কথাপৃষ্টা
“রবীন্দ্রনাথ- যাঁকে বাতিলের চেষ্টা করে আসছে নষ্টরা পবিত্র পাকিস্তানের কাল থেকে; পেরে ওঠে নি। এমনই প্রতিভা ঐ কবির, তাঁকে বেতার থেকে বাদ দিলে তিনি জাতির হৃদয় জুড়ে বাজেন; তাঁকে পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দিলে তিনি জাতির হৃদয়ের কাব্যগ্রন্থে মুদ্রিত হয়ে যান, তাঁকে বঙ্গভবন থেকে বাদ দেওয়া হলে তিনি সমগ্র বঙ্গদেশ দখল করেন; তাঁর একটি সঙ্গীত নিষিদ্ধ হলে তিনি জাতীয় সঙ্গীত হয়ে ওঠেন।
প্রতিক্রিয়াশীল নষ্টরা অনেক লড়াই করেছে তাঁর সাথে, পেরে ওঠে নি; তাঁকে মাটি থেকে বহিষ্কার করা হলে তিনি আকাশ হয়ে ওঠেন; জীবন থেকে তাঁকে নির্বাসিত করা হলে তিনি রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন জাতির স্বপ্নালোকে। নষ্টরা তাকে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে আপ্রাণ। যদিও তিনি জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা,তবুও তিনি জাতীয় কবি নন। তাঁর নামে ঢাকায় একটি রাস্তাও নেই; সংস্থা তো নেই। তাতে কিছু যায় আসে নি তাঁর; দশকে দশকে বহু একনায়ক মিশে যাবে মাটিতে। তিনি বেঁচে থাকবেন বাঙলায় ও বিশ্বে।”
– ড. হুমায়ুন আজাদ
রবীন্দ্র সূচী
★মলয় রায়চৌধুরী
★মিলনকান্তি দত্ত
★শ্বেতা চক্রবর্তী
★অপাংশু দেবনাথ
★গোবিন্দ ধর
★সন্দীপ সাহু
★অমলকান্তি চন্দ
আররে রবীন্দ্রনাথ
মলয় রায়চৌধুরী
তোমার সঙ্গেই তো নেচেছিলুম সেদিন
আঙুলের ইতিহাসে একতারার হাফবাউল ড়িংড়াং তুলে
ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের জমঘট থেকে সদর স্ট্রিটের লবঙ্গ বাজারে
যেতে-যেতে তুমি বললে, আমাগো শিলাইদহ থিকা আসতাসি
আলুমুদ্দিন দপতর যামু
আগুন আর জলের তৈরি তোমার ঠোঁটে
তখনও একচিলতে ব্রহ্মসঙ্গীত লেগেছিল কী গরম কী গরম
গ্যাবার্ডিনের আলখাল্লা ফেলে দিলে ছুঁড়ে
দেখলুম তোমার ফর্সা গায়ে জোঁক ধরেছে
বড়ো জোঁক বর্ষার জোড়াসাঁকোয়
সেলিমের দোকানে শিককাবাবের গন্ধে
নেড়েগুলা কী রান্ধতাসে ? জানতে চাইলে
ও বললে, না বুঝলুঁ? সাঁড়কে ছালন ছে !
আহাঁ দেখুঁ না চখকে
চায়ের ঠেকে টাকমাথা চুটকি-দাড়ি
ভ্লাদিমির ইলিচ আর সোনালিচুল ভেরা ইভানোভা জাসুলিচ
আর তোমার মতন রুপোলি দাড়িতে অ্যাক্সেলরদ আর মারতভ
যার গাল আপনা-আপনে কাঁপছিল দেখে তুমি বললে,
উয়াদের ধড়গুলা কুথায় ?
আমি আমার নাচ
থামাতে পারছিলুম না বলে তুমি নিজের একতারাটা দিতে চাইলে
কেননা তোমার পা থেকে নাচ যে পেরেছে খুলে নিয়ে গেছে
আর এখন তো দিনের বেলাও লাইটপোস্টে হ্যালোজেন জ্বলে
কী আনন্দ কী আনন্দ
সদর স্ট্রিটের বারান্দায়
তোমার তিনঠেঙে চেয়ারখানা পড়ে আছে
হুড়োহুড়ি প্রেম করতে গিয়ে পায়া ভেঙে ফেলেছিলে
তারিখ সন লেখা আছে জীবনস্মৃতিতে
কী ভালোবাসা কী ভালোবাসা
তোমার ফিটনগাড়ির ঘোড়া তো
কোকিলের মতন ডাকছে দাদু রবীন্দ্রনাথ
আর তোমার বীর্যের রেলিক্স থেকে কতজন যে পয়দা হয়েছিল
মাটি থেকে ছোলাভাজা তুলে খাচ্ছে
ওগুলা কী ? আমি বললুম কাক;
ওগুলারে কী কয় ? আমি বললুম, সেলিমকেই জিগ্যেস করে,
ও এই অঞ্চলে তোলা আদায় করে।কী ঐশ্বর্য কীঐশ্বর্য!
