিন বিভিন্ন কবির ১২খানা কবিতার বই কিনে এনেছিলাম। পরে আরও কিনি। কেনার তখন একটি কারণ ছিল। বিখ্যাত কোনো কবিতার লাইন যখন কাউকে জিজ্ঞেস করি- কার লেখা, প্রায়ই উত্তর মিলত না। মনে হলো, এভাবে সময় নষ্ট হচ্ছে। নিজেই জেনে নেব। বরং অন্যেরা জিজ্ঞেস করবে আমি উত্তর দেব। সেই থেকে কবিতা আমাকে পেয়েছে। খ্যাত, অখ্যাত লেখক বুঝি না, কবিতা পেলেই হলো। পেপার থেকেও পড়ি। অনেক অখ্যাত লেখকের ভাল ভাল কবিতা পেয়েছি। অনুবাদের কবিতাও চমৎকার। একসময় মনে হতো রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কবিতা সেরা, তারপর মনে হতো নির্মলেন্দু গুণের কবিতা, না না হুমায়ূন আজাদের কবিতা। আমার প্রিয় নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। কী দারুণসব কবিতা লিখেছেন! অমলকান্তি, উলঙ্গ রাজা, কলকাতার যিশু, অমানুষ..!
কোনো কোনো কবি আছেন, কবি হিসেবে বড় নাম নেই, কিন্তু তাদের দু’চার পাঁচটি কবিতা একেবারে হীরকখন্ড, জ্বলজ্বল করে। সেসব কবিতার নাম মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়। নতুন হিসেবে আমি কারও লেখা নিয়ে পর্যালোচনা করতে পারি না। তবুও বলব, অনেক কবিতা আমি বুঝি না। শব্দের কাঠিন্য ও অলঙ্কারের আধিক্যে কবিতার প্রাঞ্জলতা খুঁজে পাই না, দুর্ভেদ্য হয়ে উঠে। উদাহরণ, যতীন্দ্রমোহন বাগচীর ‘কাজলাদিদি’ কী সাধারণ শব্দে রচিত, কিন্তু মর্মস্পর্শী, অসম্ভব জনপ্রিয় কবিতাটি। অনেকটা মানবেন্দ্রর নিপুণ ক্লাসিক কণ্ঠের চেয়েও হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সহজ সরল সুরেলা গান অনেক অনেক বেশি আবেদনময়।
যে কথা বলছিলাম, আমার সেই ছোট ছোট ভাবনাগুলিকে নিয়ে কবিতা লেখা। ২০১৫ তে সেই জটিল জগতে প্রবেশ, তা ভুলক্রমে হোক বা নিরুপায় হয়েই হোক, হয়েছে বৈকি। এ নিয়ে পিছাতে নয়, বরং আরও এগোতে চাই। আমি নিজেকে এখনও লেখক মনে করি না। শুধু বলতে পারি, প্রথম বই লেখার সময় একটা বোধ তৈরি হয়েছে বলে অনুভব করি। সেই বোধ থেকে কিছু লিখতে চেষ্টা করি। এভাবে ২০১৫-২০১৬ তে ১০৮টি কবিতা লেখা হয়ে যায়। এবারেও শোভা প্রকাশের স্বত্বাধিকারী মো: মিজানুর রহমান আমার দ্বিতীয় বইটিও ছেপে দিলেন তার মহানুভবতায়। যা ‘একশ আটটি নীলপদ্ম’ নামে ২০১৭ এর বই মেলায় উঠল।
এরপর আমার আরও দুটি বই বেরিয়েছে। একটি কবিতার জনপ্রিয় চরণ নিয়ে সংকলন, “প্রাণের পঙক্তিমালা” ও অপরটি উপন্যাস, “টানাপোড়েন”। উপন্যাসটি মূলত সংখ্যালঘু ও শরণার্থীদের নিয়ে লেখা। বাংলাদেশ, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও মিয়ানমার এর পটভূমি। উপন্যাসের চেয়ে আমি প্রবন্ধ এবং কবিতাতেই বেশি স্বচ্ছন্দবোধ করি। বর্তমানে হরিশংকর জলদাসের লেখা ভালো লাগে। প্রিয় কবি আছেন অনেকেই।
আসলে লেখালেখির কথা আমার মাথায় একেবারেই ছিল না। এলাকার প্রতি ভালোবাসার টানে একটু কলম ধরেছিলাম মাত্র। তাছাড়া কিছু দুঃখবোধ বা কষ্ট যে কাজ করেনি তা নয়। সবার মত আমিও এ সমাজেরই একজন। এখানে দু:খ-কষ্ট্র, কুপমন্ডুকতা, অসামঞ্জস্যতাসহ কত অপছন্দের বিষয় আমাদের প্রভাবিত করে প্রতিনিয়ত! এখানে নদীতে চর পড়ে আবার ফল্গুধারাও বহে। সবই জীবনের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।
