গোবিন্দ ধর
পতাকাশরীর ও পাঁজরের মানচিত্র
মধ্যরাতে নিজস্ব পুরুষের নিকট থেকে ঘুরের ভেতর বিলিয়েছো পতাকাশরীর।
ইহাকে স্বাধীনতা বলে?
শরীর রাষ্ট্র ক্রমাগত একেওকে দিলে
ভাগ হয়ে গেলো দেশ
নেহেরুর ভারত সাইন ইন্ডিয়া
জিন্নার ভারতকে ভারত বলে না বলি পাকিস্তান।
সকল কলকাটি নেড়ে নেড়ে এডউইন চারমিনারের ধুঁয়ায় ভরিয়ে দিলো ভারত।
স্বাধীনতা এসে এডউইন চারমিনার আর
মধ্যরাতের গোপন আনন্দের নিকট ক্ষীর হয়ে গেলো।
তিনি ইটকাঠ বাড়ি থেকে সবুজ উত্তর পূর্বের দিকে থাকান।
আবার গালিবের দিকে
ইকবালের দিকে
শত বিভক্ত শরীর ইণ্ডিয়া ছিটমহল সুখের পায়রায় তুমি উড়িয়েছো শরীরসুখ।
লক্ষ্যেস্থির অর্জুন পাখিটির চোখ চোখের মণি
তারপর নিক্ষেপ তীর।
তর্জনী উঠুক তাতেও বিভক্ত স্বাধীনতা
বছর বছর ত্রিবর্ণ পতাকা উড়ে পাখিআকাশ।
পাখিদের নীড়ে সেই শলাপরামর্শে জেনে গেলো সবুজের জমাট ছিটমহল।
টুকরো টুকরো শরীররাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী চাই
এই যাদুবিশ্বাস থেকে শুরু হয় উড়াল।
উড়তে উড়তে পায়রাপতাকাগুলো ফৎফৎ করে
আরো আরো উড়ে যায় নীল আকাশপথে।
মাটির সুতো কেটে গিয়ে শরীর রাষ্ট্র আরো রাষ্ট্র গড়ে
মধ্য রাতের গোপন আনন্দকরিডোরের নিকট পৌঁছে যায়
দেশবদলের এডউইনচাবিকাটি।
বিলিবন্টন থেকে জন্ম নেয় রাষ্ট্র
আরো রাষ্ট্র আরো আরও...
মধ্যরাতের ভুল স্বাধীনতা কাঁটাতার নদী পেরিয়ে
দিন যায় দিন যায় যায় একদিন বেহাত হলে
পরিকাঠামো থেকে পড়ে থাকে পাঁজরের মানচিত্র।

0 মন্তব্যসমূহ