কমলা মথের শৃঙ্গার : আলোচনা :দিব্যেন্দু নাথ

কমলা মথের শৃঙ্গার : আলোচনা :দিব্যেন্দু নাথ

হারাধন বৈরাগী: কবিতা, গল্প ও গদ্যে সাবলীল বিচরণ। কাব্যগ্রন্থ: হাসমতি ত্রিপুরা, হৃদি চঙপ্রেঙ, খুমপুই পাড়ায়, উজানমাছমারা রিজার্ভ ফরেস্ট।
গদ্যগ্রন্থ: খুমপুই থেকে সিকামনুকতাই_ত্রিপুরার জনজাতীজীবনের আদি হৃদিমালা। বুরা_একটি গল্পগ্রন্থ; হৃদয়ে রাইমা_উপন্যাসধর্মী এক সময়যাপনের হৃদিকথা। গোবিন্দ ধরের নদী নদীর গোবিন্দ_একটি কাব্য-আলোচনা গ্রন্থ।
যে সকল সংকলনে তাঁর লেখা স্থান পেয়েছে: সমকালীন ত্রিপুরার পনেরো জন কবির কবিতা, ব্যাটিং জোন (অখণ্ড বাংলার নির্বাচিত অণুগল্পসংকলন), নীহারিকা নির্বাচিত ত্রিপুরার তরুণ কবিদের কবিতা, ৫৪ জন গল্পকারের ২১৬টি অণুগল্প, ছায়াতরু (ত্রিপুরার সাম্প্রতিক ছোটগল্পসংকলন) এবং তবু ভালোবেসে যাবো (প্রেমের গল্প সংকলন)। মিলনকান্তি দত্ত সম্পাদিত উজ্জয়ন্ত কবিতামালা (কবিতাসংকলন)। নিয়মিত লিখে চলেছেন এপার-ওপারের সমসাময়িক বিভিন্ন সাহিত্যপত্র, পত্রিকা ও লিটল ম্যাগাজিনে। তিনি বনতট সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকও বটে।
অসম্ভব জঙ্গলআউলিয়া কবি। ভালোবাসা তাঁর জঙ্গল, পাহাড়ি-স্রোত তাঁর আত্মা, মাটি তাঁর শরীর, জুম তাঁর অনন্ত জীবন...

এবারে কবির নিবেদন কমলামথের শৃঙ্গার—তাঁর পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থের কবিতা ছোঁয়ার আগে, আমার মতে একবার নীল দুহিতাকে দেখে নেওয়া প্রয়োজন।

দেওনদীর পারে অবস্থিত নীল পাহাড়ের সবুজ শহর কাঞ্চনপুর। এখন থেকে কুড়ি কিলোমিটার আঁকাবাঁকা পাহাড়ি চড়াই উঠলেই তার জানুদেশ, মুনপুই। উত্তরে নিতম্ব বেয়ে নেমে গেছে তার আলতা পররা পা, তুঙছুরাই পর্যন্ত। শানুদেশ থেকে দক্ষিণে নাভি পেরোলে ডায়েবায়ে সুগভীর খাল। ক্লান্ত হৃৎপিণ্ডের মতো উঠানামা করা সড়কপথ চলে গেছে ক্লাঙতালাঙ পর্যন্ত। তারপর ইন্দো-বাংলার কাঁটা তার। দুহিতার এক পাশ বিঁধে রাখলেও মন তার খোলা আকাশে নীলময়।

