খোঁজ
রাধা দত্ত
কলতলায় বাসন মাজতে মাজতে হাত থেমে যায় নমিতার, আবার পেটে চিনচিনে ব্যাথাটা ফিরে এসেছে, কেন যে কাল থেকে পেটে ব্যথা হচ্ছে বুঝতে পারছে না, আগের বারে তো এমন হয়নি। ছুটি নিয়ে যে হাসপাতালে যাবে সেটাও সম্ভব নয়, আজকে এবাড়ির মেয়ের আশীর্বাদ, বৌদি কাল পইপই করে বলে দিয়েছে তাড়াতাড়ি আসতে তাই প্রায় রাত থাকতেই উঠে রান্না বান্না সেরে ছেলে কে ঘুম থেকে তুলে দুধ বিস্কুট খাইয়ে পড়তে বসিয়ে এসেছে।বাপ্ টা তো থেকেও নেই,রাতে আকন্ঠ মদ গিলে বেলা অব্দি পড়ে পড়ে ঘুমোবে । ছেলেটা কি করছে কে জানে? অন্যান্য দিন কাজ সেরে সাড়ে দশটা নাগাদ বাড়ি চলে যেতে পারে নমিতা, কিন্তু আজ তো সারাদিন থাকতে বলেছে বৌদি, অবশ্য ছেলেকে নিয়ে দুপুরে খেতে ও বলেছে, কাজের ফাঁকে একবার বাড়িতে গিয়ে স্নান সেরে ছেলেকে নিয়ে আসতে হবে।আজ অবশ্য একটা বাঁচোয়া, রান্না করতে হবে না। অনুষ্ঠানের জন্য রান্নার ঠাকুর আসবে, তবু চা টিফিন তো করতেই হবে। তাড়াতাড়ি হাত চালাতে চেষ্টা করে নমিতা , কিন্তু ব্যথাটা স্বস্তি দিচ্ছে না ওকে। মনে মনে ঈশ্বরকে ডাকে নমিতা, বৌদি কতো ভরসা করে ওকে।আর ওদের একমাত্র মেয়ের বিয়ে কুলিয়ে দিতে পারবে না নমিতা?
-- এ্যাই নমিতা ,তোর বাসন মাজা শেষ হলো?ঘর ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল তাড়াতাড়ি সময় বেশি বাকি নেই রে !
কোনমতে বাসন গুলো ধুয়ে, ঘর ঝাঁট দিতে আসে। পার্লার থেকে লোক এসেছে কনে সাজাতে, নমিতা সেদিকে আড় চোখে তাকাতে তাকাতে ঝাঁট দিতে থাকে। অনেক জাঁকজমক করে বিয়ে দিচ্ছে দাদা-বৌদি,
কোন কিছুতেই ত্রূটি রাখছে না।
নিজের বিয়ের কথা মনে পড়ে যায় নমিতার,মা-বাপ হারা মেয়ের দায়িত্ব এড়াতে পনের বছর বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয় ওর মামা। নমিতার যেমন মা বাবা নেই তেমনি ওর বর কমলের ও কেউ নেই তিনকূলে। মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিয়েছিল মামা। বাউন্ডুলে কমলের স্থায়ী কোন ঠিকানা ছিল না,বিয়ের পর থেকে এখানে ওখানে ঘুরতে ঘুরতে এখন এই পাড়ায় ঘর ভাড়া করেছে। রাজমিস্ত্রির যোগাড়ের কাজ করে কমল, রোজগার ও মন্দ নয় কিন্তু মদের নেশায় রোজগারের সিংহভাগ খরচ করে ফেলে। তাই তো বাধ্য হয়ে কাজে নেমেছে নমিতা। ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার ইচ্ছে ওর,নিজে তো টিপছাপ,কমলও তাই, ছেলে টা যদি একটু লেখাপড়া শিখতে পারে। তাছাড়া নমিতার অনিচ্ছা সত্ত্বেও নতুন সদস্য আসতে চলেছে সংসারে। ,কি যে হবে আগামী দিনে ! বেশি ভাবতে পারে না নমিতা, সংসারে আরেকটা পেট বাড়ছে কিন্তু রোজগার বাড়ানোর উপায় আপাতত জানা নেই নমিতার। কাল বিয়ে বাড়ীতে সবাই বলাবলি করছিল কি একটা রোগ নাকি ছড়াচ্ছে সারা দেশে, এজন্য সব বন্ধ হয়ে যাবে।লকডাউন না কি যেন হবে, এই শব্দ টা ওর কাছে নতুন।ভালোয় ভালোয় বিয়ে টা মিটে গেলেই হয়।,
# হাসপাতালে ঢুকে অবাক হলো নমিতা, সবার মুখ ঢাকা, গম্ভীর হয়ে কাজ করছে সবাই। ধীরে ধীরে হেঁটে প্রসূতি বিভাগের সামনে গিয়ে দাড়ায় নমিতা ,আজ তো তেমন লোকজন ও নেই। হঠাৎ একজন সিস্টার ওকে দেখতে পেয়ে খেঁকিয়ে উঠলো,-'এ্যই মেয়ে মুখে মাস্ক নেই কেন?'
