কথাসাহিত্যিক ঝুমুর পাণ্ডে
মুখোমুখি
কবি ও কথাশ্রমিক গোবিন্দ ধর
কথাসাহিত্যিক ঝুমুর পাণ্ডে
মুখোমুখি
কবি ও কথাশ্রমিক গোবিন্দ ধর
ঝুমুর পাণ্ডের জন্ম আসামের হাইলাকান্দি জেলার কাটলিছড়া চা বাগানে এক প্রগতিশীল সংস্কৃতিমনস্ক পরিবারে। বাবা সমাজকর্মী বিনয় কুমার পাণ্ডে ও মা প্রয়াতা সমাজকর্মী লীলা পাণ্ডে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর সৃষ্টিশীল লেখালেখির শুরু এবং তখন থেকেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর লেখালেখি। মূলত চা বাগান ও খেটে খাওয়া নিম্নবর্গের প্রান্তিক মানুষজনদের নিয়েই রচনা করেন আখ্যান। সাহিত্যের সব ক্ষেত্রেই তাঁর অবাধ বিচরণ। তামিল, তেলুগু, ওড়িয়া, মারাঠি, ইংরেজি, হিন্দি, অসমীয়া, মণিপুরি, সাদরি ইত্যাদি ভাষায় তাঁর লেখা অনুবাদ হয়েছে। নারী আন্দোলন এবং সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত লেখিকা সেতারও বাজান। চা বাগান ও শহরের বস্তি অঞ্চলেও কাজ করেন।
গোবিন্দ :(১)
কবে থেকে লেখালেখি শুরু?কবিতা না গল্পে হাতেখড়ি?
ঝুমুর পাণ্ডে:(১)
সেই ছোটবেলা থেকেই। তখন ধরুন সাত আট বছর বয়স। কবিতা দিয়েই শুরু। তারপরই গল্পে এসে গেছি!
গোবিন্দ :(২)
আপনার কবিতা গল্প উপন্যাসের ভাষা মান্য বাংলার পাশাপাশি আঞ্চলিক শ্রীহট্টীয় লৌকিক ভাষার পাশাপাশি ছিলোমিলো ভাষার প্রাধান্য দেখা যায়?বিশেষ কোন কারণ আছে?
ঝুমুর পাণ্ডে:(২)
শুধু এ দুটো ভাষা নয়!আমি যাদের নিয়ে লিখি ওদের মুখের ভাষাই বসানোর চেষ্টা করি!যেমন যখন চেন্নাই ছিলাম তখন বা পরে তামিলদের নিয়ে কিছু গল্প লিখেছি! ওখানে তামিল ব্যবহার করেছি!তারপর ভোজপুরি ও করি! উড়িষ্যার গল্পে ওড়িয়াও ব্যবহার করেছি!কারণ বলতে তেমন কিছু নেই। ওটা এসে যায়!
গোবিন্দ :(৩)
চা বাগানের প্রান্তিক মানুষের দূঃখ যন্ত্রণা আপনাকে দগ্ধ করে কেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৩)
শুধু চা বাগানের প্রান্তিক মানুষের নয়! পৃথিবীর সব প্রান্তিক মানুষের দুঃখ যন্ত্রণাই আমাকে দগ্ধ করে!
গোবিন্দ :(৪)
চা শ্রমিকদের নিয়ে আপনার নিরলস সাহিত্য সাধনার মুখ্য উদ্দেশ্য কি?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৪)
ছোট বেলায় এদেরকে খুব কাছ থেকে দেখেছি!বাড়ির প্রায় সবাই সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।তাই বাগানের শ্রমিকরা নানা সমস্যা নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসতেন।এদের দুঃখ দুর্দশা দেখে আমারও খুব কষ্ট হত!আমিও এদের পাশে থাকার চেষ্টা করতাম।এখনও করি।তাই হয়ত বা.....
