একটা নিকোটিন ইস্তাহার ও ১৮ কোটি আগ্নেয়াস্ত্রের শীৎকার
নিমাই জানা
( এখানে সব মুরগির ব্যবসায়ীরা আততায়ীর মতো গলগন্ড অসুখে ভুগছে )
ক্ষিতীশ বাবু হাসছেন .........
নব গ্ৰহজাত ঈশ্বরের মৃত্যুর পর ঈশ্বর নিজেই আবারো অসংখ্য ঈশ্বরের ব্রহ্মদেব তৈরি করছেন তরল মাটি দিয়ে , শেষ হয়ে যাচ্ছে লক্ষ কোটির আয়ু দৈত্য সকল প্রলয় দুর্ভিক্ষ , কিংকর নাচছেন মায়াবী দ্বীপের ঘোলাটে আঙ্গুল খোলা ঈশ্বরের উর্ণণাভ স্তনগ্রন্থির বিযুক্তি কর্কট দাগের ক্ষত আর উন্মত্ত ঊর্বশীর মূলরোম রেখা ধরে , বমন বিষয়ক কালাচ সাপের গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে একটা উচ্ছিষ্ট মাংসের টুকরোকে কামড়ে খাচ্ছি আমি ও ঈশ্বর , দুজনের দাঁতে বিরুপাক্ষ রক্ত লেগেছিল নিকোটিন ধ্রুব পদের মতো অথচ আমাদের ঋণাত্মক লিঙ্গটি ঝুলছিল কাঁটা তার থেকে।
শেষ রাতের রেতঃস্রাবের উপরে ফনীমনসা বেড়ে উঠছে। আমি কোনমতেই ঈশ্বরের মতো দানবীয় নারীকে আমার সাথে পাপের স্নান করে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজি করাতে পারিনি। আমার মাথার চারপাশে হলুদ রঙের ফুলগুলো গজিয়ে উঠতেই আমাকে ইছামতি নারিটি নিয়ে গেল কৃষ্ণনগরের বৈদুর্য ঘাটে যেখানে শরীরের উপত্যকা গুলোতে বিভিন্ন মরীচিকার হরিণী দৌড়ে বেড়াচ্ছে নিজের আত্মা খাওয়ার জন্য
রুট টু দৈর্ঘ্যের কল্কি আসছেন শাকল্য বংশের হাত ধরে তিনি আসলে রম ও পদ্ম বীজের মতো দুটো স্ত্রী অসুখের শরীর, দাঁড়িয়ে আছেন অপরাজিত অস্ত্রাগারের লৌহ ভাণ্ডার উপাদান যোনি , দীঘল উরু জটায়ু দাঁত নিতম্ব পায়ু প্রদেশ আর মলত্যাগের একটা পরিত্যক্ত কারখানা , আমি ধারালো কোদাল দিয়ে এ পৃথিবীর তরল ঋতু পথের যাতায়াত বন্ধ করছি বদরক্তের সুয়েজ খাল কেটে , কালচিতি পুলের পাশে একটা সিদ্ধান্ত নারী শর্মিলা স্নানের সময় হলুদ রঙের প্লাস্টিক দড়ি বিক্রি করছে অশুদ্ধ আত্মা প্রাপ্ত পুরুষদের জন্য। যাদের দুই হাতে পাপাত্মা আগুনের হৃদযন্ত্র। কালো রুদ্রাক্ষের বীজ। ধুতরো সিলভিয়ান প্লাথ , ভূমিকম্পের মতো খর লবণাক্ত ব্রহ্মাস্ত্রের উলঙ্গ নাবিক , প্যালেস্টানীয় ঘোড়ার খুর , সাদা শবের পিঠ খোলা রৈখিক যাতায়াত , ভেন্টিলেশন সেলিব্রাল ও ৩ মিলিমিটার থ্রম্বোসিসের চাঁদ , রোম শহরের কালো রঙের আবহাওয়াবিদটা কোনদিন হাফপ্যান্ট পড়ে মৃত জৈবনিক হিরন্ময় মাছের বাজারে যেতেন না