অনন্যার দুর্বিনীত স্তনযুগলের একটি ভাঙমুড়ার চার্চে রেখে দিলেও আরেকটি ফুলদুংসাইয়ের সুগভীর জঙ্গলে, শিবরাইখুং পাথরখণ্ডে। যার বাংলা অর্থ শিব মন্দির। মাত্র আশি বছর আগের এই শিবরাইখুং। মিজোরামের খ্রিস্টান রাজা খাতিন চাওম্যুএর রাজত্বকালেও মিজোরা এই স্থানটিকে 'থাইদর' নামে জানত। মিজো ভাষায় 'থাই' শব্দের অর্থ সন্তানহীন বিবাহিত মহিলা আর 'দর' _পূজা। অর্থাৎ সন্তানপ্রাপ্তির আশায় তারা এখানে পূজা দিত।
১৯৪৩ সালে ত্রিপুরার রিয়াং বিদ্রোহের অধিনায়ক সাধু রতনমণি এখানে একটি পাথরখণ্ড দ্বারা এই শিবরাইখুং স্থাপন করে ছিলেন। কিন্তু কে বা কারা এক অজানা রাতের অন্ধকারে সাধুর পাথরখণ্ড সরিয়ে ক্রশ বসিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে সরকারি সার্ভে অনুসারে এই স্থানটি ত্রিপুরার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পরিচিতি লাভ করে এবং নাম হয় বেতলিংশিব। আজও ফুলদংশাই পাহাড়ের কোলে ঘন বনানীর মাঝে দাঁড়িয়ে আছে নিঃসঙ্গ একাকী। আজকের যে অদৃশ্য ঘণ্টাপাখির ডাকে উন্মত্ত নীল-দুহিতার মুখরিত অঙ্গ আরেক সুরেলা বিহঙ্গের গানে আমোদিত হতো। ঘণ্টাপাখির কথা সব পর্যটক জানলেও এই পরোপকারী বিহঙ্গের কথা অনেকেই জানেন না। কারণ তারা আর বেঁচে নেই। তাদের গান আর শোনা যায় না। তারা শুধু গান করত না! এক পরাগসংযোগকারী পতঙ্গের জন্য সুস্বাদু খাবার প্রদান করত। এই পতঙ্গই কবি হারাধন বৈরাগী 'কমলামথ' আর তাদের কর্মবিধি কবির মতে শৃঙ্গার। গ্রন্থের কবিতা এই জম্পুই নিয়ে। সুতরাং "কমলামথের শৃঙ্গার" কাব্যগ্রন্থের নামঠি সার্থক হয়েছে।

মুক্ত বিহঙ্গকে শূন্য করে নগ্ন করেছে নীল দুহিতার শরীর। যার জন্য লজ্জায় সে আর কমলাঠোঁটে হাসে না। শুধু বাঁচার তাগিদে সবাইকে আপ্লুত দেখাতে সাঁতকরা আর সুপোরির নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে। মাতাল হয়ে বিচরণ করে কংকীটের কংকালসার বাসরে। প্রায় ভুলতে বসেছে বাঁশবেতের গাইরিংয়ে (টংঘর) বাঁধা কাঠের সানসিতে (সিঁড়ি) পা রাখতে। একদিন যার সুবাসিত কমলাগন্ধে মনে উঠত বিনোদ আর আহ্লাদ। যার আওলাকেশের সুগন্ধ ছড়িয়ে যেত নীলদিগন্তে। আজ আর সেই সুবাস নেই। নেই সেই বিহঙ্গের সুরেলা গান। তবে আছে শানুদেশে সুরেলা ঝর্ণার শীতল ঢেউয়ের হাতছানি এবং সবুজভরা মৌতাত। তাও নতুন রাস্তাঘাট বানাতে গিয়ে বিলুপ্তির পথে।

বিধাতার বড় প্রিয় এই নীলাম্বরী। ত্রিপুরার অন্যান্য পাহাড়গুলিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পরিপূর্ণতা দিলেও জম্পুইকে করেছেন রাজরাণী। তার মতো কাউকে এতটা শিক্ষা-দীক্ষায়, ধনসম্পদে সমৃদ্ধ করেননি। কেন প্রকৃতির এই নিষ্ঠুরতা, এই দ্বিচারিতা? আজও সকল পর্যটকের মনে প্রশ্নের বহর তুলে। আমার মনে হয়েছে এই বিষয়টি কবিকে  যেমন আহ্লাদিত করেছে তেমন আহতও করেছে।

