দো|ল|না|
বিশেষ ব্যাঙ সংখ্যা || তৃতীয় প্রকাশ||অক্টোবর :২০২০
স.ম্পা.দ.ক
গৈ|রি|কা|ধ|র
বি.শে.ষ.স.হ.যো.গি.তা
গো.বি.ন্দ.ধ.র
প.দ্ম.শ্রী.ম.জু.ম.দা.র
প্র.চ্ছ.দ
প্র|শা|ন্ত |স|র|কা|র
দো|ল|না|ক্র|ম
ঘা.স.ফু.ল
রক্তিমা চক্রবর্তী
ঈসা সেন
গৈরিকা ধর
অনন্যা নাথ
তো.মা.র.আ.মা.র.ছ.ড়া
নিয়তি রায়বর্মন
শ্যামল ভট্টাচার্য
রাখাল মজুমদার
তপন বাগচী
গোবিন্দ ধর
পদ্মশ্রী মজুমদার
অমলকান্তি চন্দ
অভীককুমার দে
গোপালচন্দ্র দাস
অনুরাগ ভৌমিক
হারাধন বৈরাগী
লিসা বিশ্বাস
দো|ল|না|ক|থা
দো.ল.না.ক.থা
ব্যাঙ একটি এমন জীব যেটি জলে এবং স্থলে উভয় জায়গাতেই বাস করতে পারে।কোনো কোনো ব্যাঙ খুব বিষাক্ত হয়ে থাকে।আর কোনো কোনো ব্যাঙ একটুও বিষাক্ত হয়না।যেমন কুনো ব্যাঙ।ওরা এক বিশেষ সময়ে মুখ দিয়ে এক ধরনের ফসফরাস বের করে।কিছুক্ষণ পর আবার ওটা গিলে নেয়।এই বিষয়টা নিয়ে মানুষের মধ্যে কুসংস্কার আছে। কেউ কেউ এটা বাড়িতে নিয়ে রেখে দেয় ধনসম্পদের আশায়।কিন্তু এটা কদিন পরে নষ্ট হয়ে যায়।এটা করা একটুও ভালো নয়।কারন এতে ব্যাঙটা প্রান হারায়।ব্যাঙ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ছবি:সুস্মিতা দেবনাথ
ঘা|স|ফু|ল
ব্যাঙ মশাই
র.ক্তি.মা.চ.ক্র.ব.র্তী
ব্যাঙ মশাই , ব্যাঙ মশাই
কোথাও তুমি যাও ?
বসে বসে তুমি শুধু
জুকার - জাকার দাও।
তুমি রাত হলে
লাফিয়ে - লাফিয়ে
আমার জুতার ভিতোর ঢুকো,
আর ভোর হলে
আমি যখন পা দেই
তুমি তখন লাফ দিয়ে বের হোও।
দ্বিতীয়য় সংখ্যা দোলনার প্রচ্ছদ :গৌরব ধর
ব্যাঙ
ই.শা.সে.ন
ও সোনা ব্যাঙ ও কোলা ব্যাঙ তুই হাসিস না কেন
নাচিস না কেন খাস না কেন
খাস না কেন সারেগামা পাধানিসা
এইভাবে ডাকিস না কেন ঘ্যাতু ঘ্যাতু কি সুর লাগা
আমায় তো শিখা ভাই।
ব্যাঙের বাড়ি
গৈ.রি.কা.ধ.র
ব্যাঙবাবাজীর মাথায় ছাতা
পাশে আছে কচুর পাতা
পড়ছে বসে দুইটি ছানা
বাইরে যেতে তাদের মানা
ঘরের কাছে ঢোঁড়া সাপ
ব্যাঙ বলছে বাপরে বাপ
ব্যাঙের বৌ খ্যাংরাকাঠি
বলল এসে দিচ্ছি লাঠি।
অ.ন.ন্যা.না.থ
ব্যাঙের কাজ
এক যে ছিলো ব্যাঙ
মারে শুধু ল্যাং
খায় সে চ্যাঙ
নাচে শুধু ঢ্যাঙ ঢ্যাঙ।
গান গায় ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।
ব্যাঙের কাজ
এক ছিল ব্যাঙ
সে ডাকে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।
বললাম আমি তোমার নাম কি ব্যাঙ?
