বাপী ভট্টাচার্য||অনন্ত

বাপী ভট্টাচার্য

অনন্ত 
জলের খেলা দেখি অপেক্ষা করে করে
প্রেম হবে না প্রত্যাবর্তিত
এই দুপুরে। 
রুমাল ওড়ে
প্রথমে ভেবেছিলাম
হাত নেই
দেশও নেই হাতে।
দেখুন
আপনা আপনি হয় না কিছু
প্রলয় মাথা নত করে, 
পিতামহ বোঝে
স্বগৃহে এসে। 
আমি অগ্নি আমি জল
নষ্ট হয়!
অক্ষয়। 
আমি নদীর নাম জপি
পক্ষীকুলের কাছে, 
মেঘ তার চিরাচরিত
গগন ডিঙিয়ে নামে। 
মেঘ দেখা ভালো
তারারা ভিতরে 
কানাকানি করে। 
বড় দুঃখী
তাকে নিও না, 
ঝরে যেতে দিও। 
যদি ভিতর ঘরে যাই
নানা রঙের সিংহাসন
চমৎকার লাগে শ্রবণ ।
 
যদি সঙ্গ চাও সঙ্গী হবো
 আমার দেশ নেই,
তাই তো সঙ্গী করা দরকার
চল সর্বাত্মক আরাধনা করি। 
১০
বাউলানি নিশ্চিত পারে
প্রিয়তম সন্ন্যাস নিতে
চলে এসো কোনো দিন
সান্ধ্যসংগীতে। 
১১
আত্মা আছে কি নেই
হদিশ পাই সফল ঋতুরাগে
বাতাসে উড়ে আসে
সম্ভবত ডেকেছি
কি ডাকবো আর। 
১২
সবার সামনে বলো
অস্থির সময়ে গেলে,
তরুনী মেঘমালা
মাটির দেহ বাজায়। 
১৩
রাজার আদেশ
দুঃখ ছিলো গেছে,
কাহিনী পড়ে। 
কৃষ্ণবর্ণা তরুনী
জানে সে
কী রকম অদ্ভুত। 
১৪
তিন সর্প যার ঘরে
তার কাছে
প্রবেশ করে লোহিত সাগর
জলের ভিতর হতে
বেজন্মা ডাকে। 
১৫
সময়ে সময়ে
দেখা হয় যাতায়াত করে
স্রষ্টা সর্বভূতে যার, 
উৎপন্ন, 
জলাশয় আবার। 
১৬
পাপ হতে ভয়
দেখবে সময়
নিশ্চিত
পথ দেখাবে। 
১৭
ঋতু সকলের বসন্ত
ভয় আসবে প্রলয়। 
আমি নদী তুমি নদ
কপিল সময়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