(বস্ত্রালয়ের রজনীগন্ধার ব্যবসায়ীটা আত্মহত্যা করেছে গতকাল )
লক্ষ কোটি অতুল ব্রহ্মাণ্ড নক্ষত্রের সুধীর বীজ নেচে বেড়াচ্ছে এক একটা মুলরোমের গোড়ায় কালাজ্বর উষ্ণতা নিয়ে ক্রমশ অসংখ্য নাভিকুন্ডের প্রমেহ রোগ ঢেকে দেওয়ার জন্য একটা মৃত মানুষের এখনই নীল পদ্ম ধর্মান্তরিত শ্মশানের আগুনের উদ্ভিদস্য নেক্রোপলিশ দরকার আছে , তরল পিচ মাথার কৌটায় জমা করছি আমি
চতুর্ভুজ বিকট প্রিজমাকার দৈত্যের গর্ভযন্ত্রের ভেতর দিয়ে একটা হড়হড়ে মাংসপিণ্ড নিচের দিকে মাথা নিচু করে নেমে আসছে জাহাজের মহাকর্ষ অবধি অথচ এখানে কোন গম চাষিরা মাঝরাতের মেরুজ্যোতি না দেখেই নিজে নিজেই বিছানার নিচে আত্মহত্যার শিথিল অঙ্গাণুর শুকনো দাঁত গুলো রেখে গেছে পিত্তথলির এণ্ডোমেট্রোসিসের ননথিকন হলুদ পর্দায় , আমি ঈশ্বরের মতো সারারাত একাই উলঙ্গ থেকে গেছি পৃথিবীর মতো বীভৎস সরাইখানার আঁচের আগুনে
আমি ঞ দৈর্ঘ্যের পীতাম্বর লৌহ জানালা ভেদ করে উদ্বায়ী মৃত আত্মার অশরীরী আগ্নেয় মুখগহ্বরের উন্মত্ত নৃত্য দেখি রাত ২টো ৫৫ মিনিট অবধি যখন ফেরোপেনাম ৩০০ খাওয়া মানুষটার ভেতরে আত্মহত্যার কসাইটা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠে জানালায় লাগানো ঘষা কাচের পারদ চোখের থেকেও কঠিন কর্মঠ সেজে , ভেতর থেকে নেমে আসে পুরোহিতের মরা কার্থেজ কঙ্কাল। আঙুলে শীতের মতো একটা বিশুদ্ধ অন্ধকারের অ্যালিগোস্পার্ম কালো উটের তলপেটে জমা হতে হতে রাসায়নিকের থেকেও আরও উগ্র জোনাকিরা গর্তের মুখে থাকা সাপেদের মতো নৈঋত কোণের ক্ষত্রিয় হয়ে যায়। চারটি তরল মাছ পারদের বোতল ভেঙে পৃথিবীর কক্ষপথে মিশে যেতে চাইছে আমার এ জন্মের জলজ কম্বোডিয়ান সামুদ্রিক বন্দরে ভেসে থাকা জলের থেকে অতি সান্দ্রতাময় মিথুনের পেট্রোতালাগালা গিলোটিন যন্ত্র নিয়ে , আমি একটা কালো রঙের টায়ার জ্বালিয়ে লাফাচ্ছি নিষিদ্ধ সাইরেন বেজে চলি লাল অঞ্চলে
( সন্তানের কাছ থেকে কনট্রাসেপটিক ও জায়ফল লুকিয়ে খাই )
আমাদের হলুদ পেচ্ছাপ জমতে জমতে সবুজ রঙের চারা গাছ গজিয়ে ওঠে দরজার অপর প্রান্তে আমি আবার জননতন্ত্রটাকে দেয়ালের গর্তে ঢুকিয়ে শরীরের সব শুকনো রক্তের মতো ডিসকাশন বর্জ্য নিষ্কাশন করি পৃথিবীর নালায় , পড়ে থাকে অবৈধ শরীরের দূষিত রিপুর গলগণ্ড , ভগ , নির্বীজ নিরাকার অষ্টাদশ শিব চতুর্মুখী , বিশ্বেশ্বর সিমেন্স অ্যানাইলাইসিস , দূষিত রক্ত রাখা সাবানের খোলস আমার গলা কাটা সোয়েটার , হলুদ ফেবিকুইক আঠার শিরশির যৌগিক আমার মুখোশের অর্ধেকটা ভেঙে দিয়েছে হৃদপিন্ডের রক্ত না চুষে খাওয়ার জন্য।
