কর্মবীর
আমরা কুশলী কর্মবীর
তিলকে করি তাল।
মাটির ঢেলায় মূর্তি গড়ি
সুতায় বুনি জাল।
শুষ্ক মাঠে ফলাই ফসল
দুহাতে জল সেচে।
জলের মাছ ডাঙ্গায় তুলে
জগতে আছি বেঁচে।
শপথ করি সবাই মিলে
ফুলের সাজি ভরব ফুলে
ভাঙব না ডাল মট করে ;
নিয়ম মেনে গাছ লাগাব
\জল দেব মূলে ঘট ভরে।
টবের গাছে ফুল ফোটবে
আলোয় তারে বাঁচতে দিলে ;
গাছ লাগাব, গাছ বাঁচাব,
শপথ করি সবাই মিলে।
ছড়া পড়ি
আমাদের ইসকুলে
ছড়া পড়ি দুলে দুলে।
গণিতের দিদিমণি
ক্লাসে এলে বেলা গণি।
টিফিনে খাবার খাই
হেসে খেলে মজা পাই।
ছুটি হলে তাড়াতাড়ি
সোজা পথে ফিরি বাড়ি।
কুটুস কুটুস
কুটুস কুটুস কামড় মারে মশা।
সকাল-সন্ধ্যা যায় না ঘরে বসা।
মশার জ্বালায় ঘুম আসে না রাতে।
বিছানা ছেড়ে হেঁটে বেড়াই ছাতে।
স্বাগত নূতন
বসন্ত বিদায় নিল
ফেলে রেখে শাঁখ ;
আম্র তরু তলে বসে
বাজায় বৈশাখ।
পলাশ রাঙায় তারে -
সাজায় শিমূল ;
স্বাগত জানায় যত
আছে বুলবুল।
জীর্ণ ধুলো মুছে দিল
দখিনা পবন,
নূতনের নবরূপ
কেড়ে লয় মন।
0 মন্তব্যসমূহ