চমকে উঠে নমিতা মুখে আঁচল চাপা দেয়।
--শোন রোগটার নাম করোনা, খুব সাংঘাতিক রোগ , এ তোমার ভাসুর ঠাকুর নয় যে ঘোমটার আড়ালে মুখ লুকোবে।
ধমক দিলেও সিস্টার কে ভালো মানুষ বলেই মনে হচ্ছে, ঘরের ভেতর ডেকে নিয়ে একটা মাস্ক বের করে দেয়। তারপর ডাক্তার দিদির কাছে নমিতা কে পরীক্ষার জন্য নিয়ে গেল।।
-কতদিন হলো মাসিক বন্ধ? গম্ভীর মুখে বলে ডাক্তার দিদি।
-আজ্ঞে আড়াইমাস।
,মা হতে চলেছেন আপনি, আগে মা হয়েছেন?
-এক ছেলে আছে।
-ঠিক আছে, এই কার্ড নিয়ে যান, যত্ন করে রাখবেন, মাসে একবার এসে পরীক্ষা করিয়ে যাবেন।আর এই টেস্ট গুলো করিয়ে নিয়ে আমাকে দেখিয়ে যাবেন।
-কাগজটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে নমিতা।ওর আমতা আমতা ভাব দেখে ডাক্তার দিদি বলে -কিছু বলবে?
-না মানে এই পরীক্ষা গুলান করতে কত টেকা লাগব?
- কেন তোমার স্বাস্থ্য বীমার কার্ড নেই?।
নমিতা কথা না বলে বেরিয়ে আসে, কথা বাড়ালেই এক কথায় আরো কথা বেরিয়ে আসে।
বস্তির সবাই যখন স্বাস্থ্য বীমার কার্ড করার জন্য ছবি তুলতে যাচ্ছিল তখন নমিতা ও গিয়েছিল কিন্তু
ওদের বস্তির নেত্রী বাসন্তীদি বলল --তোরার ভোটার কার্ড কৈ? কার্ড না থাকলে হৈতো না।
এরকম ভাবে অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কমল-নমিতা। কমলের অবশ্য কোন হেলদোল নেই, মানুষ টা যে কি দিয়ে গড়া বুঝতে পারেনা নমিতা। শুধু গাধার মতো খাটতে পারে আর রাতে মদ গিলে এসে নাক ডাকিয়ে ঘুমোবে। বিয়ের পর জোর করে নিয়ে গিয়ে আধার কার্ড করিয়ে ছিল। নাহলে আরো বিপদ হতো।
## আজ কতো দিন হয়ে গেলো নমিতা-কমল কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।লকডাউন শুরু হয়ে গেছে। যেটুকু সঞ্চয় ছিল নিঃশেষ হতে চলেছে, ছেলেটার মুখে ফ্যান ভাতের বেশি কিছু দিতে পারছে না নমিতা, বস্তির অন্য লোকের কাছে শুনেছে সরকার থেকে বিনামূল্যে চাল ডাল দিচ্ছে, কিন্তু রেশন কার্ড ছাড়া তো কিছুই দেবে না, তাছাড়া যদি জানাজানি হয়ে যায় ওদের ভোটার কার্ড নেই তাহলে তো আরও বিপদ। এমনিতেই বস্তির দুএকজন ওদের বাংলাদেশী বলে খোঁচা দেয়। কিন্তু নমিতা কেন ওর বাবাও কোন দিন বাংলাদেশ দেখে নি। অথচ নমিতা যতোবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার চেষ্টা করেছে , ততবার কাগজ পত্র না থাকার অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে আবেদন। কোন শৈশবে মা বাবা দুজনেই নমিতাকে ছেড়ে চলে গেছে, ওদের মুখের ছবিও ধীরে ধীরে স্মৃতিতে ঝাপসা হতে চলেছে।গ্রামে ওদের অবস্থা নেহাৎ খারাপ ছিল না। গ্রামের বাড়ির দু একটা দৃশ্য এখনো চোখ বন্ধ করে মনে করতে পারে নমিতা,বাবা ধান মাড়াই করছে উঠোনে,মা উঠোনের এক পাশে চুলায় ধান সেদ্ধ করছে , নমিতা আগুনের পাশে বসে ঢুলছে। বাবা বলছে-তাইরে ঘরে লৈয়া যা বৌ।
মা কোলে তুলে ঘরে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেয় নমিতাকে। এরপর গরম ভাতের গন্ধে ঘুম ভাঙতো নমিতার,মা গরম ভাত মাছের ঝোল দিয়ে মেখে খাইয়ে দিত।