(২৪ আগস্ট ১৯৯৯)
মাতৃকান্যাস
মিলনকান্তি দত্ত
আমার মা অসুখে পড়ে প্রলাপ বকেন, জানিস, তোদের রবিঠাকুরের সঙ্গে আমার
বিয়ের আলাপ হয়েছিল। মরতে বসেছি
লোকটা আজও আমাকে উদ্দেশ্য করে
গান শোনায়। যখন বলি,
রবীন্দ্রনাথ আমার বাবা, মা প্রলাপ বন্ধ করে
কেমন খাপছাড়া চোখে তাকান,
তার চোখে আমি স্পষ্ট দেখতে পাই
ভাষাসন্ত্রাস !
শ্বেতা চক্রবর্তী
জন্মদিবস
মেঘ ফুঁড়ে ওই যায় ধেয়ে যায় তরবারি,
রবিঠাকুর,আমরা তোমায় কতটুকু চিনতে পারি?
চেনার পরের অনেক চেনা বাকি থাকে,
নদীর ভেতর ঘূর্ণি যেমন প্রতি বাঁকে।
মুষলধারায় বৃষ্টি নামে প্রতি বছর এই পঁচিশে,
রবির দিনে বোশেখ মাসে মাঝে মাঝেই বর্ষা আসে।
দুঃখ জমে,দুঃখ ভরে আজ প্রতিদিন বাংলাদেশে,
কবি তাকায়,সব আলো আজ সর্বনেশে!
তবু মধুর,তবু কোমল দুঃখকে যে বুকে রাখে,
মায়ের মতো দুঃখ তাকে দিবসনিশি বাঁচিয়ে থাকে।
যেন রবি,যেন ঠাকুর,যেন কাব্য।যেন অমোঘ
রাত পোহাবে,ঠিক একদিন মুছবে বলে তমসা-রোগ!
রবীন্দ্রনাথ
অপাংশু দেবনাথ#
--------------------------
তুমি আমার রঙীন আকাশ,সপ্তরঙা ফুল
তপ্ত হাওয়ায় উড়তে দেখি তোমার পায়ের ধূল
ক্লান্ত দিনে মুখের হাসি,গোল্লাছুটের মাঠ
বানকুড়ালি ঝড়ে উড়া তেপান্তরের পাঠ
একলাবেলার রাত্রি জাগা অন্ধকারের আলো
ভালোবাসার বকুলবেলা সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বালো
তুমি আমার ব্যস্ত সময় খাবার থালায় ভাত
কালো রাতের আঁধার ছেঁড়া জেগে উঠা প্রাত
কিশোরবেলা দেও মনুতে ডুব সাঁতারে খেলা
একা পথে ছায়া শীতল সঙ্গী দুপুরবেলা
সময় হারা জল- সাঁতারে জীবনজাগা সুখ
রক্তে আমার বইছে কেবল লংতরাইএর মুখ
তুমি আমার দেবতামুড়া, পিলাক উনকোটি
বক্সনগর গোলাঘাটি,তোমার মায়ায় ছুটি
গীতবিতান,জেন্দাবেস্তা,গীতা বাইবেল কোরাণ
চর্যাগীতি ত্রিপিটক আর আগম কিংবা পুরাণ
মন্দিরেতে ঝাউএর বনে আলতো হাতে ছোঁয়া
দিদার আচল উড়তে দেখি লালি মুড়ির মোয়া
তুমি আমার সত্যি সকাল ভগ্নবুকে আশা
পলি-মাঠের চিরকিষাণ বিভোর ভালোবাসা
সব শ্রমিকের কাজ কলতান, উচ্চধ্বনি ভিড়ে
স্বপ্নগুলো জাগাও তুমি, জাগো আমায় ঘিরে
তুমি আমার ঝড়ো হাওয়া বিজয় নদের ঢেউ
রবীন্দ্রনাথ আর বলোনা তুমি আমার নও।
(কবিতাটি একটাই ফিরে ফিরে আসে আবার।)
আমার রবীন্দ্রনাথ
গোবিন্দ ধর
আমার কন্ঠে তিনি নেই। তিনি আমার হৃদয়ে।মননে।
ছোটবেলার ধানক্ষেতে চাষার হালচাষে,ধানকাটায়।
ধানবপনে।মাঠেমাঠে সোনালী ধানে।তিনি আমার মায়ের ভাষা বাংলায় প্রথম উচ্চারণ। তিনি আমার কবিতায় গল্পে ছন্দে কথায় তিনি আর তিনি।তিনি আমার রবীন্দ্রনাথ। তিনি আমার যাপনের প্রতিটি পাতায়।হাঁটতে বসতে খেতে শুঁতে তিনি নেই এমন কিছু নাই।তিনি মানুষের মনের রাজা।আমার রবীন্দ্রনাথ সাধারণ মানুষের একজন।তিনি চাষাড়ে। তিনি আষাঢ়ে। তিনি ফুলের আগুন লাগলে যেমন প্রেমিক প্রেমিকার মনে কৃষ্ণচূড়োর দোলা তিনি আমার কাছেও তাই।