পাহাড়ের গগনচুম্বী গাছগুলি আকাশের নীল ছুঁতে ছুঁতে পশ্চিমে ঢলে পড়ে। বাতাস বয়ে নিয়ে যায় তার কাম-বিলাসিনী সবুজমাখা গন্ধ, শাখানের কাছে। ঘন কালো বিনুনীর কমলাসুবাস পেয়ে মাতাল হয় শাখান। চিরযুবতীর ঘামেলু কামুক গন্ধে শিউরে ওঠে তন্ময় দেহ। হয়তো প্রকৃতির এই আবেশই কবির মনে প্রেম জাগার এত কারণ। কবিতায় কবিতায় আক্ষেপের সঙ্গে মিলনের গানে ভরে দিয়েছেন আলিঙ্গনসুখ।

পঞ্চম নিবেদন "কমলামথের শৃঙ্গার"—সমকালীন বাংলা কাব্যভূমিতে এক অভিনব সংযোজন। এই কাব্যগ্রন্থে কেন্দ্রীয় চরিত্র জম্পুই পাহাড়। কিন্তু কবি তাকে নিছক পাহাড় হিসেবে দেখেননি। তাকে রূপ দিয়েছেন এক জীবন্ত নারীসত্তায়, কামনাময়, লজ্জাশীলা, স্মৃতিমগ্ন এবং কখনও বিধ্বস্ত শরীর রূপে।

“জম্পুই এক কুহকিনী নারী।”
এই পংক্তি গোটা কাব্যগ্রন্থের রূপককাঠামোকে সংজ্ঞায়িত করে। পাহাড়ের চূড়া, উপত্যকা, ঝর্ণা, বনভূমি_সবই নারীর শরীরের উপমায় নির্মিত হয়েছে। ফলে প্রকৃতি এখানে দৃশ্যমান বাস্তবতা নয়; বরং এক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য আবেগময় অভিজ্ঞতা। এই রূপক-নির্মাণ বাংলা কাব্যে নতুন নয়, কিন্তু জনজাতি-সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তা এক অভিনব কাব্যনন্দন সৃষ্টি করেছে। এছাড়াও প্রকৃতি-বর্ণনা দৃশ্যমানতার বাইরে গিয়ে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ও শরীরময় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। পাঠক যেন শুধু দেখে না; শোনে, স্পর্শ করে, অনুভব করে।

জম্পুই এক সময় “কমলার রাণী” ছিল। এই স্মৃতি কবির কাব্যে এক ধরনের হারানো স্বর্ণযুগের নস্টালজিয়া তৈরি করে।

“মাচুয়াং থেকে কমলা কিনতে গেলে শতকে পঞ্চাশ ঝাড় দিতো উদার দারসুঙ্গা…”পংক্তিতে শুধু ফলের প্রাচুর্য নয়; একটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উচ্ছ্বাসের ছবি ফুটে ওঠে। বাজার, পাইকার, গাছের ডাল থেকে সরাসরি কমলা খাওয়া; সব মিলিয়ে এটি গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণময়তা।  কিন্তু পরবর্তী কবিতাগুলোয় দেখা যায়, “খসে পড়ছে জুম খসে পড়ছে ঘুম মেঘমায়া / 
ভাঁজে ভাঁজে ফুটে উঠছে কঙ্কাল।”  এখানে ‘কঙ্কাল’ শব্দটি শুধু প্রকৃতির ক্ষয় নয়, এক সভ্যতার অন্তঃসারশূন্যতার প্রতীক। আধুনিকতা, পর্যটন-বাণিজ্য ও লোভ প্রকৃতির শরীরকে ধীরে ধীরে উন্মোচন করে দিয়েছে। বিলুপ্ত বিহঙ্গ বা 'মথ' ও পরিবেশচেতনার বর্ণনায় যে সুরেলা বিলুপ্তির কথা এসেছে_বিহঙ্গ শুধু পাখি নয়, পরাগায়নের সহচর। প্রকৃতির ভারসাম্যের রক্ষক। সৌন্দর্যের সঙ্গীত। তাদের হত্যার মধ্য দিয়ে মানুষ নিজের অস্তিত্বকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফলে মুক্ত বিহঙ্গকে শূন্য করে নগ্ন করেছে নীল দুহিতার শরীর। ধ্বংসকে এক নৈতিক লজ্জা ও নগ্নতার অনুভূতি হিসেবে দেখানো হয়েছে।

