বাপী ভট্টাচার্য
ঘোড়ার পদ্য
১.
ভিতরে একটা প্রাণঘাতী ঘোড়া আছে।
কোনো একদিন যদি স্পষ্ট হয়ে যায়, বোঝা যাবে যে, গ্রহে এসে উল্কা পরে, কখনো কখনো বুঝি পানপাত্র তুলে দেয় হাতে, তখনই টুটি চেপে ধরে। ক্ষণে ক্ষণে পিপীলিকা কামড় দেয় পদ্যে। তখনই উপমা পাবে না, বসন্ত শহর এসে বোঝা গেল এ শহর ভঙ্গুর, গ্রহটা একটা গ্রাম। বাংলা পদ্য তামাশা করে লিখি না! যেমন সমতা নেই কারুর ভরসা হারানোর। আমি লিখি, আড়চোখে মাখো কাজল, মৃত্যু অবধি থেকে যাবে মিশে যাবে পদ্যে ।
২.
মাটির ঘোড়া চড়ে যাবে রাত্রি হলে,
কদম গাছের সারি এসে দাঁড়ায় আমার সামনে। বুকে বেজে ওঠে হায় ! পানপাত্র হয়ে যায় দেহ। আবার তৈরি হয়নি। এ পাত্র যে পাত্রে দান করি আর্দ্র চোখ, এ অশ্রু বিন্দু যীশুর দেহ ঘামে ভিজে গেছে। ফিসফিস করে বলে, ধ্বনিতে নিষাদের গল্প, পায়ের নিচে থাকে । স্বভাববিরুদ্ধ সে যে চলে যায় দেশ বাড়ির দিকে। হতবাক হয়ে বোঝা গেল । সে কি আমার দেহের অংশ! নিরুপায় সে বুঝে চলে যেতে হয়। কিভাবে চলে যাও, সবচেয়ে বেশি আজ দেখতে পেলে অন্ধের দেহ।
৩.
প্রতারিত হতে চায় ঘোড়া, সমস্ত অভিযোগ সত্ত্বেও সে চুপ হয়ে বসে থাকে। ইনিয়ে-বিনিয়ে দেখে সে বুঝে লিখে উঠতে পারেনি পৃষ্ঠা সাদা অংশ। তার নিয়তি।একদিন অক্ষরহীন হবে অন্ধকে পথ দেখাবে। আসলে প্রতারণা একটা অভিযোগ, প্রতারিত হলে মেনে নিতে রাজি হয় ঘোড়া। সে স্নান সেরে এসে বুঝে ঝরনার জল সঠিক ব্যবহার করা যায়। বিরুদ্ধ এক পাহাড় হতে আবার ফিরে আসি। ইহজন্মে তামাক আসলে ধোঁয়া হয়। শূন্যে উড়ে যেতে যেতে প্রবাহ দেখায়, ছদ্মবেশী পর্যটক ঘোড়া হয়ে যায়।
0 মন্তব্যসমূহ