উল্টো মুখের জবজবে খর্বাকৃতি বিতল ঈশ্বর দেয়াল থেকে ফিকফিক করে হাসতে হাসতে আমার জন্মের নাড়িভুঁড়ি নিয়ে একটা কৌটার ভেতরে ঘুমসির মতো শুকাতে দিয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য , বাবার বিছানার কাছে গিয়ে দেখি সেই অনির্দিষ্ট স্নায়ুশব্দের উচ্চ রক্তচাপ , বুকে শুনি সাদা মুদ্রাযোগের সচিত্র সাংখ্য যোগের নাচানাচি , একটা খড়ম পায়ে গলিয়ে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মাপছে ঋষির মতো অন্য কেউ , একটা মাংসের দুপাশে দুটো দাঁত রেখে টানা হেঁচড়া করছি আমি আর বক্সাইট কারখানার ধ্বজভঙ্গ শ্রমিক ,
( আমি পাশা খেলায় হেরে ১৩ হাজার টাকা মিটাই অথবা আমার .....)
এখানে কার্তুজ আর আগ্নেয়াস্ত্রের দোকানটা ঠিক মৃত রাতের দিকে উলঙ্গ হয়ে পা খোলা রেখে সামনের পাল্লাটা খুলে বেদানা বিক্রি করছে।
একটি কালো রঙের পাগল শিউলিপুরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে কনডেমড কার্বাইড পাথর ঈশ্বরকে গরম জলে ডোবানো মুরগীর মাংসের ভাপ ছাড়ানোর পদ্ধতি বলে দেয়। বাঁশি কত প্রকারের হতে পারে পরমহংসদেব তোমার অধরের সাথে গিয়ে একটা মৃত মানুষের দরজা থেকে ফিরে এসো সবুজ শাড়ি পড়ে, আমার সামনে একটা মৃত নারী দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চশস্যের হাইগ্রোমিটার শবাধারের মাছি ওড়া রগরগ মর্গের কালো পাখিটির মতো, একটা চৈতন্য দৈর্ঘ্যের প্রোটনিক অন্ধকারে আমি শুধু মহাজাগতিক বৈসাদৃশ্য ঘোড়াদের দেখি যারা পাইন গাছের ভেতরে এক সরলবর্গীয় মস্তিষ্কের অধাতব বীজগুলো রোপন করে যায় ক্ষুধার্ত পাপের মতো , আমি কোনদিন ক্ষুধার্ত মাছেদের কঙ্কাল খেতে অভ্যস্ত হতে পারিনি,
অথচ ঈশ্বরময় উপাসনা কেন্দ্রটির চতুর্ভুজ বিছানা ছাড়া উষ্ণীশ পশ্চিম গোলার্ধ বলে কিছু নেই উলঙ্গ হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ আমার মতো একটা আত্মার সাড়ে-৮৮ খন্ডের ১/৩ অপ্রকৃত ভগ্নাংশের চরমতম পাপ , নোংরা পাজামা থেকে আমারই পচে যাওয়া দুর্গন্ধ মাংস পিন্ডের গন্ধ ভেসে আসছে ক্ষয়াটে খেয়াঘাটে আমার দুটো পা টেনে দুটো খন্ড করে জীবন্ত জবাই করছে নদীর বিপদ সীমা মাপার স্কেল , ১০ টাকা একটি কবিতার মতো জরায়ু যাকে নিয়ে প্রতিদিন ক্যান্সারের জীবাণুময় রস খাচ্ছি নারীটির অস্ট্রেলিয়ান স্তনে দুই হাত দিয়ে ফাসির দড়ির মতো ঝুলে ঝুলে ,