চোখ বন্ধ করে এখনও সেই সুবাস অনুভব করতে পারে। কিন্তু নমিতার জীবনের সুখের দিনগুলো বড়ো ক্ষণস্থায়ী ছিল, হঠাৎ ই এক অজানা জ্বরে মা বাবা দুজনেই চলে গেল নমিতাকে এই পৃথিবীতে একা করে দিয়ে। নিজের পৈত্রিক ভিটেমাটি ছেড়ে দশবছরের নমিতার ঠাঁই হলো মামার সংসারে।আর নমিতার শৈশবের স্মৃতি গুলোর সঙ্গে সঙ্গে যাবতীয় প্রমাণপত্র ও হারিয়ে গেল চিরতরে। #
# কমলের গল্পটাও প্রায় নমিতার মত ই । ছেলেবেলায় আসামের চা বাগানে থাকত কমল, ওর বাবা চা বাগানে শ্রমিকদের সরদার ছিল, কিন্তু কৈশোর থেকেই বাইরের জগত ওকে হাতছানি দিত আর তাই তো ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিল চৌদ্দ বছর বয়সে, তারপর এখানে ওখানে ঘুরতে ঘুরতে ত্রিপুরায় এসে থিতু হয়েছে, মা বাবা আছে নাকি নেই সে খবর ও কমলের কাছে নেই, অতএব কোনো প্রমাণ পত্র ওর কাছে থাকার প্রশ্নই আসে না।
নমিতা ওদের বস্তিতে কতো লোক কে দেখেছে অন্যদেশ থেকে আসার আগেই ওদের কাগজ পত্র তৈরি হয়ে গেছে। এখন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। অথচ এই দেশের মাটিতে জন্ম নিয়েও নাগরিকের অধিকার নেই ওদের।রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড কিছুই বের করতে পারে নি । গত দু বছর আগে ভোটের সময় বস্তিতে প্রচার করতে আসা এক নেতা কে ধরেছিল নমিতা, উনি বললেন হয়ে যাবে তবে হাজার দুয়েক টাকা লাগবে। নমিতা বৌদির কাছে থেকে দু হাজার টাকা ধার নিয়ে উনাকে দিয়েও ছিল, কিন্তু এরপর ভোট শেষ হয়ে গেলে
উনাকে আর দেখতে পায়নি বস্তিতে, নমিতা ভাবলো আজ একবার উনার বাড়িতে যেতে হবে।এই দুঃসময়ে দু হাজার টাকা ওদের কাছে অনেক। বৌদির বাড়ির কাজ ও দু মাস হলো বন্ধ, গতমাসে কিছু টাকা পাঠিয়ে বলেছে খবর দিলে তারপর কাজে যেতে। এদিকে এখন ছয়মাস চলছে নমিতার, হাসপাতালে ও মেতে পারেনি ভয়ে, প্রথম বারের ঔষধ খেয়ে শরীরে একটু জোর পেয়েছিল । এখন তো আর ঔষধ কেনার ও সামর্থ্য নেই। কমল কাজ পেলে যেটুকু টাকা পায় তা দিয়ে দু বেলা খাবার জোটে না ঠিকমত।
#সুকেশবাবুর বাড়িতে এসে গেটের সামনে থমকে দাঁড়ায় নমিতা, ভেতরে কুকুরের ডাক শোনা যাচ্ছে। কুকুরকে ওর অসম্ভব ভয় , কিন্তু দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে নমিতার এখন আর পিছিয়ে আসা সম্ভব নয়, তাই রাস্তা থেকে একটা বাঁশের টুকরো তুলে নিয়ে এগিয়ে গেল।ভেতর থেকে কেউ একজন 'রকি রকি' বলে ডাকতেই কুকুরটা ভেতরে ঢুকে পড়ে। নমিতা এগিয়ে গিয়ে কলিং বেলে হাত রাখে। একটা পনের ষোল বছরের ছেলে দরজা খুললে নমিতা উনার সঙ্গে দেখা করার কথা বলে।
--আসুন আমার সঙ্গে ।
বলে ভেতরে নিয়ে যায় ছেলেটি।
#ঘরের ভেতরে একটা বিশাল টেবিলের ওপাশে বসে সুকেশবাবু খবরের কাগজ পড়ছিলেন।দামী দামী সোফা কার্পেটে সাজানো ঘর, পাশে একটা সিঙ্গল বেডে কুকুরটা শুয়ে আছে।নমিতা ভয়ে ভয়ে ডাকলো- 'স্যার'
-কে তুমি?কি চাই এখানে ?
