খড়গ // সম্পা বৈদ্য

দেশের সব মেয়েমানুষ মানুষের অধিকার পাওয়া জন্যে চলো উঠে পড়ে লাগি, আমরা যেন ভারতবর্ষের ইতিহাস  থেকে ধর্ষন কথাটা মুছে ফেলতে পারি। চলো গর্জে উঠি।

খড়গ


হাতে আমার খড়গ উঠেছে 
জিহ্বা সামলে কথা বল।
নইলে জিহ্বা কেটেই প্রতিশোধ নেব।
বল তার কোনো শাস্তি নেই!

আমার ছেলেরে আজ থেকে আমি সামলাবো!
 তোদের প্রশয়ে আমার ছেলে বিপথ গেছে!
কোন পাগল শুনবে এবার তোদের কথা?
গনতন্ত্রের মিথ্যা চাদর আমি আর মানি না।
আমার ভোটের কি মানে এদেশে!
 যে দেশে আমার সুরক্ষা পেট্রোল দিয়ে পুড়ে ছাই করে দেয় পুলিশ এক নিমিষেই ?
দুইটা টাকার বিনিময়ে ডাক্তার বিক্রি হয়ে যায়!
উকিল ধর্ষকের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকে!

ছেলে আমার শুনবে শুধু আমার কথা।
দেখি না একবার চেষ্টা করে ছেলে মানুষ করা যায় কিনা?
এদেশে এমন ও উদাহরণ আছে বাপের হাতে মেয়ে ধর্ষিতা।
 এমন বাপের মুখে আমি থুতু ছিটাই।

মানুষ হলে রক্ষা পাবে নিজের ছেলে।
বিপথগামী ছেলেরে নিজেই মারবো।
মারবে কেন সে পরের মেয়েরে জালিয়ে,পুড়িয়ে, জিহ্বা কেটে ?
খড়গ আমার হাতে আছে কুপিয়ে মাথা করবো খান খান।
নিজের ছেলে তো কি হয়েছে?
অন্যায় মানে অন্যায়!

আমার মেয়ে রাত দুপুরে বেরুতে হয় কাজের জন্যে। 
কুদৃষ্টির চোখগুলো সব গেলে দেব আমার ধরালো ছুরি দিয়ে।
আমায় তোমরা চিনে রাখো,
 দশভুজারই জাতি আমি।
মেয়েমানুষ না মানুষ আমি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