মিজো সম্প্রদায়ের ইতিহাস, অভিবাসন, ধর্মান্তর, যুদ্ধস্মৃতি ইত্যাদি ধারাবাহিকভাবে উঠে এসেছে।

“লু মাথা, সাই কাটা / লুসাই—নৃমুণ্ডশিকারী।”
এখানে কবি ইতিহাসকে কাব্যিক সংকেতে রূপ দিয়েছেন। শব্দের ব্যুৎপত্তি, জাতিগত স্মৃতি, যুদ্ধপ্রবণতা; সব মিলিয়ে একটি আদিম শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। আবার বলেছেন, “মাঝে প্রভু যীশুর চরণে সমর্পণ এক মাইলফলক।” এই পংক্তির অন্তরালে পরিবর্তনের ইতিহাসকে তুলে ধরা হয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে। অন্ধকার থেকে আলোয় উত্তরণ এবং একটি সভ্যতার রূপান্তরের কাব্যিক দলিল এই গ্রন্থ।

৮৪ নম্বর কবিতার “বিশ্বাসের দোকান” প্রসঙ্গটি গ্রন্থের অন্যতম মানবিক শিখর। “পাহাড় জানে / মানুষ এখনও আছে / আস্থা আর ভালোবাসার চূড়ায়…” এখানে কবি দেখিয়েছেন_সভ্যতার কোলাহলের বাইরে এখনও এমন সমাজ আছে যেখানে সততা সামাজিক চুক্তি নয়, অন্তরের ধর্ম। এটি পুরো গ্রন্থে একটি আশাবাদী আলোকরেখা তৈরি করে।

এই কাব্যগ্রন্থের ভাষা আঞ্চলিক শব্দে সমৃদ্ধ। নৃতাত্ত্বিক তথ্যনির্ভর, কামনা-রস ও প্রকৃতি-রসের সংমিশ্রণ। “সুমু”, “চেরাউ”, “জুম”, “মৌতাত”—এসব শব্দ কেবল তথ্য দেয় না, সাংস্কৃতিক সুরেলা আওয়াজও তৈরি করে।

“অর্কিডের প্যানোরামা সূর্যাস্ত জুড়ে উষ্ণ অগ্নি-বিদায়ের কাব্য।” এই ধরনের পংক্তি কবিকে প্রকৃতির চলচ্চিত্রকারে পরিণত করে। পাহাড় এখানে শুধু পাহাড় নয়_হারানো ঐশ্বর্য, অবহেলিত প্রকৃতি, আকুল নারীসত্তা। জম্পুই ও শাখানের প্রেমের মিথ আসলে মানব অস্তিত্বের গভীর প্রতীক। এই প্রেম ব্যক্তিগত নয়; বরং ভূগোল ও ইতিহাসের সম্মিলিত শক্তি। এই মিলন থেকে জন্ম নেয় নতুন ভূমি, নতুন জলবায়ু, নতুন সভ্যতা। এই ধারণা কবিকে এক মিথনির্মাতা কাব্যকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

“কমলামথের শৃঙ্গার” একাধিক স্তরে পাঠযোগ্য। প্রকৃতি-প্রেমের কাব্য, নৃ-সংস্কৃতির দলিল, পরিবেশ সংকটের সতর্কবার্তা, প্রেম ও ইতিহাসের মিথোপাখ্যান। জম্পুই এখানে হারানো প্রাচুর্যের স্মৃতি, অবহেলিত প্রকৃতির আর্তি, কামনা ও লজ্জার, নারীসত্তা এবং মানবিকতার শেষ আশ্রয়।