-আমি নমিতা, বস্তিত্ থাকি, ভোটার কার্ড কৈরা দিবেন কৈছিলেন হেইটাই জাননের লাইগ্যা আইছি।
উনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন-মনে পড়েছে, কিন্তু তুমি তো কোন প্রমাণ পত্র দাও নি। তবে কি করে হবে?
-কিন্তু আমিত আপনের কথামতো টেকা দিছি।আপনে কৈছিলেন টাকা দিলে সব হৈয়া যাইব।
-কাকে টাকা দিয়েছিলে?
-ক্যান ,আপনের হাতেই তো দিছি।
-কি আজেবাজে কথা বলছ?বেরোও আমার বাড়ি থেকে।
-যামু গিয়া, আমার টেকা গুলান দিয়ালান
-বারবার এক কথা বলবে না, বুঝতে পারছি এখন এই সময়ে অভাবে আছো তাই এরকম করে আমার কাছে টাকা চাইতে এসেছো। ঠিক আছে আমি দুশো টাকা দিচ্ছি এই নাও , কিছু চাল ডাল কিনে নিয়ে যেও'
অপমানে, রাগে চোখ ফেটে জল বেরিয়ে এলো নমিতার, তবু দাঁতে দাঁত চেপে বললো-আমি ভিক্ষা নেওনের লাইগ্যা আইছি না , আমার কাম না হৈলে টেকা টা দিয়া দেন আমি যাইমু গিয়া।
-'আচ্ছা ত্যাদোড় তো তুমি !বার বার এক কথা বলছো ।দুনম্বরী কাগজ করতে চায় আবার তেজ দেখাচ্ছে ! পুলিশের কাছে রিপোর্ট করলে বুঝতে পারবে মজা।শালা বাংলাদেশী পাবলিকে ভর্তি হয়ে গেছে শহরটা !
নমিতা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে ওর মুখের দিকে। এই শহরের অনেকেই জানে খুব বেশি দিন হয়নি উনি এই দেশের নাগরিক হয়েছেন। তবে বরাবর তিনি শাসকদলের ছত্রছায়ায় লালিত তাই ধরা কে সরাজ্ঞান করে থাকা স্বভাব।
নমিতা বুঝতে পারে টাকাটা উদ্ধার করা সম্ভব হবে না তাই দৃষ্টিতে একরাশ ঘৃণা ছুঁড়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে।
পথে নেমে নমিতা টের পায় কড়া রোদ আর শারীরিক দুর্বলতা দুই মিলে ওকে চলৎশক্তিহীন করে ফেলেছে, তাই একটু এগিয়ে গিয়ে রাস্তার পাশে একটা গাছের নিচে বসে পড়ে। ঝিরিঝিরি হাওয়ায় বেশ আরাম বোধ হচ্ছে, মনটা খানিক শান্ত হয়। নমিতা মনে মনে ভাবে এই পুরো দুনিয়া টাই তো ঈশ্বরের সৃষ্টি , প্রকৃতি তো , নমিতা আর ওর মতো ছিন্নমূল মানুষদেরকেও অকৃপণ ভাবে আলো হাওয়ায় ভরিয়ে দিচ্ছে। তবে কারা সীমানা নির্ধারণ করে দেয় মানুষের মাঝে? এই সব জটিল হিসেব নমিতার মাথায় ঢোকে না,সে শুধু ভাবে -ক'টা কাগজ নেই বলে কি নিজভূমে প্রবাসি হয়ে থাকতে হবে? এই দেশের আলো হাওয়ায় প্রতিপালিত হয়েও বিদেশি তকমা গায়ে লাগিয়ে থাকতে হবে? সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে
ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ায় নমিতা , নিজেকে প্রমাণ করার শপথ নেয় মনে মনে । ওর নাগরিকত্বের প্রমাণ সে নিশ্চয়ই খুঁজে বের করতে পারবে । শেকড়ের সন্ধানে বেরিয়ে পড়তেই হবে নাহলে ওদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কিসের পরিচয়ে বাঁচবে?কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে??
0 মন্তব্যসমূহ