গোবিন্দ :(৫)
আসামের চা বাগানের বিভিন্ন পালা উৎসবের বিবরণ শুনবো যদি বলেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৫)
আসামের চা বাগানে বিভিন্ন পালা উৎসব হরেক রকম ! কারণ চা বাগানে প্রায় পুরো ভারতবর্ষ বাস করেন!এর মধ্যে কয়েকটি হল যেমন দুর্গা পূজা,করম, টুসু,জিতিয়া, ছট, ফাগুয়া, পিরিয়া গেরামপুজা. ইত্যাদি
গোবিন্দ :(৬)
আপনার উপন্যাসগুলোতেও দেশভাগের গল্প যন্ত্রণা এসছে।এর সাথে কি লোন আত্মীক কোন বিষয় জড়িত?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৬)
এই দেশভাগের ফলে মানুষের কষ্ট, যন্ত্রণা,নেতাদের ভুল নীতি আমাকে খুব কষ্ট দেয়।এইজন্যই হয়ত সেই যন্ত্রণার কথা গল্প উপন্যাসে আসে!এছাড়া আমি "দেশভাগ এক দহন যন্ত্রণা " নামেএকটা সংকলন ও সম্পাদনা করেছি! Prakashok- গাংচিল
গোবিন্দ :(৭)
নদীর কথা গাঙের কথা জল যন্ত্রণার কথা আপনার গাঙগাঁথা উপন্যাসকে দিয়েছে বিশেষমাত্রা।কিন্তু এসবই আসে কেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৭)
আসলে নদী আমি খুব ভাল বাসি! নদী ছাড়া জীবন ভাবতে পারি না! সেই আমার কাটলিছড়ার ধলেশ্বরী নদী যাকে আমি এখনও গিয়ে ছুঁয়ে আসি! নদীর কথা ভাবতে ভাবতে নদী অম আমার কাছে উঠে আসে। ভালোবাসি নদীকে এজন্য হয়ত আসে!আমার সৃষ্টি ইচ্ছাকৃত নয়!
গোবিন্দ :(৮)
নারীদের বিভিন্ন বিষয়কে সামাজিক মর্যদায় প্রতিষ্ঠা দেবার লড়াইয়েও আপনি একজন সৈনিক।বিষয়টি আলোকিত করুন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৮)
হ্যাঁ এই পিতৃ তান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় মহিলাদের সম অধিকারের দাবিতে সেই কিশোরী বেলা থেকেই আন্দোলনে নেমেছি!ছাত্র আন্দোলন ও করেছি।তবে আমি মনে করি নারীদের এই অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজ দায়ী নন। দায়ী এই সমাজ ব্যবস্থা।তাই এই সমাজ ব্যবস্থা কে পাল্টানোর জন্যই এই নারী আন্দোলন।
গোবিন্দ :(৯)
আপনার রচিত গ্রন্থগুলো কি কি?
