অনুগল্পের আসর, প্রথম সংখ্যা

মনের আলো!   //  সৌম্যদীপ দেব

কালো হলে চলবে না, আর সব ঠিক আছে। 
সকালে ঘটক বিদায় দিয়ে রাহুলের বাবা তার ঘরে কি জানি একটা রেখে গেলেন। 
'দূর থেকে কালো ঠেকলো! '


রঙ খেলার দিনে // প্রাণজি বসাক 

বসন্তের রঙের ছোঁয়া উৎসব শেষে দুপুর পর লম্বা ঘুম দিলাম। উঠে দেখি বিকেল বলছে, আমার রঙ কোথায় রাখলে!  
একটু পর সন্ধ্যা এসে বলে, এও নাও আমার কৃষ্ণ-কালো রঙ। ঢেলে দিলাম দিগন্ত জুড়ে আকাশময়। 
কি আশ্চর্য, বেবাক রঙ ডুবে গেল তখনই। তোমাকেও দেখছি না কোনও রঙে রঙিন কোথাও। 
 



কর্কট  // দেবাশ্রিতা চৌধুরী

বেল্টের বকলসটা ঠিক করাতে হবে।পর্ণা সুস্থ বেকার প্রেমিককে লেদারের বেল্টটি উপহার দিয়েছিল। আর দেখা হয়নি, অরূপ সরে গেছে দূরে কর্কটের তীব্র গরলে।পর্ণার দয়া নিতে পারবে না।বেল্টটি রয়ে গেছে ,ফুটো করাতে হবে।



দেবালয় // রূপন মজুমদার

যেখানে গেলে তৃপ্তি পাওয়া যায়,সেটা মনের হোক বা শরীরের,তা-ই আমার কাছে দেবালয়।
বৃন্দাবনও হতে পারে আবার সোনাগাছিও।


অপেক্ষা // ঝর্ণা মনি

ছলছল চোখে বলেছিলো, অপেক্ষা করো। কত শীত-বসন্ত পেরিয়ে গেল। কথা রেখেছিলো নাকছাবিটি। হাওয়াই শার্ট ফিরলো সঙ্গে স্ত্রী, দুই সন্তান।


দিনবদল // দেবোপম রায়
একসময় নিজের ধোয়াধুয়িকে শুচিবাই বলে কত মুখ বেকিয়েছে বৌমা ।এখন করোনার কারণে বৌমার ধোয়ামোছা দেখে মুখ ঘুরিয়ে মুচকি হাসেন শাশুড়ি ।









একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