ব্যাঙ বল্ল আমি ফিসফিসে ব্যাঙ।
আমি বললাম তুমি ডাকো যে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর।
ব্যাঙ বল্ল তাহলে আমি ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ব্যাঙ।
তো|মা|র|আ|মা|র|ছ|ড়া
গ্যাঙর গ্যাঙ
নি.য়.তি.রা.য়.ব.র্ম.ন
বর্ষাকালে গ্যাঙর গ্যাঙ ভেকের ডাক
সকাল সন্ধে নেই কোন ফাঁক।
গ্রাম গঞ্জের যত জলাশয়ে
মাথা উঁচিয়ে ঘাড় ফুলিয়ে।
দাদুর দাদুরি আনন্দে আত্মহারা
বংশ বৃদ্ধির পবিত্র অমোঘ ধারা।
যেমন সোনা ব্যাঙ, গেছো ব্যাঙ
তেমন ঘরের কোনের কোনা ব্যাঙ--
সবার চিন্তা অবাক খবর সর্বনাশী
নগর মহানগরে নেই ব্যাঙ রাশি।
উদরায়নে নানা পোকা না করে গোঁসা
তেমনি করে সাবার মশা রক্ত চোষা।
হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশের রুদ্র রোষে
খাদ্য শৃঙ্খল ছিন্ন যে অবশেষে।
ব্যাঙের মাংস নরম সুস্বাদু পুষ্টিকর
আর রোগ নিরাময় অষুধে
কার্যকর।
ব্যাঙের ছড়া
শ্যা.ম.ল.ভ.ট্টা.চা.র্য
হাট্টিমাটিম টিম্ব,
টাট্টু ঘোড়ার ডিম্ব
ফুটে শিংগুলি কই গেলো?
জুটে ব্যাংগুলি অই এলো।
ব্যাং-এর ছাতার তলে,
টাট্টু ঘোড়ার ছেলে,
সরায় কি অই ডিম না?
হাট্টিমাটিম টিম না।
সোনা ব্যাঙ গেছো ব্যাঙ
রা.খা.ল.ম.জু.ম.দা.র
#
গাছে চড়ে গেছো ব্যাঙ
চড়তে চড়তে লম্বা ঠ্যাং,
উঁকি ঝুঁকি এ-ডাল ও-ডাল
ঘ্যাঙর ঘ্যাং সকাল বিকাল।
#
উড়ো ব্যাঙ উড়ে নাকি
না'কি সুরে ঘ্যাং ঘ্যাং ডাকে,
দোলন দোলায় নাচে পাল্কি
পাল্কি নাচে, ব্যাঙ নাচে ফাঁকে।
#
তাঁতির বাড়ি এখন
নয়কো ব্যাঙের বাসা,
জেলেদের বাড়িতেই
কোলা সোনা ব্যাঙের বাসা।
#
মনের সুখে মাছ খায়
তাই-রে নাই-রে গান গায়,
বানের জলে ভাসছে কৈ-মাগুর
কচু পাতায় বৃষ্টি টাপুর টুপুর।
#
আয়রে আমার সোনা ব্যাঙের ছা
ঘ্যাংর ঘ্যাং, ঘ্য্যাঙর ঘ্যাঙর গা',
মাথায় উপর বৃষ্টি টাপুর টুপুর
যা পাবি সবই খাবি, খাবি মিষ্টি দুপুর।
ব্যাঙকে ভালবাসি
ত.প.ন.বা.গ.চী
ব্যাঙের সঙ্গে ঠ্যাং মিলিয়ে
লিখতে পারি ছড়া
কিন্তু তাতে যায় কি ধরা
ছড়ার পরম্পরা?