( রাতের বেলা নপুংসক মনে হলে ৫ এম এল ফেনসিডিল কফের ওষুধ ছাড়া আর কোন নিরাময় নেই )
আমি শব ব্যবচ্ছেদের ইশতেহার শুনে শুটকি মাছের মতো মৃতদেহকে অ্যাম্বুলেন্সের পেছন বগিতে তুলতে দেখেছি , ভয়ে ভয়ে সন্ধ্যের দিকে বাড়ি ফিরে আসি খুনির মতো। ছেলেকে উদ্বিগ্ন কমানোর জন্য ডঃ কান্ডারকে দেখাই , ছেলেটিও মৃত মানুষদের আত্মীয় আর পেছনের স্ট্রেচারটা দেখতে চেয়েছিল। ঘড়িতে কেন নটা ১৫ বার বার আসে পালঙ্কে শুয়ে থাকা অপরাধীদের পিঠে লুকানো ছুরিটার ক্ষত দাগের মতো। মায়ের মাটির চিৎ অবয়ব পায়ের কাছে সাদা সরিষা ছড়িয়ে রাখি যজ্ঞ শেষ করে ,
দ্যাখো প্রমিশ , সুবর্ণরেখার ও রক্ত বমি পেয়েছে আজকাল দিকশূন্য ঈগলটা মাদকাসক্ত ভঙ্গিমায় আলোর নক্ষত্রের রগরগ ঠোঁটের অধর রাসলীলা খেতে চাইছে স্বৈরতন্ত্রের মতো।
বর্গক্ষেত্রে প্রতিবিম্বের থেকেও আরো রক্তাক্ত হলুদ রঙের শাল গাছের আঠা দিয়ে এ পৃথিবীর নিকোটিন নিয়ামক শরীরী গন্ধের অপ্রাপ্তবয়স্কেরা আয়ু এঁকে দিচ্ছ কান্নার ভেজা পায়ুরস ছাড়াই আমি শুধু বালির ভেতরে শুয়ে থাকা একটা কালো রঙের সাপ
ঈশ্বরের ন্যাকামো দেখি প্রতিদিন, হিমায়িত ঘরের ভেতরে আলকাতরা পোড়াই আমি কালো রুমালটা মুখের ওপর থেকে খুলে রেখে দুর্গন্ধ ফিনাইল জলের ঝাপটা দেই চোখে মুখে , রাস্তার ধারে পুড়তে থাকে বিদেশি মুরগির পাকস্থলী শুকনো পালকের রস আর ডিমের খোল, দোকানে ভিড় করে সবাই দাঁড়ায় কুকুরের খাবারের উচ্ছিষ্ট কেনার জন্য , অথচ কুকুরটা অরুন্ধতী যোগের মহাপ্রস্থান চাইছে পীতাম্বর গান্ধারীর উন্মত্ত হস্তিনাপুর থেকে
( মাঝে মাঝে নিজের দেহ থেকে শুটকি মাছের গন্ধ বেরানো ভালো )
আমি জাহান্নামের আগুনের অনেক নিচে থাকা হাঙরের মতো নিচু হয়ে আলমারির তলা থেকে বের করে নিয়ে আসি মৌর্য বংশের শেষ কপাটিকা। নীল বাতাস , সুগন্ধ যৌন বীজ , রক্তের মৃদু আবর্তন ও শুক্ল পক্ষ তিথি এখনই ৪৯ মরুৎ আমার সাথে ভগ্নাংশ খাবে মাছের গায়ে লেগে থাকা বরফ দানার মতো , অথচ আমার হাতের লাইটারটা কোন মতেই জ্বলল না চক্রাকার সাপের বিষ্ঠা ও ঈশ্বর খেতে চাইছে , আমি সারারাত একটা ভয়ংকর রেতস্খলন কলোনির স্বপ্ন