এই গ্রন্থ সমকালীন বাংলা কবিতায় একটি স্বতন্ত্র কাব্যভূগোল নির্মাণ করেছে, যেখানে পাহাড়, মানুষ, ইতিহাস ও প্রেম একই ছন্দে স্পন্দিত।

কবিতায় চিত্রকল্প ও ভাষা অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও অনেক জায়গায় অতিরিক্ত ঘন প্রতীক ও আঞ্চলিক শব্দ ব্যবহারে পাঠপ্রবাহ কিছুটা দুর্বোধ্য হয়ে গেছে। বিভিন্ন অংশে ইতিহাস, লোককথা, যৌন-ইঙ্গিত, ভ্রমণবৃত্তান্ত ও দার্শনিকতা একসাথে মিশে যাওয়ায় কাব্যের কেন্দ্রীয় সুর বা থিম স্পষ্ট থাকে না। খণ্ডসংখ্যা ও বিন্যাসে ধারাবাহিকতার ঘাটতি আছে, কিছু অংশ হঠাৎ শুরু ও শেষ হয়েছে, ফলে গঠনগত সংহতি কমেছে। কয়েক জায়গায় পুনরোক্তি ও তথ্যধর্মী বর্ণনা কাব্যিক আবহকে ভেঙে গদ্যমুখী করেছে। শক্তিশালী শেষ ইমেজ থাকলেও সামগ্রিক সম্পাদনা ও সংযমে কবিতাটি আরও প্রভাবী ও সংহত হতে পারত। তবুও বলবো, - একটি জাতি বা গোষ্ঠী কীভাবে থাকে, কী খায়, কী ভাবে, কীভাবে উৎসব করে, কীভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলে এই সবকিছুর সমষ্টিই এই গ্রন্থের আকর।

ঝকঝকে, দৃষ্টিনন্দন মলাটে আবদ্ধ ৯৪ পৃষ্ঠার এই কাব্যগ্রন্থ দূর থেকেই পাঠককে আহ্বান জানায় এক নীরব মোহে। সন্তকবি মিলনকান্তি দত্তের প্রচ্ছদে শিল্পিত সৌন্দর্য হারাধন বৈরাগীর কবিতার অন্তর্লীন সুরেরই দৃশ্যরূপ। পাঠকের মনোজগৎ ও মানসিকতার গভীরে রেখাপাত করবে; কখনও মৃদু আলো হয়ে, কখনও অদৃশ্য স্পর্শ হয়ে। 

বইটির প্রকাশকাল: ১০ জানুয়ারি, ২০২৬।
স্রোত প্রকাশনার পক্ষে সুমিতা পাল ধর কর্তৃক কুটুমবাড়ি, হালাইমুড়া, কুমারঘাট, ৭৯৯২৬৪, উনকোটি, ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত ও গ্রাফিপ্রিন্ট, কুমারঘাট (৮৭৮৭৪৩৭৫৫৯/৯৭৭৪১৪৬২৪৫) থেকে মুদ্রিত।

প্রকাশনা: স্রোত

অক্ষরবিন্যাস: সুমিতা দেব

প্রচ্ছদ: মিলনকান্তি দত্ত

KAMALAMOTHER SRINGAR

By-Haradhan Bairagi

Visit us at: www.srot.com.in

email: srotpublication@gmail.com

ISBN: 978-81-997152-9-5

মূল্য: ৩০০ টাকা মাত্র। 'কমলা মথের শৃঙ্গার' অবশ্যই পাঠকগণের সংরক্ষণে রাখার মতো একটি বাংলা সাহিত্যের কাব্য

[বি:দ্র:- আলোচনা না ধরে পাঠ প্রতিক্রিয়া ধরলেই বেশি খুশি হবো।]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