কৃষক শিক্ষক আন্দোলন প্রেক্ষিত আলাদা কিন্তু আন্দোলন সার্বজনীন
চৈতন্য ফকির
খুব দ্রুত সময় বদলে বদলে যাচ্ছে। পরিপ্রেক্ষিতও বদল ঘটছে।প্রসঙ্গগুলো আন্দোলনের রূপ পেয়ে রাজপথে ফুটপাতে জনগণের দাবী আদায়ের জন্য।
শুরুর দিকে সারা পৃথিবী বিষময় করোনাক্রান্ত।এখনো সে বিষ উপড়ে ফেলতে রাতদিন এক হচ্ছে বিজ্ঞানের।সেই পেণ্ডামিক সিচ্যুয়েশনকে সময়ের কিছু মানুষ সুযোগ হিসেবে নিজেদের আখের গেচছানায় কাজে লাগাচ্ছেন সারা বিশ্বে। তারই প্রতিবাদ রাজপথে। ফুটপাতে নেমে আসতে বাধ্য ১০৩২৩ শিক্ষক। হাজার হাজার কৃষক মজুর রাজপথে তাঁদের দাবীর সমর্থনে স্লোগান তুলছেন।আন্দোলন রূপ নিচ্ছে সার্বজনীনতায়।অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সমর্থনের পাশাপাশি শিক্ষিত সমাজও এই আন্দোলনের শরীক।অর্থনীতিবিদরাও সামিল এই আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন যুগিয়ে। সকলের দাবীই কৃষকের পক্ষে। কারণ কৃষকেরা বিপন্ন হলে সমাজের ভিত টলমলে হবে।হতে বাধ্য।কারণ আমাদের গোটা পৃথিবী এখনো কৃষি কৃষকদের চাষবাসের উপর অনেকটাই জড়িত।
কৃষক খেতে না পারলে জমি থাকবে পতিত।আর ভুখা মরবে মধ্যবর্তী সমাজ।এখনো সকলেই কোটীপতি নন।মজুর কৃষক মধ্যবর্তী শিক্ষক ও অসংগঠিত মানুষের দুনিয়াকে রক্ষা না করতে পারলে সময় সমাজ বিদিশায় চলে যাবে।এটা বুঝতে রাজনীতি করা লাগে না।রাজনীতি কৃষকেরা করছেনও না।নিজেরা না বাঁচলে সমাজ বাঁচবে না।তাই আন্দোলন। এই আন্দোলনে কবি সাহিত্যিক শিল্পীরাও বসে নেই। কলম লিখছে।হারমোনিয়ামের রিড থেকে সুরের ঝংকার উঠছে।বাউল জাগছেন।গণসংগীত শিল্পীদের মহড়াঘর থেকে সুরের আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছেন শিল্পীরা।কৃষকের পাশাপাশি সমাজের গভীর থেকে অন্ধকার দূর করতে চাই শিক্ষক। শিক্ষককে ফুটপাতে নামাতে চেয়ে যে আইনই তৈরী হোক তা সমাজেরই ক্ষতি। বরং যাদের নিয়োগ হয়ে গেছে তাদের পর থেকে হতে পারে নতুন নিয়ম।নয়তো সন্তানের মুখে দুমুঠো তুলে দিতে কৃষকদের মতো শিক্ষকরাও আন্দোলনে সামিল হতে হয়।বাধ্য হয়ে এই কনকনে ঠাণ্ডায় তারা ফুটপাতে গণ অবস্থানে।এগিয়ে আসছেন এই শিক্ষক দ্বারা শিক্ষিত ছাত্রদল।ডাক্তারসহ সকল অংশের মানুষের নিকট এই সময়ে দুটো আন্দোলনের প্রেক্ষিত আলাদা হলেও হয়ে উঠেছে সকলের আন্দোলন। রাজনীতি নয় আসুন কৃষক কৃষি শিক্ষা শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াই।রাজায় রাজায় রাজনীতি হোক।আমরা সাধারণজনেরা চাই কৃষি বাঁচুক, কৃষক বাঁচুক।শিক্ষা বাঁচুক।শিক্ষক বাঁচুক।
১৩:১২:২০২০
রাত:১২টা
0 মন্তব্যসমূহ