কী লিখি কেন লিখি বিপ্লব উরাং

কী লিখি কেন লিখি 

বিপ্লব উরাং 



কী লিখি কেন লিখি 
প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই চলে আসবে কখন থেকে,কেনইবা,কাদের জন্য।

এই গুলোকে আশ্রয় করে লিখতে হবে বৈকি।

আশির দশকে সদর উত্তরাঞ্চলের  সিমনার কিছু যুবক একটি ম্যাগাজিন বের করার চিন্তা করেন।প্রশ্ন ম্যাগজিনই বা বের করবেন কেন?যুব বয়সের উন্মাদনায় প্রেম পত্র লিখতে লিখতে,রবীন্দ্রজয়ন্তী,নজরুলজয়ন্তীতে কবিতা আবৃত্তি  করতে করতে দুটি  এক লাইন কবিতাও লিখে ফেলছেন।

একে অপরকে দেখাচ্ছেন।মাথায় পরিকল্পনা এ গুলোকে তো প্রকাশ করতে একটা মাধ্যম লাগবে।সেইটা ম্যাগাজিনকেই ম্যাধম করে  শুরু হল লেখা লেখি।কিন্তু তখন কি লিখব,কেন লিখব কার জন্য লিখব এমন ভাবনা হয়নি।ধীরেধীরে বয়সবাড়ছে পড়ার বই ছাড়াও

অন্যান বই পত্র পড়া হচ্ছে।কম বেশ লেখা লেখি হচ্ছে।

গ্রাম,নদী,আকাশ,চাঁদ নিয়ে কবিতা লিখছি।আর এগিয়ে

ছোট ছোট ফিচার।সমসাময়ীক কালের ঘটনা বলী।পত্র

পত্রিকাতে বের হত।উৎসাহিত হতাম।মাথায় ঘুরপাক

খাচ্ছে  কি লিখব।ধীরেধীরে চিন্তার বিকাশ ঘঠছে।সঙ্গী

পেলাম।আলোচনা হত।সাথীর লেখা লেখি চলত।আমি

লিখতাম না।কিন্তু কি নিয়ে লিখবে কাদের জন্য লিখবে।

সে বিষয়ে আলোচনা হত।ঋদ্ধ হতাম।ধারাবাহিক ভাবে

নয়।মাঝে মাঝে লিখা হত ফিচার ধর্মী লেখা।বয়সের শেষ

সীমায় এসে বছর তিনেক আগে ধারাবাহিক ভাবে লিখছি

চা বাগানে প্রচলিত ছিলো মিলো ভাষায় কবিতা।এই ভাষা

বিকাশও কেন লিখছির একটি উত্তর।এই ভাষায় কথা বলে

চা শ্রমিক সহ হিন্দূস্হানী জনগুষ্টী।যাদের ইতিহাস,ভাষা,সংস্কৃতি তেমন ভাবে লেখা হয়নি।অকথীত

জীবন সংগ্রাম,ভিন ভিন রাজ্য থেকে প্রলুভধীত হয়ে আসা

মানুষের জীবন যন্ত্রণাও লেখা হয়নি এখনও।এগুলোকে

সামনে রেখে আাঁধার আক্রান্ত সময়ে মানুষের জীবন যন্ত্রণার কথা লিখার চেষ্টা করছি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