দেখে আঁৎকে উঠি গভীর রাতের নন অ্যাক্রিফায়েড ইন্সুলেটেড দরজা গুলো বন্ধ করে ভয় আটকাচ্ছে অথচ শিশির পড়ে পড়ে ক্রমশ অঙ্কুরিত হয়ে উঠছে একটা নির্জনে হেঁটে যাওয়া পুরুষ মানুষের শেকড়ের বীজ আমি ক্ষত্রিয়দের ঈশ্বর আর দুর্ধর্ষ নারকেল পাতায় ঢাকা একটা নিষিদ্ধ তথাগতের রসাতল , এখানে নিজের মাংস খুব কম দামেই বিক্রি হচ্ছে
এই প্রথম মৃত্যুর পলিসিস্টিক ওভারিয়ান অ্যাবসেস খুঁজে পেলাম ননস্টেরিডিয়াল আল্ট্রা সাউন্ড করে এক্সপার্ট ভ্যানিলা গন্ধর্বের রেডিওলজিস্টটা আমার তলপেটের চারপাশে উবু হয়ে বসে মেপে নিচ্ছে তরুণাস্থির মাপ , কালো কমন্ডুল লাল তিলক আর সুমেরুর ভীষ্মপ্রদেশ, একটু পুঁজ আর তরল রক্ত জমছে অনাদি সন্তানদের ঘা মুখে , সন্তানদের শিরদাঁড়া চওড়া হয়ে যাচ্ছে লন্ঠনটির মতো যেগুলো জঙ্গলের উৎসারিত অগ্নিশলাকায় উড়তে থাকা অনন্ত আয়ুখন্ডের পিশাচ দাঁতের থেকেও লোহিত বর্ণের কোনো উচ্চকিত আগুনের রেখা ধরে বিলীন হয়ে যাওয়া জাহাজেরা বরফ গলিয়ে মাঝ রাতের জন্য ধমনী তন্ত্রের মাংসাশী হয়ে উঠছে ,
মূলাধারে তেত্রিশটা বাদামী চন্দনের তিলক রেখে দেওয়ার পর কেঁচোরা তুলো ভর্তি শ্বাসকষ্টের সোরিয়াসিস থেকে বেরিয়ে এসে অনন্ত আদিম মৎস্যজীবীদের মতো আরো একবার দড়ি ধরে ঝুলতে ঝুলতে মহাশূন্যের ওপারের খড়ম বিক্রেতার আসবাব পেইন্টিং করবে শল্কমোচনের ৪২ দৈর্ঘ্যের অন্তর্বাস খুলে রেখে
( হিরোশিমা , খালি সেন্টের বোতল , ভেজা পাজামা এদের কোন রাসায়নিক সংকেত নেই )
শুধু যকৃত ব্যবসায়ীটা শিফন শাড়িতে অ্যাক্রেলিক তুলির খাঁজে খাঁজে ক্ষতবিক্ষত করেছে থার্মোকলের পাকরস , পাচার করে দেওয়া হৃদপিন্ডের টুকরোটাই আমি সারারাত জমাট মদের আগুন জ্বালিয়ে জ্বালিয়ে তামাটে ক্ষয়রোগ মেশাই , ১০ টাকার গর্ভনিরোধক উপাদান নিয়ে মাঝরাতে উধাও হয়ে যাওয়ার মন্ত্রশক্তি কিনে সকলেই আলো নিভিয়ে চুপচাপ কথা বলে স্বৈরাচারীর মতো। দু হাতে লেগে থাকে তরল সর্দি , পোতাশ্রয়ের মাদকাসক্ত কান্না , চাঁদের আয়ুষ্কাল শ্লীলতাহানি , বস্ত্রালয়ের পেছনের দরজা , রজস্বলার হাড় , দধীচির অসংলগ্ন কথাবার্তা আর কালো কোকের গ্লাস, পিচ আলকাতরার ব্যসাসন , সবুজ গন্ধ আর হড়হড়ে ডিম ভাঙ্গা আর মিসিসিপির চুম্বকীয় আর্তনাদ শুধু এলইডি'র ভেপার ল্যাম্প গুলো মুখ ঢাকা দিয়ে হাইড্রেনে নিজের ভস্মীভূত নিজের সাদা ছাইয়ের ছায়াকে নিজেই চটকাতে থাকি দুই হাত দিয়ে ,