ঝুমুর পাণ্ডে:(৯)
আমার প্রকাশিত গ্রন্থ
গল্পগ্রন্থ
গেরাম থানের মানুষটা ও দুলিয়া
জল খাবেন বনদুর্গা
স্বপ্নগন্ধার খোঁজে
পিয়াঙ্কা বাগদি কাঁহা গেল
সুখ গাছের গল্প
উপন্যাস
গাঙ গাথা
ঝুমঝুমি
আলেকজান্ডারপুরের কথকতা
কাব্যগ্রন্থ
বৈষ্ণবীর মা হতে নেই
কিছু বলার ছিল
আত্মচরিত
এমন মানব জনম
ধামাইল গান
প্রেম যমুনা ডাক দিয়াছে
ঝুমুর গানের বই (ভাষা কুড়মালি)
কত শিরিষ ফুল ফোটে ফোটেরে
সম্পাদিত গ্রন্থ
দেশভাগ এক দহন যন্ত্রণা
হিন্দিতে অনুদিত গল্প সংকলন
ঝুমুর পান্ডে কি কাহানি সংগ্রহ
অসমীয়াতে অনুদিত গল্প সংকলন
আরু নামি আহে জোনাক
গোবিন্দ :(১০)
সম্প্রতি প্রকাশিত আপনার আসামের চা বাগানের উপর লেখা বইটি?বিষয় হিসেবে দারুন।
ঝুমুর পাণ্ডে :(১০)
চা বাগানের সাথে আমার হৃদয়ের টান।এরকম একটি বই আমাকে প্রাণ দিয়েছে।
ঝুমুর পাণ্ডে:(১১)
লকডাউন যন্ত্রণা নিয়ে কি ভাবছেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(১১)
করোনা আর লকডাউন মিলে যন্ত্রণার এক যুগলবন্দীর সৃষ্টি হয়েছিল।পৃথিবী জুড়ে এরকম মৃত্যু মিছিল কেউ কখনও দেখেনি। হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক বাস হারিয়ে,কাজ হারিয়ে রাজপথ ধরে হাঁটছেন! হাঁটতে হাঁটতে কেউ মরে ও যাচ্ছেন! চা বাগানে খাচ্ছেন লোকে কচু শাক সেদ্ধ।কত মানুষ যে স্বজন হারালেন আহারে।এখানেওই যন্ত্রণার সময়টাকেই ধরে রাখতে কলম ধ রে ছিলাম। (করোনা র প্রথম ধাপ)আর এই দ্বিতীয় ধাপে তো শুধু মৃত্যু আর মৃত্যু।সবাইকে এখনও টিকাই দেওয়া হল না! কি যে হবে?কিছুই ভাল লাগছে না।
গোবিন্দ :(১২)
সম্প্রতি যন্ত্রস্থ উপন্যাস'কারা কান্দেরে নদীর কিনারায়'তার বিষয়ে শুনবো।
ঝুমুর পাণ্ডে:(১২)
শিলচর ঘনিয়ালার বরাক নদীর পাড়ে এক ঘিঞ্জি বসতি। সেথায় বসির আলি আর বাজু সহ থিকথিক করে শুধু যত দুঃখী মানুষ আর মানুষ। পয়সা নেই। শিক্ষা নেই। ভোটের সময় শুধু এদের প্রয়োজন হয়। এদের কেউ চোর অপবাদ মাথায় নেয়।কেউ আবার হারিয়েও যায় ।এরা কেউ কাঠমিস্ত্রী, কেউ রাজমিস্ত্রী, ড্রাইভার আরও নানা পেশায় যুক্ত। তবু অভাব এদের জড়িয়ে থাকে।মূল দুটো চরিত্র গ্রামীণ বাজারে ওষুধ বিক্রেতা বসির আলি আর বাজু ড্রাইভার তবু এক অলীক স্বপ্নের জগতে বসত করে ।এদের নিয়েই এই গাথা "কারা কান্দেরে নদীর কিনারায়"।
গোবিন্দ :(১৩)
আসামের চা বাগানের পালা পার্বণ ও অন্যান্য নিবন্ধ এই বইটিও খুব শীঘ্রই প্রকাশ হবে।এতে আসামের চা শ্রমিকদের সংস্কৃতি উঠে আসবে নিশ্চয়ই।
ঝুমুর পাণ্ডে:(১৩)
আসামে চা বাগান পত্তনের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকের প্রয়োজন দেখা দেয়।স্থানীয় আদিবাসীদের দিয়ে কাজ করানো সম্ভব হয় না ইংরেজ শাসকদের। তাই আড়কঠিদের মারফত বিভিন্ন প্রদেশ থেকে শ্রমিক আমদানি করা হয়। তো এই শ্রমিকরা আসার সময় একটা জিনিস সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন সেটা ওদের রক্ত মজ্জায় বহমান সংস্কৃতি।এই বইয়ে সেইসব উৎসব অনুষ্ঠানই ধরা হয়েছে। আছে অন্য সব নিবন্ধও।
গোবিন্দ :(১৪)
আপনার জীবনের গল্প শুনতে চাই।
ঝুমুর পাণ্ডে:(১৪)
জীবনের গল্প তো এত ছোট্ট পরিসরে বলা যায় না ভাই! তবু বলি জীবনকে আমি খুব ভালবাসি।ভালবাসি আকাশ,চাঁদ,তারা,গাছ গাছালি,ফুল,পাখি এই মায়াময় প্রকৃতিকে!ভালবাসি অসহায় সব মানুষজনদের।এদেরকে জড়িয়েই আমার জীবন!
