বাপী ভট্টাচার্য
খলিফার সুতোহীন কথকতা
বলছি ডাকবো আঙুল ধরে
পিতা এবার হাত দিয়েছে গাছে
শুধু চলছি নির্জনে।
এখন সে গৃহে ধরেছে আঙুল
নদী পারে যাই,
নিঝুম মেয়ের রান্নাবান্না খেতে।
কোন কিছু নেই
মেঘরাতে খ্যাপা পাগলী টেনে নিচ্ছে না
টিকিটের দফাওয়ালি ভরে যাচ্ছে দুনিয়া
নখরা ভুলে গেছে একদিন দেখলাম
পিছু পিছু সে যাই হোক
একগাছে নানা রঙের হুল ছিল
দেখি দেখেছি এক স্বপক্ষে কিশোরী
হাঁটছে যা যা দেখা যায়
মানুষ যেমন দেখে
বুলবুলি নাকি গোধূলির দেশে
চলে গেছে,
মোরগ ফুলটি সকাল বিকেল দেখে
ভেতরে ভেতরে গোঙায়
চলে গেছে
জোছনার কৌরব হাট্টাকাট্টা দুই সেনা
তারপর রক্ত ছলকে গেছে।
জিন্ন কায় হয়ে মেঘ নারী ছিড়ে গোলাপ
যেমন ফুটে, ঈষাপরান মহি আলাপ চলে
প্রজন্মের সংযোজিত রথে পরাগ কুমারী
কানামাছি খেলে দগদগে ঘা হাতে
মেধা প্রসূত নিটোল প্রেম তাল পাতার
পুঁথি শূন্যে ডানা মেলে উড়ে গেছে
চলে আসি
নগ্নতা মেশানো কালক্ষেপ মুদ্রিত
পালক
চিতাঅরণ্য, মৃত্যুর একদিন হলে
রেখে যেও কবন্ধ
লৌহ গারদে
উপকথার সমস্ত বর্ণলিপি জলে
ধুয়ে গেছে
পীড়িত সন্তান
মৃত্যুর একদিন হলে
বাবা শূন্যে যায়
নেই নেই চন্দন বিধি
ভেষজ ফুল
একা হয় সম্ভবত একটু একা।
কোন ও গোলাপ নয়
যেমন ছিড়ে ফেলে দিতে পারি
পাপড়ির ভেতরে ফুলের পরাগ
আমার বাগানে কোন ফুল নেই
ফুলের সৌরভ
আমাদের সবার বাগানে একটি করে
কাগজের ফুল ফুঁটে
নিদ্রিষ্ট ফুল, যার যার কাছে থাকে
এই ফুলের কোন পরাগ নেই
এই ফুল অন্ধকারে দেখা যায়
তারপর একা হয় মনে হয়
মনুষ্য না
ফুল হয়ে জন্মাব আবার
ঐশ্বর্য মৃগমাসে
হলুদ সবুজ নীল লাল বেগুনি
জানি যা কিছু বেড়াল
নির্জন মাসে মাস হলে মুথাঘাস
জল শুকিয়ে গেছে মাসে মাস।
গড়িয়ে একটু নড়ে চড়ে বসে
প্রিয় কলমে খুঁচিয়েছে বেচারার মন
মায়াময় হয়ে হাসপাতালে তুলতুলে
বিছানায় কল্প নীলপদ্মে বেবা
কান্না কুচকাওয়াজ করে
পাথুরে বেচারা চপ্পল হাতে
চলে আসে
যা আমি লিখতে চাই না
অদ্ভুত বিষ মাসে মনোযোগী হও
উড়ে যায়
হত্যা করি এত হত্যা পর
গুনগুনিয়ে ওঠে এত কোন প্রেম নয়
যে দিকেই উড়ে যায় দ্যাখে
গোপন করে, আছড়ায় লেজ
গুপ্ত প্রদীপের নীচে
শুধুই গুপ্ত প্রদীপের নীচে।
সারাদিন পাড়ায় পাড়ায়
গেরস্তের খুকি পাড়ায় পাড়ায়
আধপাকা অন্ধকার সইতে পারে না
এবার কোথায় যাবে
আমার বারুদ আপেল কিছু নেই
যা দিতে পারি। নিয়ে যায়
হঠাৎ অর্জুনের বনে
লন্ঠন হয়ে যায় মন
যেমন ঘুমায় সু সময়ে ফিরে যেতে চায়
ওদের মারে অন্ধ দ্বন্দ্ব গল্প গাছা করে
খুনসুটি করে দোষ দেয়
সইতে পারে না
গেরস্তের হানি হলে
কাঁদি ....
অন্ধকারে বড়ি খায় আত্মগোপন করে
যেমন তেমন।
গন্ধহীন সাবান হলে বৃক্ষতলে দাঁড়ায় পুরুষ
প্রতিমাসে জল আসে কিছুতে আসে না সারস
ছুঁড়ে বিজলির আলিশান
ছায়াঘেরা দেশ
মৎস্য কন্যা হাঁটে
এবার ছোট হও অশ্ব বড় জোর
কুশীলব কাটে,
মাঝে সেই
সেই পাঁচালীর কথা
আর নেই
স্বাভাবিক ভরদুপুর বিষম বেড়াল
চলে যায়
ছোট অশ্ব ছোট বিল্লি
খলিফার সুতোহীন কথকতা
মনে পড়ে
মনে পড়ে
আদ্যিকালের অস্তগামী
রূপালি ঢেউ
স্তব্ধতা গভীর হলে প্রসূতির কান্না
মনে পড়ে চুমাই চন্ডাল।
রুটি রুজির নমুনা,
রোগের দাওয়াই
এ ভুত জম দূত, মাচের গরম
পাশ বালিশ পতঙ্গ ঘর
সামান্য কথা।
একেক দিন একেক রকম
কেউ ছদ্মবেশী
কেউ জাতক।
স্বহস্তে দান করেছ বস্তু
অনায়াসে জঠর
হত্যা করে। অপরাধী
ফেলে চলে যায়
ছায়াচিতায়।
0 মন্তব্যসমূহ