হারাধন বৈরাগী
---------এমন পরিস্থিতিতে স্রোতপ্রকাশনা ও তার কর্ণধার সুমিতাপাল ধর ও এই প্রতিষ্ঠানের নিরলস শ্রমিক ও কবি গোবিন্দ ধর বইমেলার একটা নুতন অঙ্গনা নিয়ে এলেন আমাদের কাছে।
স্রোতপ্রকাশনা ত্রিপুরার প্রকাশনা জগতে একটি ব্যতিক্রমীমুখ।এই প্রকাশনাই ত্রিপুরার প্রকাশনা জগতে প্রথম নবীন ও প্রবীণের মাঝে মেলবন্ধনের পথে একটি সিঁড়ি তৈরি করে।যে স্রোত একদিন রাতাছড়ার একটি প্রত্যন্ত জনপদে প্রথম রেঙ দিতে শুরু করেছিল ।অনেক ঝড় ঝাপটা সইতে সইতে সে আজ একটা ব্রুইফাংএ পরিণত হতে চলেছে।তবু এখনও ঝড় ঝাপটা আঘাত সইতে সইতেই এগিয়ে চলেছে।তবে মহৎ উদ্দেশ্য থাকলে তাকে কেউ রুখে দিতে পারে না।এর একমাত্র উদাহরণ স্রোত।এ যদি কেউ অস্বীকার করেন তবে কালস্রোত একদিন কথা বলবেই।
একটা প্রকাশনা বেঁচে থাকে পাঠকের দরবারে তার প্রকাশিত বইর মাঝে।এই দিক দিয়ে দেখলে স্রোতপ্রকাশনার বই এপার ওপার বাংলার নবীন ও প্রবীনলেখকদের মেধাও মননের সমাহার।এই সকল মননহার যতো বেশি লেখক পাঠকের কাছে পৌছবে তত প্রকাশনার ভূমি উর্বর হবে।তাই আমি আহ্বান রাখবো সকল সুধি পাঠকবর্গের কাছে,স্রোতের বইগুলি নিজের পছন্দ মতো ক্রয় করার জন্য।স্রোতের আগামী দিনের যাত্রাপথকে সুগম করার জন্য।আপনাদের ভালোবাসার হাত ধরেই একদিন সমাজবদলের চেতুয়াং হতে চায় স্রোত।এই আশ্বাসে বিশ্বাসী স্রোত পরিবার।
আমি স্রোত স্রোতস্বীর উত্তোরোত্তর শ্রীবৃদ্ধী কামনা করছি।এই পথেই একদিন স্রোত ও স্রোতস্বী হোক সকলের ঘরে ঘরে শ্রী রাধারমন দত্ত।
0 মন্তব্যসমূহ