ব্যাঙের সঙ্গে ল্যাং মিলিয়ে
কাব্য করা যায়
ছন্দ-মিলের টানায় পড়ে
করবা না হায়-হায়!
ব্যাঙের সঙ্গে আর কি মেলে?
ড্যাডাং ড্যাডাং ড্যাং--
ঠাকুরমায়ের ঝুলি থেকে
আসবে যে চ্যাং-ব্যাং।
ঘরের পাশের ডোবায় যে ব্যাঙ
নাকি ডুবিয়ে থাকে,
বৃষ্টি দিনে দল বেঁধে সব
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডাকে।
ব্যাঙকে আমি ভালবাসি
অনেকখানি বেশি
কারণ সে তো পাশেই থাকে
নিকট প্রতিবেশী।
ব্যাঙের ছড়া
প.দ্ম.শ্রী.ম.জু.ম.দা.র
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
ব্যাঙ মেলল ঠ্যাঙ
কোথা থেকে কাঁকড়া এসে
মারল তাকে ল্যাঙ
চারটে পায়ে চিৎপটাং
হাড় ভাঙল মটমটাং
দেখতে এল শিং, পুঁটি, কৈ
মাগুর, চিংড়ি, চ্যাঙ
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।
ব্যাঙ বাবাজী
গো.বি.ন্দ.ধ.র
ব্যাঙবাবাজির পুত্রবধুর
ধরছে দারুণ সর্দি
পুঁটি -মাছ ডাক্তারী পাশ
নয়ন গঞ্জের বদ্যি।
পুঁটিমাছের কম্পাউণ্ডার
গলদা চিংড়িমাছ
ঔষধ বাক্স বয়ে নেওয়া
সারাদিনের কাজ।
ব্যাঙবাবাজী অট্টহাসি
হাসেন একলা বসে
পুত্রবধুর রোগ সারেন
পুঁটি মাছ এসে।
কুনোব্যাঙ বউ সাজে
অ.ম.ল.কা.ন্তি.চ.ন্দ
কুনোব্যাঙ বউ সাজে/অমলকান্তি চন্দ
কুনোব্যাঙ বউ সাজে,
সোনাব্যাঙ মাঠে,
দল বেঁধে ছুটে তারা
হাওরের হাটে।
বলরাম ভাঁড় কাঁধে
গুটি গুটি পায়,
ব্যাঙেদের বিয়ে দেবে
হিজলের গাঁয়।
সানাইয়ের সুর ধরে
ডাকে দূরে কাছে,
তালে তালে রাতভর
সবে মিলে নাচে।
ব্যাঙের বিশ্বরেকর্ড
অ.ভী.ক.কু.মা.র.দে
ব্যাঙের বেটা লাফিয়ে পড়ে দিল্লি থেকে বাড়ি
মাঝ উঠোনে ভেঙে গেছে চুলার উপর হাঁড়ি।
জলের ব্যাঙ স্থলে এলে স্থলের ভিজে মাটি,
তিড়িংবিড়িংমারিং বেটা আজব কথার ঘাঁটি!
সংস্কৃতিতে ভেক ধাড়িটা জাতের বিভীষণ,
জলে ডাঙায় উভয় চরে শোনো কি ভাষণ !
কুনো বুনো গোলাপি হলুদ ধেড়ে ব্যাঙের ছা
আরও আছে রাজ্যে ভরা, কোথায় যাবি যা।
কোস্টারিকা, চিলি, ঘানা, চিনে কি দরকার
হাড় পেট লজিক বলে ব্যাঙের সরকার...
