বৈরিতা // জয়দেব সরকার

রাই রঞ্জনার ভজন কীর্তনে,
নিদ্রা মগ্নতায় ছেদ আনে।
শীত শীত কাঁপা পবন
শিহরিত চুলে আনন্দিত মন,
সূর্য দেবতা যতটা হাসে,
মর্ত্তে  তবে কী অভিশাপ আসে?
হঠাৎ মনে আসে,
বৈশাখ- জৈষ্ঠ আম পাকা ভ্যাপসা গরম,
হয়তো আমরাও পাকছি ধীরে ধীরে।
মাঝ দুপুরে মিতালী সুর
অবণী সব কোণে গুড় গুড়।
পবন মলয় বইতে শুরু
তিমির লীলায় চারদিক গুরু,
গোমরা মুখে দাড়িয়ে পারু
দেবদা আসে নি তাই।।।
কী তর্জন, গর্জন, আকাশ ভাঙ্গা প্রহসন,
মহী উড়িয়ে,ধূলি কুড়িয়ে, বায়ু মতি শনশন।
আহ! কী আনন্দ!কী তুফান!
ইট পাটকেল ছুড়ে মারছে,
গরীবালয়ে ভগবান।
আমার এক হাতে রশ্মি,অন্য হাতে বৃষ্টি,
অবাক জগতের খেলা,অপরুপ সৃষ্টি।
গাছের মাথায় ঘরের চাল,
ভাতের হাড়িয় শৈবাল,
এত অনাচার কে দেবে সামাল?
হঠাৎ বিভুর তেজে, মৃত্তিকায় ঘাম আসে,
স্বর্গীয় সুধা পবনের আর্শিবাদে,
পৃথিবীর যত জঞ্জাল সুখে ভাসে
ফের সংসার বাধে আনন্দ উল্লাসে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