ড.অপর্ণা গাঙ্গুলী :একজন কবি বাচিকশিল্পী ও সংগীতশিল্পী
গোবিন্দ ধর
পদার্থবিদ্যার ধর্মই হলো বস্তুকে বিশ্লেষণ করে তার স্বত্বার গভীরে পৌঁছা।ড.অপর্ণা গাঙ্গুলী মূলত পশ্চিমবঙ্গবাসী হলেও পিতার চাকুরীসূত্রে এবং বিবাহসূত্রেও ত্রিপুরার বাসিন্দা এখন।
তিনি পদার্থবিদ্যায় মাস্টারডিগ্রী প্রাপ্ত।আগরতলা আই জি এম এর পুরোনো গেইটের পরে রাজু মেডিকেলের উল্টো দিকের কালো রঙের গইট দিয়ে ঢুকে বাঁদিকে তিন তলায় সোজা উঠে গেলে তাঁর নিজস্ব ফ্লেট।স্থানীয় বি আর আম্বেদকর দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার শিক্ষিকা তিনি।কবিতা লেখেন।বিজ্ঞান গল্পও লেখেন।এ যাবৎ একটি কবিতার বই প্রথম প্রেম ও বিজ্ঞান গল্প সকাল থেকে রাত্রি প্রকাশিত।তিনি সঞ্চালক।সংগীতশিল্পী। একজন বাচিকশিল্পীও।সুগৃহিনী ড অর্পণা গাঙ্গুলীর একমাত্র পুত্র এইমসে ডাক্তারী পড়ছে।স্বামী এন আই টি-তে কর্মরত।
প্রকাশপর্ণা নামে লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনাও করতে ইতিমধ্যে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন এ বছর প্রকাশনা মঞ্চের দুদিনব্যাপী তৃতীয় ত্রিপুরা লিটল ম্যাগাজিন ও গ্রন্থমেলা :২০২৩ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ফলে তিনি রাজ্যের লিটল ম্যাগাজিন ও প্রকাশনা আন্দোলনে সামিল হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন স্রোত সম্পাদক গোবিন্দ ধরের নিকট।তিনি প্রকাশনা মঞ্চের সাথে যুক্ত হোন।এরাজ্যের লিটল ম্যাগাজিন ও প্রাকাশনা আন্দোলনে ড.গাঙ্গলীর নিকট অনেক প্রত্যাশা রাখে।নিয়মিত চর্চা ও অধ্যাবসায়ে তিনি হয়ে উঠবেন একজন অনিবার্য সৈনিক।তাঁর সাহিত্য সাংস্কৃতিক পদযাত্রা হোক উত্তর উত্তর আরো তীব্র থেকে তীব্রতরো।
তাঁর একটি কবিতা পড়বো:সেদিন তুমি
একটু একাকী বসে কথা বলতে
চলে গেলাম রুদ্রহীল রিসোর্টে।
চারিদিকের সাজানো সবুজ
বাহার ছড়িয়েছিল ঐ তটে।।
সাথে ছিলে তুমি ছিলে কাছে
বাড়িয়ে দিলে হাত।
তোমার চোখের টানে যেন
কাটিয়ে দিতে পারতাম সারারাত।।
তোমার হাতের উপরে যখন আমার আঙুলগুলো খেলা করছিলো
দুজনের হৃদয়ে বিশাল ঢেউ
শব্দ করে এগিয়ে আসছিলো।
তোমার ঠোঁট যখন আমার কাছে, খুব কাছে এলো
সে কাঁপছিল, সমুদ্রের মতো
জল থই থই করছিলো।।
আমার জলবিন্দু ছুটে গিয়ে
মিলতে চাইছিলো তোমার জলে।
যেমন করে নদী ছুটে যায়
ঝাপিয়ে পড়ে সমুদ্রের জলে।।
তোমার ঠোঁটের ছোঁয়া শিহরণ
জাগাচ্ছিলো আমার কপোলে ।।
তোমাকেই চাই বলে চিৎকার
করে স্পষ্ট ভাষায় মন বলে।
এর যেন শেষ নাই, খালি মন
বলছিলো আরো আরো চাই কাছে।।
ভয় হচ্ছিলো দুপারের ঢেউ মিলে গেলে হয়ে যাবে না তো সব মিছে?