তিনি আমার তিনি।তিনি আমার আপনজন।তিনি আমার কাজের হুইসেল।বাঁশি।তাঁর গান আমার ঘুম ভাঙ্গায়।আবার ঘুম নিয়ে আসে ক্লান্ত শরীরে।তাঁর গান আমার গান।তাঁর গান গেয়ে আমার সকাল শুরু রাত প্রভাত হয়।সকল অন্ধকার দূর করতে তাঁর কাছেই নতজানু হই বারবার।তিনি যে আমার প্রেমের চিঠি।আমার গোপন প্রেমিকার কাছে তাঁর বাণী নিয়ে যাই।
তিনি সকল অসহিষ্ণুতার বিরোদ্ধচার থেকে সহিষ্ণুতা এনে দিতে জনগণমন অধি নায়ক।তাঁর গান গেয়ে উঠে ভারত বাংলাদেশ থেকে আরো কোন এক দেশের জনগন।
এই তিনি আমার তিনি আমার রবীন্দ্রনাথ। আজ তাঁকে নিয়েই রাজনীতি!রাজার নীতি নয় আসলে মানুষে মানুষে দূরত্ব তৈরী করে আমাদের আরো বেশী করে আলাদা রাখা সহজ।
আমাদের শিক্ষা স্বাস্থ্যকে আরো দূর্বল করে দেওয়া যায়।তাঁকে যত দূরে রাখা যায় তত আমাদেরকে শাসন করা যায়।আমাদেরকে একলা করে দিয়ে শাসকরা আরো নিজেরা রাজার মতো ধনী হতে চায়।
তাই তারা আমার তোমাকে আমাদের থেকে দূরে নিতে এত চক্রান্ত।
আজ আসাম তো কাল অন্যত্র তোমাকে একলা করে দিয়ে আসলে তারা নিজেরাই মানুষ থেকে একলা হচ্ছেন।
আমার তুমি চিরকাল সকলের কাছে গেলেই আমরা আমার আমার বলবো না। বলবো আমরা আমাদের।আমরা সকলের।তখন আমার তুমি সকলের তুমি হবে।আর তখনি তুমি রবীন্দ্রনাথ। আমার রবীন্দ্রনাথ।
০৯/০৫/২০১৭
সকাল:০৯:০৫মি।
আগরতলা এয়ারপোর্ট
সন্দীপ সাহু 'র তিনটি রবীন্দ্র কবিতা
এসো হে পঁচিশে বৈশাখ
---------------------
কবি রবি,
ইউক্রেন আক্রান্ত। আফগানিস্তান,
ইরাক আক্রান্ত।আক্রান্ত আরো অনেকে
ঘরে বাইরে।
তবু পঁচিশে বৈশাখে
তুমি আছো ভীষণ ভাবে আছো।
নাচ গান আবৃত্তি নাটকের পেলবতায়।
বিষাক্ত নাগিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নয়।
সভা সমিতি সেমিনারে
জীবনদেবতা তত্ত্বে, রাজার আধ্যাত্মিক সত্তায়,
তোমায় খোঁজার অছিলায়---
হবে দিস্তার পর দিস্তা আঁতলামি!
তোমার সহৃদ-চেতনায় জীবন্ত
উপেনের চোর হওয়ার যন্ত্রণা,
কেষ্টার নির্মল মানবতা,
ওরা কাজ করে-এর ওরা,
কারুর হৃদয়তন্ত্রীতে সুর তুলবে না।
মানুষ এড়িয়ে চলে,
ভয় পায় বিবেকের মুখোমুখি হতে।
পঁচিশে বৈশাখ তুমি এসো
খর রুদ্র কালবৈশাখে
দৈত্যের বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামে
ঘরে বাইরে
ঘরে ঘরে।
@
রূপনারানের পাড়ে
------------------
রূপনারানের পাড়ে আধশোয়া
অনেক রক্তাক্ত সময় অতিক্রম করে।
ঘন আঁধার নেমে এসেছে চোখে।
জোয়ারের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ চেতনে বাজে।
কতক্ষণ, কে জানে? ঢেউ পা ছোঁয়।
জেগে উঠি। আমায় জাগায় রূপনারান।
রাত নেমে এসেছে। চাঁদনি রাত।
ঢেউর দিকে হাত বাড়াই। ঢেউ হ্যাঁচকা টান মারে।
তাল সামলাতে না পেরে এক গলা জলে
স্রোতে তলিয়ে, স্থির হয়ে দাঁড়াই।
দেখি, ঢেউয়ে ঢেউয়ে আমার রক্ত-ছবি!
