কী লিখি কেন লিখি
সনজিৎ বণিক
সনজিৎ বণিক
শৈশব থেকেই এই খেলা। লেখা। বলা যায় জন্ম থেকেই এই কসরৎ আজো সমান তালে জাগিয়ে রাখে আমাকে। আমি কলম চালাই সময়ের সঙ্ঘাত জুড়ে বারবার। কথা পৌঁছে দিতে বড়ো আনন্দ মন ছূয় মানুষ ছূয়। লেখা যেন বারবার মস্তিষ্কের অন্দর মহলে আঘাত হানে আর জাগিয়ে রাখে কাব্যিক খেয়াল।
শৈশব ও কৈশোর যেন স্বপ্নময় এক দুনিয়া। বারবার আহ্লাদ ও আশা আকাঙ্ক্ষার ভেতর ঘুরপাক খেতে খেতে জীবনের অর্থপূর্ণ মহিমা উজাড় করে দিতে মেলে ধরে কল্পনার রঙিন প্রজাপতি। মন হাওয়ায় উড়ছে মেলছে পাখা দিগন্তে ।
পাখা আকাশ ভাঙ্গা শিখতে শিখতে যৌবনের পথে এক পা এক করে এগিয়ে যেতে যেতে আকাশের নীল ছূয়েছে বারবার। অস্তিত্ব আর উপলব্ধির পথ জুড়ে জেগে উঠছে এ জগত আর স্বপ্নময় দুনিয়ার
যাবতীয় ছবি আঁকা হয় বারবার, রঙ বদলায় ইচ্ছে ঘুড়ির , নতুন নতুন রং পাতারা দুলতে থাকে মন যমু নায়। মানুষের কথা আকাশের কথা লেখা হয় কলমের রঙিন কালিতে কাগজে কাগজে কবিতা।
মনের কথা বলতে বলতে লেখা হয় এ জগতের হাজার রহস্য , সেখানেই জুড়ে আছে দুনিয়ার কথা
দুনিয়া বদলের ইতিহাস ও কবির মস্তিষ্কপ্রসূত যাবতীয় সুন্দর। এই তাড়নায় কবি বারবার লিখে ফেলে সুন্দর আর অসুন্দর এর উপমা।
কবির স্বপ্নতাড়িত মূহুর্তের ভেতর জেগে থাকা সব কথা গুলো জেগে রয়। কবি কেবল লিখে যায় এ
জগৎ অস্তিত্ব এর উপমা । কলম জেগে থাকে দিনরাত, রাতদিন।
জন্ম সূত্রে ই কলমের রঙিন অস্তিত্ব জুড়ে থাকা এক বেহালা , ইচ্ছে মতো বেজে চলেছে কবির আত্মার ভেতর, লেখা হচ্ছে হাজার চরণ বারবার। জেগে থাকা আর জাগিয়ে রাখাই কবির ধর্ম। তাই লিখে রাখা, কর্মের ঘোরে জাগিয়ে রাখা কলমের অস্তিত্ব।
দুনিয়া বদলের স্বপ্ন জাগিয়ে রাখা বারবার ।
0 মন্তব্যসমূহ