এমন করে লাফিয়ে চলা ঘ্যাঙঘ্যাঙড় ডাক
বিশ্ব বলে বিশ্বরেকর্ড ব্যাঙের নামেই থাক।
ব্যাঙ
গো.পা.ল.চ.ন্দ্র.দা.স
ঘরের কোণে কুনি ব্যাঙ
ককরু ককরু ডাকে
ভূমি কম্পের
আগে জেনো
বাইরে গিয়ে হাঁকে।
সোনা ব্যাঙের বিয়ে হবে
ধেড়ে ব্যাঙের পোলা
হলদে ব্যাঙ
ছাতা ধরে
গিরগিট ধরে কোলা।
গোলাপী ব্যাঙ কণের সাজে
ঘোমটা তুলে চায়
মেছো আলদ
ক্ষুধা নিয়ে
তেড়ে পরে ধায়।
বিষ ব্যাঙের খুব সাহস
ঘাড় ফুলিয়ে যায়
বমের তুড়ি
আগুন দিয়ে
ধরায় সাপের গায়।
ব্যাঙের দেখো লেজ নেই
চারটি মাত্র ঠ্যাং
ব্যাঙ কিন্তু
মানুষ খায়না
মানুষ খায় ব্যাঙ
অ.নু.রা.গ.ভৌ.মি.ক.এ.র. দু.টি.ছ.ড়া
এক যে আছে কোলা।
এক যে আছে কোলা,
গাল দুটো তার ফুলা।
ঘাটের কাছে বসে,
পাতার ছায়ায় ভাসে।
নিরব যখন পাড়া,
সুখে আত্মহারা।
বৃষ্টি যখন পড়ে,
ডাকে ঘ্যাঁ-ঘ্যোঁ করে।
ব্যাঙ ও হাঁস
একটা সবুজ ব্যাঙ,
দুইটা দেখায় ঠ্যাং,
থাকে পুকুর জলে,
ফুটে যখন ভোর,
জেগে যায় পুকুর,
হাঁসটা আসে চলে।
ব্যাঙটা লাফায় ঘাটে,
হাঁসটা সাঁতার কাটে,
জলে উঠে ঢেউ,
ব্যাঙটা বলে হ্যালো,
হাঁসটা বলে ভালো,
শুনছে কেউ কেউ।
গ্যাঙর গ্যাঙর গান
হা.রা.ধ.ন.বৈ.রা.গী
খোকা নামল নাইতে জলে
মোজা রেখে ঝিলের পাড়ে।
ঝাপুর ঝুপুর করছে খোকা
শালুক জলে পুলক স্নান।
দুটো ব্যাঙ ভেতরে ঢুকে
গ্যাঙর গ্যাঙর গান জুড়েছে।
লম্ফ দিয়ে মোজা দুটি
ধরল খোকার কানের ঝুটি।
ব্যাঙের কথা
লিসা বিশ্বাস
ব্যাঙ গুলো সব ডাক ছেড়েছে,
গ্যাঁঙোর গ্যাঁঙোর গ্যাঁঙ,
সুটেট বুটেট হয়ে তারা,
চীনে বারাবে ঠ্যাঙ,
পারি দেবে ভিন দেশে,
একটা বড় গ্যাঙ্,
সেই আনন্দে নাচ ধরেছে,
ড্যাঙ ড্যা ড্যাড্যাঙ ড্যাঙ,
সেখানে পাতে পরবে; সবার,
তাদের মোটা ঠ্যাঙ;
আর; কদর নাকি বড্ড তাদের,
ভাবে বোকা সব ব্যাঙ।।
তৃতীয়বারের মতো
ত্রিপুরার ছড়া উৎসব
আয়োজন
দোলনা
আজ ২৪ অক্টোবর ২০২০
বিকেল ৫টা
সকলেই আমন্ত্রিত।
ধন্যবাদান্তে
গৈরিকা ধর
হালাইমুড়া
কুমারঘাট
যোগাযোগ
স্রোত পরিবার ★হালাইমুড়া★কুমারঘাট★৭৯৯২৬৪★ঊনকোটি★ত্রিপুরা★কথা::৮৭৮৭৪৩৭৫৫৯★হোয়াটসঅ্যাপ:৯৪৩৬১৬৭২৩১
0 মন্তব্যসমূহ