গোবিন্দ :(১৫)
আপনার সাহিত্য নানা ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। এগুলো বলবেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(১৫)
হ্যাঁ অনেক গুলো ভাষাতেই অনুবাদ হয়েছে!এর মধ্যে ইংরেজী,হিন্দি,অসমীয়া,তামিল,তেলগু,মারাঠি ওড়িয়া,মণিপুরী, সাদরি ইত্যাদি!হিন্দি আর অসমিয়াতে দুটো গল্পসংকলনও আছে!
গোবিন্দ :(১৬)
সাহিত্য ভ্রমণ কেমন লাগে?ত্রিপুরা এসছেন?
ঝুমুর পাণ্ডে :(১৬)
সাহিত্য ভ্রমন ভালই লাগে। বিভিন্ন ভাষভাষীর সাহিত্যিকদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।সাহিত্য একাডেমীর প্রোগ্রামে ভারত বর্ষের অনেক জায়গায় গেছি।হ্যাঁ,ত্রিপুরায় ও গেছি!
গোবিন্দ :(১৭)
অনিল সরকার মহোদয়কে আপনি কিরকম জানেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(১৭)
কিরকম জানি মানে?তখন ল্যান্ডফোন ছিল।একদিন ফোন বাজতেই আমি তুললাম। অপার থেকে ভেসে এল
তুমি কি ঝুমুর?
হ্যাঁ!
আমি অনিল সরকার ! তোমার গল্প পড়ে আমার খুব ভাল লেগেছে।তুমি লেখাটা ছাড়বে না। আমি যেমন একসময় গল্প লিখতে চেয়েছিলাম তুমি ঠিক ওইরকমই লিখছ।এখন আমি খুব শান্তি পাচ্ছি।তারপর থেকে সব সময়ই কথা হত! রাত ১১ tar সময় আমাকে কবিতা লিখলে শোনাতেন।আসলে ওই সময় ই সময় পেতেন হয়তো।আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন! বলতেন আমাদের বাড়িতে এসে দুদিন থাকবেন কিন্তু আর থাকা হলো না অনিলদার। আমি যখন ত্রিপুরা গেছিলাম তখনও গাড়ি পাঠিয়ে আমাকে ওঁর দপ্তরে নিয়ে গেছিলেন।অনেক কিছু দেখিয়ে ছিলেন। আমাকে অনেকবার বলেছেন।বাড়িতে গিয়েও থাকতে।আমার আর যাওয়া হয়ে উঠেনি। বৌদিকে খুব ভালোবসতেন যেদিন মারা গেলেনবৌদি দিল্লিতে। ওইদিন ও দিন ও ভোররাতে আমাকে ফোন করে বলেছিলেন "আমার সব শেষ হয়ে গেল ঝুমুর"।
গোবিন্দ :(১৮)
ত্রিপুরার সাথে আপনার এক আত্মীক যোগাযোগ আছে।এই যোগাযোগ কিরকম হলো?