সত্য কঠিনে জীবন্ত হয়ে দাঁড়ায় সামনে!
রূপনারান রবীন্দ্রনাথ হয়ে যায়।
ঢেউয়ের মাথায় থাকা রক্ত-ছবিগুলো
এগিয়ে দিয়ে স্থির ভাবে তাকিয়ে থাকেন।
সম্মোহিত হয়ে সব ছবিগুলোকে দেখি আবার।
পরম মমতায় ঢেউয়ের মাথা থেকে তুলে,
সযত্নে একটুও আঘাত যাতে না লাগে
সাবধানে এক এক করে হৃদ-মাঝারে রাখি।
রবি ঠাকুর স্মিত হেসে হাত ধরে পাড়ে পৌঁছে দেন।
"সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম"
চারদিকে উচ্চারিত হয় আমায় ঘিরে।
@
উনি শেখালেন
--------------
আজ আকাশে তাকালাম।
খুব একটা তাকাই না।
আকাশ দেখার জন্য চাই একটা সমুদ্র।
আমি এখনো সমুদ্র পাইনি।
ছোট্টো কুঁয়ো ঘাড়ে নিয়ে হঠাৎ
আজ কেন তাকালাম কে জানে!
ছোট্টো কুঁয়োতেও ওনার ছবি দেখলাম।
শান্ত ভাবে আকাশ থেকে নেমে আসছেন।
ওনার পাদস্পর্শে কুঁয়োটা রূপনারান হয়ে গেল!
হাজার একটা কষ্ট যন্ত্রণা হা হা করে এগিয়ে এলো!
যন্ত্রণাগুলো কুঁয়োর মধ্যে যেন বন্দী ছিল!
যন্ত্রণাগুলোকে কীভাবে আপন করতে হয়,
শেখাচ্ছেন আমার হাতে হাত রেখে, স্মিত হেসে!
রক্তাক্ত হয়ে চিৎকার করলাম নিদারুণ ব্যথায়!
অদ্ভুত, ভয় পেলাম না। নিজেই এগিয়ে গেলাম।
যন্ত্রণাগুলোও স্বাধীন উল্লাসে ছুটে এলো।
যন্ত্রণাগুলো হাতে করে নিয়ে এলো "আফ্রিকা"
"ওরা কাজ করে" "পুরাতন ভৃত্য" "সভ্যতার সঙ্কট"...
(C) সন্দীপ সাহু।
রবি ঠাকুরের প্রতি
অমলকান্তি চন্দ
---------------------------
রবির হাসি ছড়িয়ে দিলে
কেমন যেন রোদের ঘোর,
আমার মনে তোমার মনে
উঠল বেজে গানের সুর।
নাচল তারা বাতাস জুড়ে
তারার ভীড়ে আকাশখানা ,
কেমন করে দুলছে দেখ
হৃদয় জুড়ে পাখীর ডানা।
ছবির দেশে সবাই রাজা
রাজার হাতে ছন্দ খেলা,
সকাল বেলা দুপুর বেলা
দিবস জুড়ে রবির মেলা।
স্রোত প্রকাশনার
৯টি রবীন্দ্র বিষয়ক বইয়ের সম্ভার।
বই গুলো
(১)রবীন্দ্রসূক্ত:মিলনকান্তি দত্ত
(২)মালবিকা চাকমার রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য:উষারঞ্জন ভট্টাচার্য
(৩)তোমার কথা আমার কথা:তিথি দেববর্মণ
(৪)অন্য রবীন্দ্রনাথ:ড.দেবব্রত দেবরায়
(৫)উত্তর পূর্বাঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ:পান্নালাল রায়
(৬)গীতাঞ্জলি:(চাকমা-বাংলা দ্বিভাষিক সংকল):তিমিরবরণ চাকমা
(৭)রবীন্দ্রনাথ স্বামী বিবেকানন্দ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ:অনিলকুমার নাথ
(৮)ঠাকুর পরিবারের অঙ্গনা:জ্যোতির্ময় রায়
(৯)রবীন্দ্রনাথ ত্রিপুরা ও বিচিত্র প্রসঙ্গ:বিকচ চৌধুরী
0 মন্তব্যসমূহ