আমি একটা তৃতীয় পুরুষের অনৈচ্ছিক সর্বনাম পদ যার তৃতীয় নামবীজটা কালো রঙের উনুন থেকে ফিরে এসে সক্রিয় ধাতুর আলমারি থেকে নিজের প্লাস্টিক কোটেড মূর্তি বের করে
নক্ষত্রহীন আলমারির টেস্ট অপারেটটিভ বর্তুলাকার ড্রয়ার থেকে নেমে আসে আরো একটা বৈমাত্রেয় ঈশ্বর, কাটা মাথা নিয়ে গলাকাটা জামা পরে নিচ্ছে ধুপের উচ্ছিষ্ট ছাইয়ের যজ্ঞের অতি খর্বাকৃতি শিবের নিকৃষ্টতম ভগ্নাংশ আমি দুই হাতে ফ্যালোপিয়ানের শেষ দাঁত টুকু ছিঁড়ে একটা রাক্ষসের অধাতব কাশ্যপ ঢুকিয়ে দিচ্ছি লোহার ছুরি দিয়ে , ১৮ লক্ষ কোটি মুর্ধা বরাবর শরীরী রাজহাঁস গজিয়ে ওঠে , আজকাল অসংখ্য নন অরগেস্টিক দেহকোষের মাংসপিন্ডে পচে যাওয়া দুর্গন্ধের মাছিগুলো আমার খাদ্যনালীতে বাসা বেধেছে ভ্যানিলা গন্ধের দুর্গন্ধ স্রাবগুলো আমাকেই ধরে ধরে খাওয়াবে বলে , দেহের পচে যাওয়া পুঁজ রক্তের নিকোটিন আর মাথার বদ রক্তকে একা একা তরল চামচিকার মতো খেতে খুব সুস্বাদু লাগে ,
( তিনবার ঈশ্বরকে বলেছি আমার মৃত্যুর আগে কোন ভাওয়েলটা খুব প্রয়োজন ছিল )
বারিক নার্সিংহোমের পাশে শ্যাওলা মেশানো স্ত্রীলিঙ্গ চায়ের দোকানে আমি আজকাল পেচ্ছাপ ভর্তি করার সাদা কৌটা কিনতে যাই নিম্নাঙ্গ আলগা করে , কুয়াশার মতো মৃত্যু ভয় ও শেষ হয়ে গেল আদ্ধ শ্রাদ্ধাদির পর , প্রতিটি গ্যাসট্রোএন্ট্রোলজিস্ট হিলিয়াম ভর্তি পৃথিবীর ঢাকনা খুলে রেখে নিজেই উনুনের সিজারিয়ান শিরদাঁড়ায় চেপে বসে ,আমি অহেতুক বিকলাঙ্গ দূরীকরণর ঔষধ খাই , সাদা ফসফরাস জ্বালাই পায়ের গোড়ায়
কালো রঙের সালোয়ার কামিজের নারীটা একটা লরির ড্রাইভারের কাছে এসে রাংতা মোড়ানো কিছু বিক্রি করে যাচ্ছে এখানে নাকি মেনজুয়েল আতর ফ্লুরোসেন্ট এক্সক্লেভেটরের দাঁতগুলো বড় চওড়া করে দেওয়ার খনিজ গর্ত থাকে, সাদা রঙের কুকুরটা মাঝরাতেই গর্ভপাতের লাল ড্রাগন ফল চিবানোর থার্মাল আয়োনাইজেশন শিখেছে , শুধু কালো আঙ্গুরের মতো টকটকে জিহ্বার নিচে একটা লবণের কারখানা থেকে বিষাক্ত সরীসৃপের গন্ধ ভেসে আসছে ,
সব ঈশ্বর কণিকা গুলোকে রাতের পোড়া পোড়া মাংস ঠোঁটের দূরত্ব পুরুষের কিশোরী নগ্ন লিঙ্গবর্ধক ঔষধি মনে হয় আমি শুধু একটা দ্বাপর পেরিয়ে শাকল্যের অপেক্ষায় থাকি রোঁয়া ওঠা বুকের কাছে স্লিভলেস দুটো বাঘ বাঁধা আছে। জানালা দিয়ে ঢুকে যায় ব্যাঙাচির মতো জন্মরোগ
