একটি মহড়া-ছবি
♦
কবিতাকুঞ্জ ইজ ভেরী মাচ মাই ব্রেইন চাইল্ড-- এনিয়ে কারও মনে কোনো সংশয় থাকার অবকাশ নেই। আমার মনেও নেই। এই ছোট্ট বিশ্বকবিতার বাসগৃহে ( Home of world poetry) বিশ্বের একশ'টি দেশের প্রায় দুই হাজার কাব্য ও কাব্যবিষয়ক গ্রন্থ রয়েছে।
মানবজাতির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মেধাসম্পদ হিসেবে বিবেচিত পাঁচ লক্ষাধিক টাকার কবিতার বই আমরা শুধু টাকা দিয়ে নয়, বহু পরিশ্রম করে, বহু বন্ধুর সাহায্য নিয়ে সংগ্রহ করেছি। বহু দুর্লভ কাব্যগ্রন্থ কবিতাকুঞ্জকে উপহার দিয়েছেন অনেকে।
কাশবনে আমি যা করিনি, কবিতাকুঞ্জে তা করেছি। কাশবনে আমি নিজেকে আড়ালে রেখেছিলাম।
কিন্তু কবিতাকুঞ্জে আমি নিজেকে আড়ালে রাখিনি আর। আমার উপস্থিতিকে যতটা সম্ভব নান্দনিকভাবে দৃশ্যমান করে তোলার চেষ্টা করেছি এখানে। ককু্ঞ্জের সবচেয়ে নজরকাড়া স্থানটিকে আমি বেছে নিয়েছি আমার আত্মপ্রতিকৃতি স্থাপনের নিমিত্ত।
এটি আমি হয়তো না করলেও পারতাম, কিন্তু লোভ সম্বরণ করতে পারিনি। আমার লোভ এবং অহংমুক্ত আচরণের অনর্থও হতে পারতো।
আমি নিরাকার থাকতে চাইনি।
আমি মনে করি কবিতাকুঞ্জের ভিতরে ছবি তোলার অনেক বিকল্প স্পট রয়েছে। তারপরও, আমার ছবির পাশে শান্তমনে দাঁড়িয়ে, স্ত্রীকে সাথে নিয়ে কবি কামাল চৌধুরী যে ছবিটি তুলেছেন-- তাতে আমি কিছুটা আনন্দমিশ্রিত অস্বস্তি বোধ করছি।
আমি মনে করছি--কবিতাকুঞ্জের স্বপ্নদ্রষ্টা, অর্থাৎ আমি যখন থাকবো না, তখন থেকে এই ছবিটি আরও সত্য হয়ে উঠবে। উঠুক।
আপাতত দূর-ভবিষ্যতের মহড়া-ছবিরূপে এ-ছবিটি গণ্য হোক।
♦
ল্যাবএইড কার্ডিয়াক
Hospital
১৭/০২/২০
0 মন্তব্যসমূহ