ঝুমুর পাণ্ডে:(১৮)
ওখানে প্রাণের মানুষ মীনাক্ষীদি (মীনাক্ষী সেন)জয়া(জয়া গোয়ালা)হিমাদ্রি দেব ছিলেন।এখনও অনেকেই আছেন যেমন পদ্মশ্রী মজুমদার , সিক্তা Chakrabarti .biplab urang, দুলাল ঘোষ. বিমলেন্দু চক্রবর্তী,prabudhha সুন্দর কর, satyjit দত্ত, প্রলয়েন্দু চৌধুরী(sampadak-tripura প্রবাহ)শ্যামল ভট্টাচার্য ও তো ত্রিপুরাই। আরও অনেকেই আছেন।হিমাদ্রিদাও আমার লেখা খুব ভালবসতেন।আমাকেও খুব স্নেহ করতেন।মীনাক্ষীদিও আমাকে খুব ভালবসতেন।মারা যাওয়ার আগের দিনও আমার সঙ্গে কথা বলেছেন।মীনাক্ষীদি ও বলতো আমার বাড়ি এসে কদিন থাকবে। কিন্তু আর হল না! জয়াও আমাকে খুব ভালোবাসত!আরও অনেক আপনজনেরা আছেন।এছাড়া ত্রিপুরার জায়গা গুলোও খুব সুন্দর।ত্রিপুরা প্রবাহ পূরস্কার যেদিন নিতে গেছিলাম ওইদিন সত্যজিৎ (সত্যজিৎ দত্ত)আর মনিকা আমাকে সন্ধের
সময় উনাকোটি নিয়ে গেছিল।এত সুন্দর দৃশ্য কোনদিন ভুলব না। সত্যজিৎ আর মনিকাকে অনেক ধন্যবাদ!
গোবিন্দ :(১৯)
আপনি সম্ভবত শ্রমিকশ্রেনির আন্দোলনকে সমৃদ্ধ করতে চান।কেন শ্রমিকদের সাথে তাঁদের আন্দোলনের সাঘে নিজেকে একাত্ম মনে করেন?
ঝুমুর পাণ্ডে:(১৯)
হ্যাঁ। আমি চাই পৃথিবীতে সাম্য আসুক।
কারণ আমি আমি নিজেকে ওদের একজন ভাবি।
গোবিন্দ :(২০)
আপনার সম্মান পুরস্কারগুলো বলুন।
ঝুমুর পান্ডে:(২০)
দিল্লি,কলকাতা,ত্রিপুরা, গুয়াহাটি, শিলচর অনেক জায়গা থেকেই অনেক পুরস্কার,সন্মান পেয়েছি!তবে মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি ! এটা আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার!
গোবিন্দ :(২১)
জীবনের কোন বিশেষ স্মৃতি?
ঝুমুর পাণ্ডে:(২১)
স্মৃতি নিয়েই তো বাঁচি!অনেক রকম স্মৃতি। তবে ছোট বেলায় মা বাবা ,ভাই,পিসি ,কাকু, দাদু ,বন্ধু বান্ধব সেই কটলিছড়ার নদী,পাহাড়, ঝরনা,ধান খেত, পদ্মবিল,গির্জার ঘণ্টার শব্দ,চা ঘর, ধুপ ঘর,নাচ ঘরে পুজোর মেলা,যাত্রা,রাতে মাদলের আওয়াজ এসব স্মৃতিকে ই এখনও আমি লালন করি!
গোবিন্দ :(২২)
এমন কোন স্মৃতিচারণ করতে চান অথচ কোথাও এখনো করা হয়নি?
ঝুমুর পান্ডে:(২২)
ওটা নাহয় তোলা থাক! অন্য সময় হবে!
গোবিন্দ :(২৩)
আগামীতে আপনার সাহিত্য পরিকল্পনা আছে?
ঝুমুর পাণ্ডে:(২৩)
আছে। অনেক গুলোই।
গোবিন্দ :(২৪)
শেষ কাজ কি হবে?
ঝুমুর পাণ্ডে:(২৪)
এটা এখন কী করে বলি?
গোবিন্দ :(২৫)ভালো লাগলো দীর্ঘ সময় আমাকে দিলেন। কৃতজ্ঞতা রইলো।
ঝুমুর পান্ডে :(২৫)
আমারও খুব ভাল লাগল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!:
0 মন্তব্যসমূহ