( পৃথিবীতে মা ছাড়া এতবার কেউ উলঙ্গ হয়নি )
লেগিন্স কাটিং দুটো সিফন পাখি পাতলা ফিনফিনে ধূসর বালি দানা পিছিলে যাচ্ছে সমুদ্র তরঙ্গের মতো। এত হলুদ নদীর উপত্যকা কোথাও দেখিনি জমাট ময়ূরভঞ্জ পোতাশ্রয় ছাড়া,
যেখানে জমাট গম চাষি গুলো আত্মহত্যার পরে পাহাড়ের উলঙ্গ খাঁজ থেকে নেমে এসে দুই হাতে জলপাই রঙের পিচ্ছিল মৃত্যুর সরোবর খুঁজে বেড়ায়। অন্তর্বাস ক্রমশ পাথর হতে হতে নৌকার নগ্ন ফুসফুসীয় ধমনী কোনদিন খুঁজে পেল না।
আন্ডারওয়ারের ফিতেটুকুর পাশে সাদা নদীর দাগ পড়ে আছে পরীটির দুপাশে দুটো ডানা নখ দিয়ে আঙ্গুলগুলো কেটে ফেলছে। এই সমুদ্রের পাশে শুধু বিকিনি আর ডুবুরিদের ভিড়। উত্তল লেন্সের ডানা। ব্রায়ের হুকের মতো যক্ষা রোগ শুভ আছে হাসপাতালের স্যালাইন ভর্তি সেবিকাটার নগ্ন ছুরির মতো , আমার অন্ডকোষের দুটো বীজ কেটে দিলেন প্যাথোলজিষ্টের ডরমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট, শুকিয়ে যাচ্ছে মিউসিলেজ রক্ত দিয়ে তৈরি রাত্রিকালীন পোশাকের মতো উদ্ভিদের নাম ও দৃশ্য এখানে উর্বর পাথরের কোষ লাল মাটি গৈরিক ঈশ্বর সন্ন্যাসিনী যোগকলা কোষ দীর্ঘ নখের বিবর্ণ তামাটে ক্ষয়রোগ , গ্ৰ্যাভিটি ডট ইন , শুন্যস্থান গণিত আমার ফটোগ্রাফটির উপর কেউ সাদা ক্লেদের হিম ফনা রেখে যায়, ঘুম ছাড়া পৃথিবীতে আদিম পিতা নেই যে ঘুম দিয়ে উত্তেজক করে তোলে , মহাত্মাটি পরাশরের যৌনরোগ খেতে চাইছে দধীচীর তৃতীয় বার চন্দন সুগন্ধি আকণ্ঠ পান করার পর
( মেসেঞ্জার চ্যাটিং , হোয়াটসঅ্যাপ কল , হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ , কলার ভয়েস চেকিং কখনোই রিকভার হওয়া উচিত নয় )
ঈশ্বরের ইউটার্ন নাভিটি জ্যোতির্ময় মুখ 'আ 'চিহ্নের নখের পাশে প্যালেস্টানীয় ইমারজেন্সি কণ্ট্রাসেপটিক ওষুধের দোকান যেগুলোতে সারারাত নর্তক দৃশ্য চলে একটা অলংকার চকচক করছে স্নায়ু তরঙ্গের একেকটি গর্ভস্থানের মতো , চাঁদ ছাড়া আর কিছুই উর্বর অনিষিক্ত ব্রহ্মপুত্র নেই আমার গলার ছত্রাক মেশানো অষ্টবসু সাগরে
মৃতদেহের জননাঙ্গ ফাটছে বাঁশের গিঁটের মতো ,