তাঁকে নিরিবিলি কিছু প্রশ্ন পাঠিয়েছি তিনি যেমন বললেন:
নাম: ড: অপর্ণা গাঙ্গুলী
বাবার নাম: ড: অমর কুমার
গাঙ্গুলী
বাবার পেশা: শিক্ষকতা
মাতার নাম : রীনা গাঙ্গুলী
মামার বাড়ির ঠিকানা: চট্টেশ্বরী কালীবাড়ি, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
জন্ম তারিখ: ১৭-০৪-১৯৭৫
জন্মস্থান: সালকিয়া হাওড়া, কলকাতা, ভারত।
বর্তমান বাসস্থান: ৪৩, আখাউড়া রোড, আগরতলা, ত্রিপুরা।
পিতৃপুরুষের বাসস্থান: ৭৮/২, আর, বি, রোড, বিরাটি, কলকাতা।
ভাইবোন: ৩ বোন, ভাই নাই
আমি দ্বিতীয় নম্বরে।
আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা: পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তরে স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত ও পি,এইচ, ডি, ডিগ্রীপ্রাপ্ত।
আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়: ঊষাঙ্গিনী বালিকা বিদ্যালয়, হাওড়া, কলকাতা।
আমার মাধ্যমিক : তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়, আগরতলা
আমার উচ্চ মাধ্যমিক: উত্তর দমদম বিদ্যাপীঠ, কলকাতা
আমার পেশা: শিক্ষকতা।
আমি চাকুরী জীবি: ২০০৫ সালে শিক্ষা দপ্তরে পদার্থ বিদ্যার পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত হই।
শিক্ষিকা পদে আছি।
বিবাহিত
স্বামীর নাম: শ্রী মানিক ভৌমিক
পুত্র: ১ জন
পুত্রের নাম: মৃগাঙ্ক ভৌমিক
কোনো পত্রিকার সম্পাদনা করি না।
প্রকাশনা এখনো হয় নি।
Leaf organization এর সমাজ সেবামূলক কাজে যুক্ত।
সাংস্কৃতিক কর্ম কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আছি।
সংস্থা: ভারত বাংলাদেশ, কৃষ্টিবন্ধন, সংস্কৃতি সংসদ, কৃষ্টি।
কোনো পালায় অভিনয় করিনি
শ্রুতি নাটক : না
লেখালেখি: স্কুল জীবন থেকে
অনুপ্রেরণা: বাবার কাছে
সঙ্গীত শিক্ষা: ছোটবেলা থেকে।
সঙ্গীত শিক্ষকদের নাম ও ঠিকানা: রবীন্দ্র সংগীত শিক্ষাকেন্দ্র, কলকাতা, বিশ্ববীণা, আগরতলা।
প্রকাশিত গল্পঃ ৫ টি
প্রকাশিত কবিতা: ২৫ টি
উপন্যাস: নেই
কবিতা সংকলন: প্রথম প্রেম
সঙ্গীতের রেকর্ড: ৫ টি
আবৃত্তির সিডি: নেই
পত্রিকা : না
শৈশব জীবন: আনন্দময়
বিশেষ ঘটনা: আগরতলার স্কুল ছেড়ে কলকাতার স্কুলে যেতে বান্ধবীদের কান্নাকাটি ছিলো বড়ই বেদনা দায়ক।
শিল্প সাধনায় যুক্ত হওয়ার কারণ: ভালো লাগা
লেখার কারণ: মনের ভাব সহজেই প্রকাশ করা।
শিল্প চর্চায় মন উৎফুল্লিত থাকে
সবচেয়ে খুশির কাজ: সংগীত চর্চা করা।
প্রিয় লেখক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রিয় সঙ্গীত: রবীন্দ্র সংগীত
প্রিয় শিল্পী:স্বাগতালক্ষ্মী
প্রিয় সিনেমা: হীরক রাজার দেশে
প্রিয় কাব্য সংকলন: সঞ্চয়িতা
প্রিয় উপন্যাস: মেজ দিদি,শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়
প্রিয় নাটক:
প্রিয় মানুষ: আমার বাবা
প্রিয় খাদ্য: বেগুন ভাজা
প্রিয় জায়গা: চট্টগ্রাম
প্রিয় বন্ধু: স্কুল বন্ধু
প্রিয় শিক্ষক: তৃপ্তি সাহা
প্রিয় বিষয়: পদার্থবিদ্যা
মন খারাপ হলে গান শুনি
খুশি থাকলে গল্প করি।
পুরস্কার সম্মাননা
১.বাংলাদেশ - ভারত- নেপাল ইতিহাস মঞ্চ, আন্তর্জাতিক কবি সম্মেলন-২০২২,সম্মাননা প্রদান।
২. বিশ্ব বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সম্মাননা প্রদান
৩. উত্তর বঙ্গ কবি লেখক সাহিত্য পরিষদ দ্বারা সম্মাননা প্রদান
৪. নিখিল ভারত শিশু সাহিত্য সংসদ দ্বারা সম্মাননা প্রদান
৫. কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দ্বারা সম্মাননা প্রদান
৬. পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা কর্তৃক সম্মাননা
৭. লেখনী সাহিত্য পরিষদ দ্বারা সম্মাননা প্রদান
৮. শেষের পরিচয় পরিবার দ্বারা কবি সম্মাননা প্রদান
৯. তেজস্বী সাহিত্য পত্রিকা দ্বারা লেখনী সম্মাননা
১০. হৃদয়ের বন্ধন পরিবার দ্বারা " সেরা সাহিত্য প্রভা" সম্মাননা
১১. কবিতা সাহিত্য গ্রুপ দ্বারা সম্মাননা প্রদান
১২. বঙ্গ কাব্য সাহিত্য পরিষদ দ্বারা সম্মাননা প্রদান
১৩. কবি ও কলম সম্মাননা সনদ
১৪. যশ সাহিত্য পরিবার দ্বারা সম্মাননা প্রদান
১৫. আনন্দ মালা সাহিত্য পত্রিকা দ্বারা সম্মাননা প্রদান
১১:০৬:২০২৩
0 মন্তব্যসমূহ