আমার দৃঢ় বিশ্বাসস, বিলবাঘিয়ার ওই নৈসর্গিক পরিবেশে অন্য কোনো কবি-সাহিত্যক জন্ম গ্রহণ করলে দুহাত ভরে লিখতেন। কারণ ওখানকার উপজীব্য বিষয় দারুণ রসদ হয়ে উঠত তাঁর লেখালেখিতে। একটু উদাহরণে যাই। ‘পলাশীর যুদ্ধ’ জনপ্রিয় নাটকের রচয়িতা এবং প্রখ্যাত কবি ও লেখক নবীনচন্দ্র সেন একসময় এ বিল নৌকায় করে পাড়ি দিয়েছিলেন, মাদারীপুর থেকে কোটালীপাড়া যেতে। সে ১৮৭৮ সালের কথা। তখন তিনি মাদারীপুরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি তাঁর আত্মজীবনীতে বিলের কিছু বর্ননা দিয়েছেন এবং বিল পাড়ি দেবার পর জ্বরে কয়েকদিন অচেতন ছিলেন, সে কথাও তিনি লিখতে ভোলেন নি।
এ ছাড়াও প্রায় সবার জানা, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতা থেকে খানিক উদ্ধৃতি দিচ্ছি। ‘মামাবাড়ির মাঝি নাদের আলি বলেছিল, বড় হও দাদাঠুকুর/ তোমাকে আমি তিন প্রহরের বিল দেখাতে নিয়ে যাবো/ সেখানে পদ্মফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমর খেলা করে!’ এই তিন প্রহরের বিলই সেই বিলবাঘিয়া। কবির মাতুলালয় ছিল পাশেই রাজৈর উপজেলার আমগ্রামে, প্রসিদ্ধ গ্রাম।
লেখালেখি নিয়ে আমার ভারি আফসোস আছে। লিখতেই যখন বসলাম, অন্তত আরো দশটি বছর আগে কেন বসিনি? বড্ড দেরি হয়ে গেছে। তবু বাকি কটা দিন দেখি।
লেখার প্রেরণা নিয়ে আরেকটু অবতারণা করি। আমাদের গ্রামে একজন জ্ঞাণী ব্যক্তি ছিলেন। ওনার কথা সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনত। কথা বলতে গিয়ে বিভিন্ন বাণী, কবিতার লাইন মুখস্থ বলতেন। ছোটবেলায় আমিও শুনেছি ওনার কথা। তখন এলাকার শিক্ষার হার বেশি ছিল না। বাবা প্রায়শই ওনার উদাহরণ দিতেন এবং আমাকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন ওনার কাছে গেলে। এ ছাড়াও আমার ঠাকুরমা ছিলেন ফাইভ পর্যন্ত পড়া, বুদ্ধিমতি। পঞ্জিকা, খনার বচন, প্রবাদ-প্রবচন, শ্লোক, আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি, কবিরাজি, কর্তব্য, আচরণবিধি, নানা বিষয় বেশ ভালো বুঝতেন। আমার জেঠাও সেই ধারার মানুষ। ফলে যৌথ পরিবারে ওনাদের ছায়ায় বেড়ে ওঠা তা আমার ভেতরে খানিক হলেও সঞ্চারিত হয়েছে বলে মনে করি। আরেকটি বিষয়, বই পড়া । ট্রাভেল ও জ্যামের মধ্যে বই পড়ে সময়ের ঘাটতি অনেকটাই আমি পুষে নেই। সাহিত্য ও ইতিহাস আমার প্রিয় বিষয়। এই পড়াপড়ির কারণে লেখার ভিত্তি কিছুটা তৈরি হতে পারে বলে মনে করি। পাশাাপাশি, আমার বংশীয় ভাইপো ড. তপন বাগচী সাহিত্য ও শিল্প জগতে অনেকদিন যাবৎ বিচরণ করছে। তার একটা পরিচিতিও গড়ে উঠেছে এরিমধ্যে। আমার কাজে তার সহযোগিতা ও সমর্থন পাই। ২০১৭ নভেম্বরে ম্যাজিক লন্ঠন সাপ্তাহিক কবিতার আড্ডায় আমার কবিতা নিয়ে আলোচনাপর্ব হয়েছিল। লেখালেখিতে সময় বের করার চেষ্টা করি। এর জন্য আগের কিছু কিছু কাজ বাদ দিতে হয়েছে।
পুরস্কার প্রাপ্তির মত লেখা আমার এখানো হয়নি বলে মনে করি। তবু ২০২০ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তি ঘটেছে।
0 মন্তব্যসমূহ