কালো রঙের উচ্ছিষ্ট ভর্তি পিপেট , হাসপাতালের ডিস্পোভ্যান ভর্তি সূচের ব্যাগ , জমা হলদে মূত্রথলি আর গর্ভহত্যার ছোট ছোট শিশুদের এক একটা মাথার খন্ড , সব পিশাচেরা মাঝরাত্রিতে একটা টেবিলের চারপাশে বসে বসে নিজেদের মাথার খুলি গুলোই কামড়ে কামড়ে খাচ্ছে। উঁকি দিচ্ছে তরুণ খিদে মাছের কাঁটার ভিতর থেকে হরিণ মনসার ঝোপ আর বিদগ্ধ ঈশ্বরের মতো চেয়ে দেখছে একটা বালিচড়ার জিরাফ যারা শুক্রানুর স্বল্পতার কারণে দীর্ঘ গলা দিয়ে দেবদারুর বীজ খায়
সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতম হতে হতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে স্রোতের ভেতরে থাকা পরমহংস নারদীয় মুহূর্তের হিরণ্যকোষ , ঝুলে আছে নিউক্লিয়ার টেস্ট , পাউচ অফ ডগলাস একটু নিখুঁত মেজারমেন্ট আয়রন ভাঙ্গা একটা লেনিনের মূর্তি , কতবার জন্মেছো ফিদেল কাস্ত্রো ফায়ার ব্রিগেডের কাছে ?
( পৃথিবীর ধনী ব্যবসায়ীটা হল ফল ব্যবসায়ীর কান্না ও কারাদণ্ড)
ওয়াক থু !!!!
পিতলের পিস্তলের কক আর ট্রিগার একটু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দিকে আমার আগ্নেয়াস্ত্র নেমে যাচ্ছে RBIM 1009 , প্রস্তুত ছিল আমার মৃত্যু রোগ , জঙ্ঘা ,ঞ রঙের ঠ্যাং , পেলভিক পাশ ফরমেশন
সারা রাতে তেরোবার প্রস্রাবের জন্য কাদা নরম মাটির ভেতরে ঢুকে আমি অশ্লীল ইস্পাতের পাহাড় খুঁজছিলাম যেটা আমার মাথার ভেতরে সোভিয়েত হতে চাইছে , কম্পিউটার সিস্টেম টার্বোজেনারেটর , হিলিয়াম দাঁত আগুন খাদক আমার টেস্টিস কিছু টেকনিক্যাল ফল্ট এটা তরল পাইপ দিয়ে আমার নিঝুম রাত্রির একা নির্জন সাদা দানা গুলো ফু্ৎকারে নৃতত্ত্ব খাদক হতে চাইছে অথচ আমি নিজেই নিজের হার্ডওয়্যার বিক্রেতা ,
একটা ৪৯ মরুৎ দেশের ঋতজিৎ দৈর্ঘ্যের বৃন্দাবন হবে দক্ষ ? সারারাত কাঠের ছুরি চালিয়ে তারক নামের রজনীগন্ধা ব্যবসায়ীটাকে হত্যা করব যে অনিত্যসুরে অদিতির তৃতীয় গর্ভধান কক্ষটিকে ছুঁড়ে দেবে আলোক শূন্য কোন ইস্তাহার দ্রাবক মহাসাগরের অতলে আমি শুধু কন্ঠনালী বন্ধ করা দ্বাররক্ষীর প্রপিতামহ
সেই কুকুরটাকে আজ বড় দরকার যে আমার মুখের ভেতরে থাকা উচ্ছিষ্ট গুলোকে খেয়ে নেওয়ার পর আমার চেরা জিবটার উপর লকলক করে লালা রস ফেলতে ফেলতে জিজ্ঞেস করেছিল গত রাতের বাসি মাংস গুলো কত নম্বর আয়রন চেম্বারে রাখা আছে ? সাদা পাঞ্জাবিটা থেকে লাল রক্তের কার্সিজোনিক কসাইটা বেরিয়ে সারা গায়ে কার্বলিক মেশানো নিয়োস্পোরিন এইচ মাখছে
( ধোঁয়া একটা জনৈক গণ্ডমূর্খ অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউনের উদাহরণ )
0 মন্তব্যসমূহ